বাদশা নুর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে

চসিকের সাবেক মেয়র,মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আ.জ.ম.নাছির উদ্দীনের ইফতার বিতরন

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাদশা-নূর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সম্মানিত রোজাদারদের মাঝে ইফতার ও সেহরি সামগ্রী বিতরণ করা হয়। ২৩ মার্চ সকাল ১০ ঘটিকায় দেওয়ানহাট পোর্টসিটি কমপ্লে বাদশা-নুর ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ লোকমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ১৫০০ জন মানুষের মাঝে এই সামগ্রী বিতরণ করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক সফল মেয়র জননেতা আ জ ম নাছির উদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাদার্স ইউনিয়ন চট্টগ্রাম এর পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদ আলী, ২৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ্ব ইদ্রিস কাজেমী, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজি মোহাম্মদ ইব্রাহিম, ২৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওহিদুর রহমান মহসিন, সহ সভাপতি হুমায়ুন কবির রোকন, সহ-সভাপতি কাজী আনোয়ার মাস্টার, যুগ্ম সম্পাদক লায়ন মোহাম্মদ ইব্রাহিম, ব্রাদার্স ইউনিয়ন চট্টগ্রাম এর পরিচালক হাসান ফয়সাল রিয়াদ, ¯^াস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক নিজাম উদ্দীন আজাদ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা হারুন উর রশীদ, আবদুল মালেক সওদাগর, মহানগর ¯ে^চ্ছাসেবক লীগ নেতা মফিজুর রহমান দুলাল, মোহাম্মদ সেলিম, জাহেদ হোসেন রণি, ওসমান ফারুক বিবলু, মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, রকিবুল ইসলাম অপু, শিমুল মহসীন, মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, মোহাম্মদ শাহাদাত আলম পারভেজ, মেহের হোসেন ঈমন, মোহাম্মদ মুরাদ, আবদুল আহাদ ইরফান, মোহাম্মদ সোহাগ, মোহাম্মদ রুবেল, শ্রমিক লীগ ২৩নং ওয়ার্ড এর সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক লিও রাশেল, রাজিব দাশ প্রমুখ। সভায় প্রধান অতিথি সাবেক মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন জনকল্যাণে কাজ করায় আমাদের রাজনীতিবিদদের মুল কাজ। মানুষ মানুষের জন্য। তিনি বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দলীয় ও সরকারিভাবে ইফতার মাহফিল না করে ইফতার ও সেহেরি সামগ্রী বিতরণের পরামর্শ দিয়েছে যা আমরা মহানগর আওয়ামীলীগ গতকালই প্রতিটি ওয়ার্ডে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি। তিনি বলেন একে অপরের দুঃখে কষ্টে সহযোগিতায় করায় আমাদের মুল লক্ষ্য।তিনি বলেন সমাজের প্রতিটি মানুষের সম্মান বোধ রয়েছে। তাই আমাদের উচিত যারা আর্থিকভাবে সমস্যায় তাদেরকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া। তিনি বলেন বাদশা নুর ফাউন্ডেশন প্রতিবছর এরকম অনেক সেবামুলক কাজ করে থাকে যা সত্যি প্রশংসার দাবীদার। তিনি সকল সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের দুঃস্থ মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফেনীর পূর্ব ছিলোনীয়ায় রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রমে দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠান বুধবার থেকে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফেনীর ছনুয়ার পূর্ব ছিলোনীয়া (উত্তর গ্রাম) মাখন পালের বাড়ীস্থ শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রমে শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ-গৌর নিতাই বিগ্রহ স্থাপন ও প্রাণ-প্রতিষ্ঠা মহোৎসব উপলক্ষে দু’দিনব্যাপী সঙ্গীয় সূচি অনুযায়ী ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দিকদর্শন প্রকাশনী লিঃ ও গ্রন্থকুটির প্রকাশনা গ্রুপের
সাবির্ক সহযোগিতায় অনুষ্ঠান সূচির মধ্যে রয়েছে ৫ আগষ্ট বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় শ্রীশ্রী গঙ্গা আবাহন ও শ্রীশ্রী সত্য নারায়ণ পূজা এবং অধিবাসকৃত্য,

৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দের পূজারম্ভ ও প্রাণ প্রতিষ্ঠা, সকাল ১১ টায় যজ্ঞারম্ভ, হোম ও পুষ্পাঞ্জলি, দুপুর ১২ টায় ভোগরাগ ও আরতি, দুপুর ১ টায় আনন্দ বাজারে প্রসাদ বিতরণ করা হবে। এছাড়া সন্ধ্যা ৬ টায় শত প্রদীপ প্রজ্বলন করা হবে। উক্ত অনুষ্ঠানমালায় আপনি/আপনারা সবান্ধবে সানুগ্রহে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করে তুলতে শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রমের সকল ভক্তবৃন্দ এবং দিকদর্শন প্রকাশনীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর.সি পাল এক বিবৃতিতে অনুরোধ করেছেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে জাহাজে দস্যুতা বাড়ছে, লুট হচ্ছে মালামাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বেড়েছে জলদস্যুতা। গত মাসেই বিদেশি জাহাজে অন্তত তিনটি দস্যুতার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে বন্দরের বহির্নোঙরে বিদেশ থেকে আমদানি করা জাহাজগুলোতে সুযোগ বুঝে জলদস্যুরা হানা দিচ্ছে। এভাবে বহির্নোঙরে ধারাবাহিক দস্যুতার ঘটনায় শুধু বিপুল পরিমাণ মালপত্র ও সরঞ্জাম লুটই হচ্ছে না, জাহাজের নিরাপত্তা ও নাবিকদের জীবনও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এদিকে হামলার ঘটনায় বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। জলদস্যুতা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে সম্প্রতি নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে চিঠি দিয়েছে চট্টগ্রাম চেম্বার।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরে আসা পণ্যের প্রায় ৭০ শতাংশ খালাস হয় বহির্নোঙরে। নাব্য সংকটে জাহাজগুলো সরাসরি জেটিতে নোঙর করতে পারে না। ছোট আকারের (লাইটার) জাহাজে বেশির ভাগ আমদানি পণ্য খালাস করা হয়। প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০টি বড় পণ্যবাহী জাহাজ নোঙর করা থাকে সেখানে। এসব জাহাজ থেকে গড়ে দৈনিক দেড় লাখ টন পণ্য খালাস করা হয় লাইটার জাহাজে।

চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশের আমদানি-রপ্তানির ৯২ ভাগ পরিচালিত হয়। এটির বহির্নোঙরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে জাতীয় অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশি শিপিং অপারেটরদের মধ্যে ঝুঁকির আশঙ্কা বাড়বে, বিমা ব্যয় এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের খরচও বেড়ে যাবে। তাই জরুরি পদক্ষেপ নিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছি আমরা।

ভুক্তভোগী ও চট্টগ্রাম চেম্বারের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ গত ১৬ জুলাই ভোরে চট্টগ্রাম বন্দরের চার্লি অ্যাঙ্করেজে নোঙর করা বিদেশি পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার ‘তাই শুয়েন’-এ জলদস্যুরা হামলা চালায়। সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা শিল্পে স্ক্র্যাপিংয়ের জন্য হংকং থেকে আনা জাহাজটিতে প্রায় ২০ জন সশস্ত্র দস্যু পাঁচটি কাঠের নৌকায় করে এসে আক্রমণ করে। শিপিং এজেন্ট বেন লাইনের মালিক মোশাররফ হোসেন জানান, নোঙর করার সময় একদল দস্যু নাবিকদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রাখে, আরেক দল ডেক থেকে নোঙরের দড়ি, ব্যাটারি ও অন্যান্য মূল্যবান সরঞ্জাম লুট করে নেয়। জাহাজের ক্যাপ্টেন সঙ্গে সঙ্গে বন্দর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে রেডিও বার্তা পাঠালেও কোস্টগার্ড ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই দস্যুরা পালিয়ে যায়।

এর আগে ৩০ জুন স্ক্র্যাপিংয়েল জন্য আমদানি করা ‘এমটি আইআরওএস’ নামের আরেক জাহাজে লুটপাট চালায় জলদস্যুরা। জাহাজটি থেকে কয়েক কোটি টাকার সরঞ্জাম লুট করা হয়। পরে নৌ পুলিশ রাজধানীর বাংলাবাজার এলাকা থেকে প্রায় দুই কোটি টাকার চোরাই মালপত্র উদ্ধার করে। এর আগের দিন ২৯ জুন চার্লি অ্যাঙ্করেজে নোঙর করা ‘এমভি হাই জু’ নামের জাহাজে হামলা চালায় অস্ত্রধারী জলদস্যুরা। ২০ জনের অধিক দস্যু জাহাজে উঠে প্রথমে নাবিকদের জিম্মি করে। পরে জাহাজ থেকে মূল্যবান যন্ত্রাংশ লুট করে।

স্ক্র্যাপিংয়ের জন্য আনা জাহাজটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, জাহাজ থেকে প্রায় এক কোটি টাকার যন্ত্রাংশ লুট করে নিয়ে গেছে জলদস্যুরা।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক তিনটি জলদস্যু হামলার ঘটনায় কোস্টগার্ড ও বন্দর কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও তাৎক্ষণিক সহায়তা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চট্টগ্রাম চেম্বারের চিঠিতেও উল্লেখ করা হয়, লুট হওয়া অধিকাংশ পণ্য এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানানো সত্ত্বেও দ্রুত কোনো সহযোগিতা মেলেনি।

আন্তর্জাতিক সমুদ্র নিরাপত্তা সংস্থা রিজিওনাল কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্ট অন কমবেটিং পাইরেসি অ্যান্ড আর্মড রোবেরি অ্যাগেইনস্ট শিপস ইন এশিয়া (রিক্যাপ)-এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে কোনো দস্যুতা বা চুরির ঘটনা ঘটেনি। তবে হঠাৎ করে একের পর এক ঘটনার পর শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটরসহ বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংস্থা তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

বঙ্গোপসাগরের বহির্নোঙরে একাধিক জাহাজে চুরির অভিযোগ পাওয়ার পর কোস্টগার্ড ও বন্দর কর্তৃপক্ষ সক্রিয়ভাবে তৎপরতা শুরু করেছে। এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে অনুষ্ঠিত যৌথ সভায় সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো পর্যালোচনা, ঝুঁকি বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণ করা হয়। সভায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করে বহির্নোঙরে নজরদারি বাড়ানো, অনুমোদিত ওয়াচম্যান নিয়োগ নিশ্চিত করা, জাহাজের আগমনের তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে সরবরাহ এবং প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব রেফায়েত হামীম জানান, বহির্নোঙরে জাহাজে অপরাধ প্রতিরোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে এবং কোস্টগার্ড নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে; ইতোমধ্যে এ ঘটনায় জড়িত কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ