আজঃ বৃহস্পতিবার ১৪ মে, ২০২৬

মৌলভীবাজার:

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দায়িত্বে অবহেলা: কোমলমতি শিক্ষার্থীরা শিক্ষা সেবা থেকে বঞ্চিত।

তিমির বনিক মৌলভীবাজার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মৌলভীবাজারের জেলার জুড়ী উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকদের দায়িত্বে অবহেলার খবর পাওয়া গেছে। যার ফলে, অত্রাঞ্চলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা শিক্ষা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ওইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম হলো উপজেলার গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাপস কান্তি রায়। দক্ষিণ সাগরনাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

জানা গেছে, জুড়ী উপজেলা ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে মোট ৪৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ওই সব প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতোকটিতে ১জন করে প্রধান শিক্ষক এবং একাধিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগ দেওয়ার পর সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ হতে তাদের আগমন সকাল ৯টায় এবং প্রস্থান বিকেল শোয়া ৪টার সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নিকট হতে সময় নির্ধারণ করলেও ওইসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরীরত প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের অনেকেই কতৃপক্ষের নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেদের ইচ্ছামত বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করেন।

সম্প্রতি সরেজমিনে ওই সব প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, ২টি বিদ্যালয় যথাক্রমে গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাপস কান্তি রায় সকাল ১০টা ৮মিনিটে আগমন করেন, সহকারী শিক্ষক নাজমুন নাহার খানম ১০টা ৫মিনিটে, সহকারী শিক্ষক হারুনুর রশীদ ৯টা ৫৫মিনিটে, সহকারী শিক্ষক বীনা রাণী মাহাত্ম্য সকাল ৯টা ৪৮মিনিটে আগমন করেন। দক্ষিণ সাগরনাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নয়ন মণি সিংহকে বিকেল ২টায় গিয়ে পাওয়া যায়নি। ওইসব এলাকায় গিয়ে শিক্ষার্থীদের অবিভাবকদের সাথে কথা হলে ভুক্তভোগীরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া করার জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় বানিয়ে দিয়েছেন। শিক্ষক ও দিয়েছেন। কিন্তু শিক্ষকরা সময়মতো আসে না।
এজন্য আমাদের ছেলে মেয়েসহ আমরা স্কুলের গেইটের সম্মুখে তালা খুলার অপেক্ষায় দাড়িয়ে থাকি। আমরা ওই শিক্ষকদের বিচার চাই।

আমাদের দাবি সরকারের নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয়টি খোলা হোক এবং বন্ধ হোক। এ বিষয়ে জানতে চাইলে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাপস কান্তি রায় সাংবাদিকদের সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে, জুড়ী উপজেলা শিক্ষা অফিসার দিলীপময় দাশ চৌধুরী বলেন, আগমন ও প্রস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সিআইইউতে ৩য় বাংলাদেশ এআই অলিম্পিয়াডের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পর্ব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি (সিআইইউ) প্রাঙ্গণে শনিবার অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘৩য় বাংলাদেশ এআই অলিম্পিয়াড ২০২৬’-এর চট্রগ্রাম আঞ্চলিক পর্ব। বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় চট্রগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী জেলাসমূহের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। এতে প্রাধান্য পেয়েছে প্রোগ্রামিং, গাণিতিক যুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নানামুখী চ্যালেঞ্জ।

প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা ‘এআই কুইজ’ ও ‘এআই কোডিং চ্যালেঞ্জ’-এই দুটি ক্যাটাগরিতে নিজেদের মেধা প্রদর্শন করে। প্রতিযোগিতার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সিআইইউ-এর স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ডিন অধ্যাপক ড. আসিফ ইকবাল। এছাড়া কুইজে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে এআই ও মেশিন লার্নিংয়ের ওপর একটি বিশেষ ওয়ার্কশপ পরিচালনা করেন সিআইইউ-এর শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল নাঈম ও সামাহ বিনত ফিরোজ।

এআই কুইজ ক্যাটাগরিতে ১০ জন এবং এআই কোডিং চ্যালেঞ্জে ৬ জন শিক্ষার্থীকে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। কোডিং চ্যালেঞ্জে ৭ জন শিক্ষার্থী বিজয়ী হয়। কুইজ ক্যাটাগরিতেও ৯ জন শিক্ষার্থী। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিআইইউ-এর রেজিস্ট্রার আনজুমান বানু লিমা। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ড. আসিফ ইকবাল এবং ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ড. রুবেল সেন গুপ্ত।

সিআইইউতে এআই সেন্টারের যাত্রা শুরু, গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি শিক্ষায় নতুন সম্ভাবনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (সিআইইউ) প্রাণবন্ত আয়োজনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে সিআইইউএআই সেন্টার। আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইন প্লাটফর্মে যুক্ত ছিলেন মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা কাউন্সিল সদস্য ও নোটোমেশন এর প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও ড. জুনায়েদ কাজী। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিটাগং ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি (চুয়েট) এর কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক। সন্মানিত অতিথি হিসেবে অনলাইন প্লাটফর্মে সংযুক্ত ছিলেন মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা কাউন্সিল সদস্য ও বিডিওএসএন এর প্রেসিডেন্ট জনাব মুনীর হাসান।

বক্তারা বলেন – “বর্তমান বিশ্বে এআই শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, বরং এটি অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও শিল্পখাতের রূপান্তরের অন্যতম চালিকাশক্তি। সিআইইউএআই সেন্টার শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণা ও বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।”সিআইইউ এর সহকারী রেজিস্ট্রার রুমা দাশ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন স্কুল অব সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর ডিন অধ্যাপক ড. আসিফ ইকবাল। এসময় সিআইইউএআই সেন্টারের বিভিন্ন পরিকল্পনা, গবেষণা কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য তুলে ধরে একটি প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন সেন্টারের পরিচালক এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাজ্জাতুল ইসলাম।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম নুরুল আবসার।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, – “বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী দক্ষতায় গড়ে তুলতে সিআইইউ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সিআইইউএআই সেন্টার ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে বলে আমরা আশাবাদী।” এসময় সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, সিআইইউএআই সেন্টারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এআই, মেশিন লার্নিং, ডেটা সায়েন্স, রোবোটিক্স এবং অটোমেশন বিষয়ে গবেষণা ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে। পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণা সহযোগিতা, কর্মশালা, সেমিনার এবং ইন্ডাস্ট্রি কানেক্টিভিটির মাধ্যমে প্রযুক্তিখাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই কেন্দ্র।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ