মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে মাদরাসা শিক্ষায় অভাবনীয় উন্নতি: সুজন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

[[[

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে মাদরাসা শিক্ষায় অভাবনীয় উন্নতি বলে মন্তব্য করেছেন মাদরাসা গর্ভনিং বডির সভাপতি এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। ২৩ মার্চ ২০২৪ সকালে মাদরাসা এবং বাংলাদেশ স্কাউট, দারুল উলূম কামিল মাদরাসা শাখার যৌথ আয়োজনে বুয়েট এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে চান্স পাওয়া মাদরাসা কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উক্ত মন্তব্য করেন তিনি।

এসময় সুজন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার প্রধান হিসেবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের নিয়ে নতুন করে কাজ করতে শুরু করে। মূলত এর পর থেকেই মাদরাসা শিক্ষা ব্যাপক প্রসার লাভ করতে থাকে। মাদরাসা শিক্ষাকে মূল শিক্ষার সাথে অর্ন্তভুক্ত করে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অšে^ষণের অবারিত সুযোগ করে দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। দেশের প্রতিটি মাদরাসায় শেখ রাসেল আই.টি ল্যাব স্থাপনের মধ্য দিয়ে আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানের সাথে পরিচিত হতে থাকেন মাদরাসা শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি নতুন ভবন তৈরী, পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ এবং নতুন নতুন বিষয় সংযোজনসহ নানাবিধ সুযোগ সুবিধার মধ্য দিয়ে মাদরাসা শিক্ষাকে আলোকিত করা হয়েছে। ফলত মাদরাসা শিক্ষার্থীরাও এখন তাদের মেধা বিকশিত করার সুযোগ পাচ্ছে। এরই ধারবাহিকতায় বুয়েটে আতিক উল্লাহ এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে মাইশা, ইশরাত জাহান ও কাওকাব চান্স পান দারুল উলূম কামিল মাদরাসার কৃতি শিক্ষার্থী হিসেবে। এ গৌরব মাদরাসার পরিচালনা কমিটি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিবাবকবৃন্দের। তাই এগিয়ে যাওয়ার এ ধারাকে ধরে রাখতে হবে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি। দারুল উলূম কামিল মাদরাসা সদা সর্বদা এগিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে বলে অঙ্গীকার করেন গর্ভনিং বডির সভাপতি। পাশাপাশি যেসব শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষায় চান্স পাবে তাদের আর্থিক সহযোগিতাও করা হবে বলে জানান তিনি। তাই শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, বিনোদন, কোরআন প্রতিযোগিতাসহ নতুন নতুন উদ্ভাবনী কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত করেছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। মাদরাসা শিক্ষার্থীদের তাই পড়ালেখায় মনোনিবেশ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পাশাপাশি বিভিন্ন কোর্সের সাথে নিজেদের সম্পৃক্ত করে আধুনিক বিশে^র সাথে তাল মিলিয়ে চলার পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ রূপান্তরের যে কাজ চলমান রয়েছে সে কাজে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সারথী হওয়ার আহবান জানান গর্ভনিং বডির সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন। মাদরাসা অধ্যক্ষ মুহাম্মাদ মুহসিন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারী অধ্যাপক মুজিবুল আলম, ফরিদুল আলম ও বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক রিজুয়ানুল করিম প্রমূখ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মাদরাসার কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেষ্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সংস্কারবঞ্চিত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হচ্ছে: চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর উন্নয়নকাজে গতি আনতে সরেজমিনে তদারকি অব্যাহত রেখেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরীর অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের চলমান কার্পেটিং কাজ পরিদর্শন করেছেন তিনি।

পরিদর্শনকালে মেয়র সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং কার্পেটিং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার পাশাপাশি নির্মাণকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

দীর্ঘদিন সংস্কারের অপেক্ষায় থাকা অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের উন্নয়নকাজ এগিয়ে যাওয়ায় এ পথে চলাচলকারী নগরবাসীর দুর্ভোগ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। কার্পেটিং কাজ শেষ হলে সড়কটি দিয়ে চলাচল আরও স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপদ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করাই আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিন সংস্কারবঞ্চিত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হচ্ছে। কাজের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিটি প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকবে। নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে আমরা মাঠে থেকে কাজের অগ্রগতি তদারকি করছি।

কার্পেটিং কাজ শেষ হলে অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়ক ব্যবহারকারী বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ার পাশাপাশি নগরের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

চট্টগ্রামে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা, অস্বস্তিতে ক্রেতারা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্রগ্রামে নিত্যপণ্যের বাজারে চলছে অস্থিরতা। চাল-ডাল-তেলসহ সব ধরনের শাক-সবজির বাজারে এখনও স্বস্তি ফেরেনি। বাজারে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠেছে সীমিত আয়ের মানুষের।নগরীর কর্ণফুলী মার্কেট, রিয়াজ উদ্দিন বাজার, কাজির দেউড়ি, চকবাজার ও ২ নম্বর গেইট কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেজিতে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বরবটির দাম গত সপ্তাহের ৮০ টাকা থেকে বেড়ে বর্তমানে ১২০ টাকা হয়েছে, কেজিতে ৪০ টাকা বেড়েছে। বেগুন গত সপ্তাহে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ১৪০ টাকা, অর্থাৎ ২০ টাকা বেড়েছে। শিমের কেজি ২০০ থেকে ২১০; যা কিছুদিন আগেও ১৮০ থেকে ২০০ ছিল। কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। গত সপ্তাহে শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ৮০ টাকা। কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। গাজর গত সপ্তাহের মতোই ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ঝিঙে ও করলার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পটলের দামও গত সপ্তাহের সর্বনিম্ন দামের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।
রিয়াজউদ্দিন বাজারের সবজি বিক্রেতা শামসুল আলম বলেন, সবজির দাম প্রতিদিন একরকম থাকে না। পাহাড়তলী আড়তে সরবরাহ ও কেনা দামের ওপর নির্ভর করে খুচরা বাজারে দাম কিছুটা ওঠানামা করে।
বহদ্দারহাট বাজারে সবজি কিনতে আসা ক্রেতা নজরুল ইসলাম বলেন, বাজারে সবজির দাম এখনও পুরোপুরি সহনীয় পর্যায়ে আসেনি। একসঙ্গে কয়েক ধরনের সবজি কিনতে গেলে মোট খরচ বেশ বেড়ে যাচ্ছে।

এদিকে পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
রিয়াজউদ্দিন বাজারের মাছ বিক্রেতা জুয়েল শেখ বলেন, আড়তে মাছের দাম বেশি থাকায় আমাদেরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। পরিবহন ও অন্যান্য খরচও রয়েছে। তাই খুচরা বাজারে মাছের দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।
অন্যদিকে বাজারে অনেকটা চড়া দামে ফার্মের মুরগি ও ডিম বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিমের দাম ১৫০ টাকা।

চকবাজারের ডিম বিক্রেতারা জানান, ডিমের দাম কয়েকদিন ধরে প্রায় একই পর্যায়ে রয়েছে। পাইকারি বাজারে দাম খুব একটা কমছে না। গত পাঁচ-ছয় মাসের মধ্যে বন্যা, অতিবৃষ্টি ও গরমে অনেক খামারে ডিম পাড়া ও ব্রয়লার মুরগির সংখ্যা কমেছে। এতে সার্বিকভাবে সরবরাহে ঘাটতি থাকায় ডিম-মুরগির দাম কমছে না।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ