নিয়ন্ত্রণ না করলে কয়লায় বিস্ফোরণ ঘটার আশঙ্কা

মুক্তিপণের দাবিতে আসেনি ফোন জিম্মি ‘এমভি আবদুল্লাহ’র অবস্থান পরিবর্তন ঃ নিয়ে গেছে ৫০ মাইল উত্তরে

ডেস্ক নিউজ:

ডেক অফিসাররা কাজ করছেন কার্গো হোল্ডের ৫৫ হাজার টন কয়লার তাপমাত্রা নিয়ে যাতে তাপমাত্রা আর হোল্ডের অক্সিজেন নিয়ন্ত্রণ করা যায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ার জলদস্যুর কবলে পড়া চট্টগ্রামের কেএসআরএমের মালিকানাধীন বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি আবদুল্লাহ’কে আগের অবস্থান থেকে আরও ৪৫-৫০ কিলোমিটার সরিয়ে নিয়েছে। জাহাজটি এখন সোমালিয়া উপকূলের গদবজিরান শহরের কাছাকাছি অবস্থান করছে। গদবজিরান সোমালিয়ার নুগাল প্রদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় একটি জেলা শহর, যে এলাকাকে গদবজিরান জেলার কেন্দ্রস্থল ধরা হয়। জলদস্যুদের কবলে পড়া ‘এমভি আবদুল্লাহ’ নামে জাহাজটি চট্টগ্রামের কবির স্টিল রি-রোলিং মিলস (কেএসআরএম) গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এসআর শিপিংয়ের মালিকানাধীন।
বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএমওএ) জানিয়েছে, জাহাজটি বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) যেখানে নোঙ্গর ফেলেছিল, সেখান থেকে ৪৫ থেকে ৫০ মাইল উত্তরে সরে গেছে। সেটি এখন সোমালিয়ার গদবজিরান উপকূল থেকে প্রায় ৪ মাইল দূরে নোঙ্গর করা হয়েছে।
গতকাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, এখনো পর্যন্ত জলদস্যুরা কোনো পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি বলে জানান শাখাওয়াত হোসেন।
কেএসআরএম গ্রুপের মুখপাত্র মিজানুল ইসলাম জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে জাহাজটি সোমালিয়া উপকূলে গারাকাদ বন্দরের কাছাকাছিতে নোঙ্গর করা হয়েছিল। এরপর দস্যুদের আরেকটি দল জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে জাহাজটি আবার অবস্থান পাল্টাতে থাকে। জলদস্যুদের কেউ এখনও মুক্তিপণের ব্যাপারে যোগাযোগ করেনি বলে তিনি জানান।
জাহাজের ক্যাপ্টেন এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার জলদস্যুদের সঙ্গে দোভাষীর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আলাপ সারছেন। ইশারায় টুকটাক কথাবার্তা চলছে দস্যুদের সঙ্গে। তবে তাদের দাবি বা জাহাজ মুক্তির ব্যাপারে কোনো কথা হয়নি।
জলদস্যুরা নাবিকদের বাসস্থান বা একোমোডেশন নিয়ে হস্তক্ষেপ করেনি। তবে তাদের নেতাগোছের ২৩ জন দস্যু পাইলটের কেবিন দখল করে সেখানে অবস্থান করছে। বাকি দস্যুরা রাতে ব্রিজ উইংয়ে বা ব্রিজের দুই পাশের খোলা ডেকে অবস্থান করছে। নাবিকরা জাহাজের স্টোর রুম হতে চাদর, বালিশ ইত্যাদি দস্যুদের সরবরাহ করেছে। জাহাজের সিকিউরিটিসহ পুরো নিয়ন্ত্রণ দস্যুদের হাতে। তারা জাহাজের বিভিন্ন পয়েন্টে মেশিনগান আর একে-৪৭ রাইফেলসহ অবস্থান করছে।
নাবিকদের উদ্ধৃতি দিয়ে চট্টগ্রামে অবস্থানকারী ক্যাপ্টেন আতিক খান বলেন, জলদস্যুরা দিনের বেলা সব নাবিককে ব্রিজে থাকা স্যাটেলাইট ফোনের মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দিচ্ছে। তবে সন্ধ্যার পর ফোন ব্যবহার করতে দিচ্ছে না। জলদস্যুরা নাবিকদের স্থানীয় সিমকার্ড এনে দেবে বলে আশ্বস্ত করেছে।
তিনি জানান, দস্যুরা নাবিকদের জাহাজের সাধারণ রুটিন মেনে চলার জন্য অনুমতি দিয়েছে। জাহাজটির ইঞ্জিনিয়াররা ইঞ্জিন রুমে স্বাভাবিক কাজকর্ম করছেন। ইঞ্জিনরুমে দস্যুদের কোনো পাহারা নেই। ডেক অফিসাররাও কার্গো হোল্ডের ৫৫ হাজার টন কয়লার তাপমাত্রা নিয়ে কাজ করছেন; যাতে কয়লার তাপমাত্রা আর হোল্ডের অক্সিজেন নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এটি নিয়ন্ত্রণ না করলে কয়লায় বিস্ফোরণ ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরো জানান, নতুন করে আরো ১০-১২ জন জলদস্যু জাহাজে যুক্ত হয়েছে। ২৫-৩০ জন জলদস্যু সবসময় জাহাজে অবস্থান করছে। জাহাজে ১০-১২ দিনের খাবার মজুদ রয়েছে। এরপর সোমালিরা প্রতিদিন খাসি জাতীয় প্রাণী জবাই করে সবাই মিলে খাবে। তবে পানি ফুরিয়ে গেলে কী হবে তা নিয়ে নাবিকেরা দুঃচিন্তায় রয়েছেন। তবে নাবিকরা কোনো বিষয় নিয়ে দস্যুদের সঙ্গে তর্কে যাচ্ছেন না। দস্যুরা যা বলছে নাবিকরা তা করছেন, শুনছেন। জলদস্যুরাও এ পর্যন্ত কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেনি।
গত ১২ মার্চ বাংলাদেশ সময় বেলা ১২টার দিকে ভারত মহাসাগরে ২৩ নাবিকসহ বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজটি সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়ে। জলদস্যুরা জাহাজের নাবিকদের জিম্মি করে। ওইদিনই বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে জাহাজের নাবিকরা তাদের স্বজন ও মালিকপক্ষের কাছে অডিওবার্তা পাঠান। এতে জিম্মি করা হলেও তাদের কোনো ধরনের নির্যাতন করা হচ্ছে না বলে নাবিকরা জানান।
জাহাজে থাকা নাবিকেরা হলেন- জাহাজের মাস্টার মোহাম্মদ আবদুর রশিদ, চিফ অফিসার আতিকুল্লাহ খান, সেকেন্ড অফিসার মোজাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, থার্ড অফিসার এন মোহাম্মদ তারেকুল ইসলাম, ডেক ক্যাডেট সাব্বির হোসাইন, চিফ ইঞ্জিনিয়ার এ এস এম সাইদুজ্জামান, সেকেন্ড ইঞ্জিনিয়ার মো. তৌফিকুল ইসলাম, থার্ড ইঞ্জিনিয়ার মো. রোকন উদ্দিন, ফোর্থ ইঞ্জিনিয়ার তানভীর আহমেদ, ইঞ্জিন ক্যাডেট আইয়ুব খান, ইলেকট্রিশিয়ান ইব্রাহীম খলিল উল্লাহ এবং ক্রু মো. আনোয়ারুল হক, মো. আসিফুর রহমান, মো. সাজ্জাদ হোসেন, জয় মাহমুদ, মো. নাজমুল হক, আইনুল হক, মোহাম্ম শ্মসুদ্দিন, মো . আলী হোসেন, মোশাররফ হোসেন শাকিল, মো. শরিফুল ইসলাম, মো. নুর উদ্দিন ও মো. সালেহ আহমদ।
বিএমএমওএ জানিয়েছে, জিম্মি নাবিকদের মধ্যে ১১ জন চট্টগ্রামের ও ২ জন নোয়াখালীর। বাকি ১০ জন যথাক্রমে ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, নওগাঁ, খুলনা, নেত্রকোনা, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, বরিশাল জেলার।
সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক থেকে কয়লা নিয়ে জাহাজটি সংযুক্ত আরব-আমিরাতের দুবাইয়ের আল-হামরিয়া বন্দরে যাচ্ছিল। ১৯ মার্চ গ্রিনিচ সময় রাত ৮টায় জাহাজটি সেই গন্তব্যে পৌঁছানোর কথা ছিল।
কেএসআরএম গ্রুপের মোট ২৩টি জাহাজ আছে, যেগুলো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে চলাচল করছে। ‘গোল্ডেন হক’ নামে পরিচিত ‘এমভি আবদুল্লাহ’ গত বছর কেএসআরএম গ্রুপের মালিকানায় আসে।
এর আগে, ২০১০ সালের ৫ ডিসেম্বর ভারতের উপকূলে আরব সাগরে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়েছিল একই প্রতিষ্ঠানের আরেকটি জাহাজ ‘এমভি জাহান মণি’। ওই জাহাজের ২৫ বাংলাদেশি নাবিকের পাশাপাশি এক ক্যাপ্টেনের স্ত্রীসহ ২৬ জনকে ১০০ দিন জিম্মি করে রাখা হয়েছিল। সরকারি উদ্যোগসহ নানা প্রক্রিয়ায় ২০১১ সালের ১৪ মার্চ জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হয়। ১৫ মার্চ তারা বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ খোকন (৩০) নামের আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার (১আগস্ট)ভোরে বোয়ালখালী থানার একটি আভিযানিক দল পৌরসভার আরকান সড়কের গোমদণ্ডী ফুলতল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার প্যান্টের পকেট থেকে পলিথিনে মোড়ানো ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত খোকন কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নুর আহমদের পুত্র । পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।খোকন দীর্ঘদিন ধরে বোয়ালখালীতে বাসা ভাড়া নিয়ে ইয়াবা ব্যবসা করে আসছিলেন।

বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, এ ঘটনায় বোয়ালখালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।শনিবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানাই তিনি।

সৌদির নতুন সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটে ১৪ দেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে নিরাপত্তা জোরদার করতে বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশকে নিয়ে নতুন একটি বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে । এই জোটের মূল লক্ষ্য হলো বাব আল-মান্দেব প্রণালি, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ রুট সুরক্ষিত রাখা

এজোটে রয়েছে সৌদি আরব,তুরস্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, মিসর, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, জর্ডান, জিবুতি, সোমালিয়া, ইয়েমেন, সুদান ও কোমোরোস। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আরও দেশ এই জোটে যোগ দিতে পারবে।যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত এবং হুথি হামলার কারণে লোহিত সাগর ও আশপাশের সমুদ্রপথে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এই নতুন জোট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ