আজঃ সোমবার ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

আবাম ফাউন্ডেশনের ঈদ বস্ত্র বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ এলাকার আরেফিন নগর আল হেরা হেফজখানা ও এতিমখানায় আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের উদ্যোগে ইফতার, দোয়া মাহফিল, এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদের নতুন জামা ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শামছুল আলম খান মুরাদ।
এ সময় প্রধান অতিথি বলেন, আবাম ফাউন্ডেশন একটি মানবকল্যাণ সংস্থা। সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন সেবা নিয়ে আমরা কাজ করে থাকি।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে স্বাবলম্বী প্রকল্প, এতিম শিশুদের খাদ্য ও বস্ত্রের ব্যবস্থা করা, মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন, অসহায় মানুষের মাঝে সেহেরি ও ইফতার সামগ্রি বিতরণ, দেশের সকল প্রাকৃতিক দুর্যোগে এগিয়ে আসা, বিদ্যাশ্রমের বেওয়ারিশ মানুষের পাশে দাঁড়ানোসহ আরো নানান সেবাধর্মী কাজ।
ইতিমধ্যে আমরা ৭২টি পরিবারকে বিভিন্ন সহায়তার মাধ্যমে স্বাবলম্বী করতে সক্ষম হয়েছি। আর এই রমজানে একহাজার এতিম শিশুকে ঈদের নতুন জামা প্রদান ও একহাজার দুস্থ মানুষের মাঝে সেহেরি ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম চলছে। আর এই রমজানে পঞ্চাশ হাজার মানুষকে ইফতার বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতে এতিমদের জন্য একটি কমপ্লেক্স নির্মাণ, সারাদেশের এতিমদের ডাটাবেজ তৈরী করে পরিকল্পিত সেবা প্রদান ও গরিব অসহায় রোগীদের ফ্রি সেবার লক্ষ্যে এ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করাও আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সহ সভাপতি রাশেদ উল্লাহ, স্বেচ্ছাসেবক আখন্দ হাসান মাহমুদ, আহসান হাবিব,

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বৈশাখ বাঙালির এক অনন্য চেতনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বৈশাখ বাঙালির এক অনন্য চেতনা।চেতানার এ আনন্দ – উৎসবটি একেবারেই সমাগত। বছরব্যাপী অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আমাদের দ্বারপ্রান্তে হাজির হলো পহেলা বৈশাখ।এ দিনে বাঙালির ঘরে একটু হলেও ভালো খাবার আয়োজনের চেষ্টা চলে। বসন্ত পেরিয়ে গ্রীষ্মের আগমনী বার্তা নিয়ে সমাগত। মানুষের জীবনের সব ব্যর্থতা ভুলে নতুন স্বপ্ন নিয়ে বৈশাখকে বরণ করতে ঔ
নানা ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে থাকে।

আবহমান কাল থেকে বৈশাখের উপভোগ করে আসছে বাঙালি জাতি। নববর্ষ কে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৈশাখের আগমন উপলক্ষে বাড়ি বাড়ি চলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা।গ্রামের মাটির ঘর গুলোতে চলছে লেপা পোছার কাজ। বৈশাখের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে গ্রাম বাংলার আকাশে বাতাসে। বৈশাখ আনন্দ দেয়, তবে তবে এ মাসে বৈশাখী ঝড় এসে আবার লণ্ডভণ্ড করেও দেয়। ক্ষতি হয় ফসলের, এমনকি ব্যাপক বিপর্যয়ের ঘটনাও ঘটে থাকে। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল , এ বৈশাখ মাসেই পোলংকার ঘূর্ণিঝড় উপকুলের জনপদ লন্ডভন্ড করে দেয়। ঘটে লক্ষ মানুষের জীবনহানি।

বাংলাদেশের উপকূল বাসী সেদিনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কথা কখনোই ভুলবে না। ষড় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রথম ঋতুটি হচ্ছে গ্রীষ্ম। বসন্তে পুরনো গাছের পাতা ঝরে পরে নতুন পাতায় সবুজে -;শ্যামলে ভরা বৃক্ষরাজির নান্দনিক সৌন্দর্য মনকে ভরিয়ে দেয়।পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির স্পন্দন।

প্রতিবছর বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে নানান আয়োজন করা হয় দেশের গ্রাম থেকে শহর।বৈশাখের আগমনী বার্তাকে কেন্দ্র করে লোকজ গান যারি, শাড়ি, ভাটিয়ারী আয়োজন করা হয় বিভিন্ন জায়গায়। এসব গান উপভোগ করার মধ্য দিয়ে কলেজ চোরের মানুষ একাকার হয়ে যায়। এদিনে সকলের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইয়ে যায়। আবার ইলিশ পান্তার আয়োজন হয়ে থাকে অন্য কোন জায়গায।ঘরে ঘরে ধোয়া মোছার কাজ প্রাশই শেষ পর্যায়ে।

বাঙালির নববর্ষ উদযাপন এক অনন্য বৈশিষ্ট্যমন্ডিত
উৎসব।বাংলা সাহিত্যে ও প্রভাব রয়েছে বৈশাখের। বাংলা বর্ষপঞ্জির উৎপত্তি ও এর বিস্তৃতির এখন অবাধ্য ইতিহাস রয়েছে। ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, মূলত কৃষিকাজ ও খাজনা সংগ্রহের ব্যবস্থাকে ঘিরেই বৈশাখের এআয়োজন। বাঙালির এর উৎসবটি ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে অসম্প্রদায়িক চেতনার। বাংলা নববর্ষে ব্যবসা-বাণিজ্য নতুন উদ্যোগে হয়ে থাকে। পহেলা বৈশাখের ব্যবসায়ীরা হালখাতার আয়োজন করা থাকে। এ সময় গত বছরের হিসাব নতুন খাতায় এনে ক্রেতাদের করিয়ে দেওয়ার রে আজও রয়েছে।

কোথাও কোথাও আয়োজন করা হয় ঘুড়ি উড়ানোর উৎসব। আবার কোথাও হয়ে থাকে গরুর লড়াই লড়াই। চট্টগ্রামের সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য বলি
খেলার আয়োজনও বৈশাখ মাসে হয়ে থাকে। বলি খেলাকে কেন্দ্র করে বিশাল মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। চট্টগ্রাম নগরীর এই মেলার বিস্তৃতি সরিয়ে যায় কয়েক কিলোমিটার দূরে।

মেলায় করতে সারাদেশ থেকে ব্যবসায়ীরা ছুটে আসে চট্টগ্রাম নগরীতে। সারাদেশের বলিরা ছুটে আসে কুস্তি খেলতে চট্টগ্রাম নগরীর লালদীঘি এমাঠে। গ্রাম বাংলার এই সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য পৃথিবীর আর কয়টি দেশে আছে? 🇧🇩 প্রখ্যাত গীতিকার দ্বিজেন্দ্র লাল লিখেছেন- ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা…।

মুক্তিযুদ্ধকে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ হিসেবে ব্যাখ্যা করা সম্পূর্ণ মিথ্যাচার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস ও চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের গবেষণা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ডা. মাহফুজুর রহমান।

তিনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির সমালোচনা করে বলেন, কিছু লেখক ভুলভাবে ইতিহাস উপস্থাপন করছেন। মুক্তিযুদ্ধকে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ হিসেবে ব্যাখ্যা করা সম্পূর্ণ মিথ্যাচার। এটি ছিল বাঙালি জাতির স্বাধীনতার সংগ্রাম। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শুধু ভৌগোলিক স্বাধীনতার জন্য ছিল না, বরং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্যই এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর কাজীর দেউরী জেলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠের বই মেলা মঞ্চে স্বাধীনতা বই মেলার আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ১৯ দিন ব্যাপি বই মেলার ৮ম দিনে “দলীয়করণের উর্ধ্বে উঠে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা সকলের নৈতিক দায়িত্ব” শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, গ্রামের সাধারণ মানুষ নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দিয়েছেন, অথচ নির্যাতনের মুখেও তাদের অবস্থান শত্রুপক্ষকে জানাননি। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা তারাই।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য এখনো পূরণ হয়নি। সংবিধানে নাগরিকদের খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা ও চিকিৎসার অধিকার নিশ্চিত করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রের কাঠামোগত দুর্বলতা ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ এখনো তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত।

দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি ব্যক্তিগত নয়, বরং কাঠামোগত সমস্যা। বিভিন্ন দপ্তরে ঘুষ ছাড়া সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। শাসন কাঠামো পরিবর্তন ছাড়া এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়।তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠন। কিন্তু আমরা সেই লক্ষ্য থেকে অনেক দূরে সরে গেছি। এখন সময় এসেছে নিজেদের মানসিকতা পরিবর্তনের মাধ্যমে সেই আদর্শে ফিরে যাওয়ার।শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করতে হলে ভালো মানুষ হতে হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ অর্জন জরুরি।

অনুষ্ঠানে বেতার ও টেলিভিশনের শিল্পী ডা. শর্মিলা বড়ুয়া ও মোস্তফা কামাল গান পরিবেশন করেন এবং চসিকের কাট্টলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, বলুয়ার দিঘি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং হোসেন আহমদ স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রামের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহাবুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী হোসেন আহামদ, বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত গবেষক মুহাম্মদ শামসুল হক, বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজল বারিক। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন টিভি ও বেতারের আবৃতি শিল্পী রিনিক মুন।

আলোচিত খবর

পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত ৩১ জন নাবিকের হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ ৪০ দিন আটকে থাকার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে আবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার পথে রয়েছে।বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ইরানের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি চাওয়া হলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কূটনৈতিকভাবে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় শারজায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। প্রতিদিন ১৮ টন সামুদ্রিক পানি পরিশোধনের সক্ষমতা থাকলেও ইঞ্জিন চালু রাখতে হওয়ায় রেশনিং করে পানির ব্যবহার দৈনিক ৬ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে। নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে জনপ্রতি দৈনিক খাবারের বরাদ্দ ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসিক বেতনের সমপরিমাণ ওয়ার অ্যালাউন্স দেওয়া হচ্ছে।

বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। টানা প্রায় ৪০ ঘণ্টা যাত্রা শেষে শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছে ইরান সরকারের কাছে পারাপারের অনুমতি চাওয়া হয়। তবে তেহরান সেই অনুমতি দেয়নি। ফলে জাহাজটিকে ঘুরিয়ে নিরাপদে শারজায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’। পরে কাতার থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছে। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ১১ মার্চ জেবেল আলীতে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে নতুন পণ্য বোঝাইয়ের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসসি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ