আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্মার্ট সিটিজেন তৈরি করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সিভাসু’র অনুষ্ঠানে প্রফেসর ড. মো: আবু তাহের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিভাসু বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ^বিদ্যালয়গুলোকে স্মার্ট সিটিজেন তৈরি করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: আবু তাহের। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ^বিদ্যালয়ে (সিভাসু) অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) সিভাসু’র শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য দিনব্যাপী-‘বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়ন ও প্রমাণক সংরক্ষণ বিষয়ক কর্মশালা, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ বিষয়ক সেমিনার এবং জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক পৃথক তিনটি কর্মসূচির আয়োজন করে। বিশ^বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিসমূহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: আবু তাহের। অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিভাসু’র উপাচার্য প্রফেসর ড. এএসএম লুৎফুল আহসান। অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সচিব ড. ফেরদৌস জামান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন সিভাসু’র ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো: কামাল। সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. গউজ মিয়া।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: আবু তাহের বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে প্রয়োজন স্মার্ট সিটিজেন। আর স্মার্ট সিটিজেন গড়তে প্রয়োজন স্মার্ট এডুকেশন। এজন্য বিশ^বিদ্যালয়গুলোকে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। গবেষণা করতে হবে। দক্ষ ও স্মার্ট সিটিজেন তৈরি করতে হবে। তাহলেই স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন সম্ভব হবে। প্রধান পৃষ্ঠপোষকের বক্তব্যে সিভাসু’র উপাচার্য প্রফেসর ড. এএসএম লুৎফুল আহসান বলেন, বর্তমান সরকার আগামী ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সাশ্রয়ী, টেকসই, বুদ্ধিদীপ্ত, জ্ঞানভিত্তিক ও উদ্ভাবনী স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরে দিনব্যাপী টেকনিক্যাল সেশনগুলোতে রিসোর্স পার্সন হিসেবে ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: আবু তাহের এবং বাংলাদেশ বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের উপপরিচালক (এসপিকিউএ) বিষ্ণু মল্লিক। সিভাসু’র বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বাস্তবায়নের সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তারা টেকনিক্যাল সেশনগুলোতে অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় আজাদ চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ঈদ উপহার পেয়ে খুশি গ্রাম-পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। এসময় উপহার পেয়ে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন গ্রাম পুলিশের সদস্য কাইচার আলম, জয়নাল আবেদীন, হারুন রশীদ, পারভেজসহ অন্যান্য সদস্যরা।

জানা যায়, স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত উদ্যোগে গ্রাম পুলিশদের মাঝে এ ঈদ উপহার বিতরণ করেন। উপহার হিসেবে দেওয়া হয় পাঁচ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ।

উপহার গ্রহণকালে গ্রাম পুলিশের সদস্য কাইচার আলম বলেন, “ঈদের আগে এ ধরনের সহায়তা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। এতে আমাদের পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ আরও বাড়বে।”

এসময় স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, “গ্রাম পুলিশরা সবসময় জনগণের নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে ঈদের আগে সামান্য উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”

ঈদ জামাত সকাল ৮টায়, প্রস্তুত চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ময়দান :চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদ-উল-ফিতরের কেন্দ্রীয় জামাত উপলক্ষে চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ঈদগাহ ময়দান সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বুধবার জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। পরিদর্শনকালে মেয়র নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং রমজানের শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করে চট্টগ্রামের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোস্তফা মনসুর আলম খান, চসিকের জনসংযোগ ও প্রটোকল কর্মকর্তা আজিজ আহমদ, নির্বাহী প্রকৌশলী আনু মিয়া, মেয়রের একান্ত সহকারী জিয়াউর রহমান জিয়া এবং সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, প্রায় ৬৫ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে বিশাল প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে এবং নিচে কার্পেটিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় রেখে ওপরে টারপলিন দেওয়া হয়েছে, যাতে আবহাওয়া প্রতিকূল হলেও ঈদের জামাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। এছাড়া প্রায় ২৫০টি পাখা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, ৫০টি মাইক এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গত সাত দিন ধরে চসিকের উদ্যোগে এসব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায় করতে পারেন।

ডা. শাহাদাত বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার মুসল্লি এই কেন্দ্রীয় জামাতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত মুসল্লির কথা বিবেচনায় রেখে দুটি জামাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে-প্রথম জামাত সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।তিনি আরও বলেন, মুসল্লিদের নির্বিঘ্ন প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য তিনটি গেট খোলা রাখা হবে, পাশাপাশি পেছনের গেটটিও ব্যবহারের উপযোগী করা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের ভিড় বা হুড়োহুড়ি না হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহিনীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নগরীর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে চসিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অপরাধ দমনে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চলছে এবং নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গত ১৬ মাসে চট্টগ্রামে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যা একটি ‘সেফ সিটি’ বা নিরাপদ নগরী গড়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

মাঠ পরিদর্শনকালে মেয়র আরো বলেন, প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের খতিব আলহাজ্ব সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক আল কাদেরী।এছাড়া নগরীতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে সকাল ৮টায় ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে যথাক্রমে লালদীঘি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদ, হযরত শেখ ফরিদ (রঃ) চশমা ঈদগাহ মসজিদ, সুগন্ধা আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, চকবাজার সিটি কর্পোরেশন জামে মসজিদ, জহুর হকার্স মার্কেট জামে মসজিদ, দক্ষিণ খুলশী (ভিআইপি) আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, আরেফীন নগর কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদ, সাগরিকা গরুবাজার জামে মসজিদ এবং মা আয়েশা সিদ্দিকী চসিক জামে মসজিদ (সাগরিকা জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন)।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ