সুর্বণচরে মুক্তিযোদ্ধার জমি দখলের চেষ্টা স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের

মোঃএনায়েত হোসেন নোয়াখালী প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর সুর্বণচর উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নে এক মহিলা মেম্বার থেকে জমি দখল ও চাঁদার দাবি এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া যায়।ভোক্তভোগী আলেয়া মেম্বার সুর্বণচর উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের একজন স্থায়ী বাসিন্দা ও শহীদ পরিবারের সন্তান এবং ঐ ইউনিয়নের সাবেক ব্লক মেম্বার।স্থানীয় সূত্রে জানাযায়,মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন থেকে আলেয়া বেগম মেম্বার প্রায় ২ একর সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ এর লেখিত দায়িত্ব পাওয়ার পরে কিছু কুচক্রী মহল উঠেপড়ে লেগেছে বিভিন্ন কায়দায় মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনের জমি দখলের চেষ্টাই। আলেয়া মেম্বার যখন বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন থেকে অনুমতি নিয়ে ঐ জায়গায় যখন তার আরেকটি জমি থেকে মাটি এনে ভরাট করে দোকান ঘর তোলা শুরু করেন,তখনই এলাকার কিছু প্রভাবশালী নেতা তার নিকট প্রথমে ঘরের বিটার দাবি করেন। পরে ঘরের বিটা না পাওয়ায় মোটা অংকের টাকার দাবি করে।ভোক্তভোগী এলাকার প্রভাবশালী নেতা হতে একেবারে নিম্ম শ্রেণীর নেতাদের টাকা পয়সা ঠিক মতোই না দিতে পারাই ঐ সকল নেতাকর্মীরা তাদের কৌশলের মাধ্যমে এলাকায় কিছু মহিলা দিয়ে তার স্বামীর সামনে বেদমমার দোর করেন।ভোক্তভোগী এলাকাতে কারো কাছে কোন বিচার না পাওয়ায় হতাশা হয়ে পড়েন।পরে তিনি জেলা প্রশাসক,সুর্বণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সহকারী কমিশনার ভূমির নিকট অভিযোগ দাখিল করলে তারা তদন্ত করে প্রথমে সঠিক প্রমাণ পাওয়ায় এটা বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনের জায়গা। তারপর কাগজপত্র দেখে জমি গুলো সহকারী কমিশনার ভূমি তিনি সরজমিনে নিজে এসে মূল জমির মালিক বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনকে ভূমি পরিমাপ করে বুঝিয়ে দেন।পরে কিছু এলাকার কুচক্রী মহল ডিসি,ইউএনও,এসিল্যান্ড,ওসি সহ স্থানীয় চেয়ারম্যান,মেম্বারদের ভুল বুঝিয়ে আলেয়া মেম্বারের উপর নানা ভাবে অত্যাচার শুরু করে ফলে আলেয়া মেম্বার ঐ জমিতে দোকান ঘর করতে বাঁধার মুখে পড়ছেন।এদিকে দোকান ঘরের বিটাই মাটি না ফেলাতে পেরে দোকান ঘর গুলো ভেঙে পড়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করে আলেয়া মেম্বার।তিনি আরও বলেন আমার সব ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে বলে এমন অভিযোগ করেন।

এছাড়া আলেয়া মেম্বার কিভাবে বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনের জায়গা দায়িত্ব নিয়েছে সে সম্পর্কে জানতে চাইলে আলেয়া মেম্বার বলেন,আমিও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। এছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন ভাই যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন তারা তাদের জমি রক্ষণাবেক্ষণ না করতে পারাই আমাকে লেখিত দেন যে আমার পরিবর্তে তুমি এই জায়গা দেখাশোনা করবে।যেখানে যা প্রয়োজন তুমি কর।যদি কোন খানে অফিস আদালতে সমস্যা হয় তাহলে তুমি আমাকে ফোন দিলে আমি হাজির হয়ে যাবো স্বশরীরে।না হয় ফোনে বলে দিবো।এখন আমি ঐ কাগজ নিয়ে যখন মাটি ভরাট শুরু করি স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী নেতা আমার কাছ থেকে প্রথমে ঘরের বিটার দাবি করেন।আমি তাদের ঘরের বিটাও দি এরপরে আমার কাছে চাঁদার দাবি করেন।আমি যখন চাঁদা বা,ঘরের বিটা দিতে রাজি না হয় তখন আমার উপর নানা ভাবে শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতন শুরু করে।পরে আমি মাননীয় সংসদ সদস্যকে বিষয়টা জানাইলে তিনি এসে সরজমিনে দেখেন এবং আমাকে নির্দেশ দেন মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন আর আমি মিলে যেন এই জায়গাটা ভোগ করি।এরপরেও কিছু স্থানীয় নেতারা আবার এমপি সাহেবকে ভুল বুঝিয়ে দেন যাতে আমার বিরুদ্ধে কাজ করে। আমি তারপরও জোর করে আইনের আশ্রয় নিয়ে জায়গাটা ভরাট করি কিছু ঘর তুলি।ঘর করতে গেলেও আমাকে অনেকে বাঁধা দেয় এসব বাঁধা না শুনে আমি কাজ করে যাচ্ছি।কিছু লোক রাতের আধাঁরে জোরপূর্বক ঘর করতে চাইলে আমি সুর্বণচর ইউএনও এবং চরজব্বর থানার অফিসার ইনচার্জ এর সহযোগিতায় সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করি। এখন আমি যাতে সুন্দর ভাবে বসবাস করতে পারি সে জন্য সহযোগিতা চাই প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে।

এদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনের সাথে সরাসরি কথা হলে তিনি জানান,আমি অসুস্থ হওয়ায় আমার ভূয়াঁরহাটের ঐ জায়গাটুকু আলেয়া মেম্বারকে দায়িত্ব দি। কারণ আমি শারীরিক ভাবে অসুস্থ। আমার পক্ষে আসা যাওয়া খুবই কষ্টকর।এখন শুনতেছি ঐ এলাকার কিছু প্রভাবশালী নেতারা নাকি আমার জায়গা জবর দখল করতে চাই।এ বিষয়টা আমাকে বাসায় এসে আলেয়া মেম্বার জানাইলে আমি জেলা প্রশাসকে অবহিত করি তিনি আমাকে বলেছে যথেষ্ট পরিমানে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেন।

অন্যদিকে ভোক্তভোগী আলেয়া মেম্বার অভিযোগ সঠিক কিনা সে বিষয়ে জানতে চাইলে সুর্বণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল আমিন সরকার বলেন,আমরা জেলা প্রশাসকের নির্দেশক্রমে আমি সুর্বণচর সহকারী কমিশনার ভূমি কে মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনের জায়গাটা সরজমিনে গিয়ে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য নির্দেশ দিলে।সহকারী কমিশনার ভূমি সরজমিনে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনের উপস্থিতে জায়গাটা বুঝিয়ে দিয়ে আসে।তখন সেখানে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতির পাশাপাশি আলেয়া মেম্বার ও ছিল।পরে শুনলাম আলেয়া মেম্বারকে বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন নাকি লেখিত ভাবে ঐ জায়গার রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য দায়িত্ব দেন।এছাড়া আলেয়া মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনের আত্মীয় বলে পরিচয় দেন।আমরা একজন মুক্তিযোদ্ধাকে যতটুকু সহযোগিতা করার প্রয়োজন ততটুকু করেছি প্রশাসনিক ভাবে।প্রয়োজনে আরও করবো।কেউ যদি মুক্তিযোদ্ধার জায়গা দখল করতে চাই তাহলে আমরা আইনগত ভাবে ব্যবস্থা নিবো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর এলাকার ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি জিএম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ন্যাম ভবনের ৫নং ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা এখনও জানা যায়নি।

তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা যায়, রুমের জানালা দিয়ে মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। তবে কখন, কীভাবে কেন এ ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশের দেয়া তথ্যে জানা যায়, মরদেহ উদ্ধারের পর ফরেনসিকের জন্য প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এরপর মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, নজরুল ইসলাম তার দুই স্ত্রীকে নিয়ে দুপুরের খাবার খেয়েছেন। এরপর তারা বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আলাদা আলাদা রুমে যান। পরে ৫টার পরে ছোট স্ত্রী মরিয়মকে ডাকতে গেলে দরজা বন্ধ পান। পরে জানালা দিয়ে দেখেন আলোচিত দ্বিতীয় স্ত্রী ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন। পরে তিনি থানা পুলিশকে জানান। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সে বিষয় বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ।

রোগীর চাপ সামাল দিতে আরও হাজার শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণা সিআইএমসি’র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রোগীর চাপ সামাল দিতে আরও এক হাজার শয্যার নতুন হাসপাতাল নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ (সিআইএমসি)। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কলেজ কনফারেন্স হলে আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন সেলিব্রেশন’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়,

রোগীর চাপ সামাল দিতে আরও এক হাজার শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে ৩০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পের পেপারওয়ার্ক শুরু হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন কষ্টসাধ্য হওয়ায় সরকার, দাতা সংস্থা ও সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। এছাড়া একই ক্যাম্পাসে গত ২২ বছর ধরে দেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ ও ৬৫ ইউনিটের ডেন্টাল হাসপাতাল পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে দৈনিক গড়ে ১৫০ জন রোগী চিকিৎসা নেন। সেই সঙ্গে গত আট বছর ধরে সুনামের সঙ্গে নার্সিং কলেজও পরিচালিত হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটির প্রেসিডেন্ট এবং সিআইএমসির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম মোহসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান ও গভর্নিং বডির সভাপতি ডা. এ কে এম ফজলুল হক, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, ইসি সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. নুরুন্নবী, প্রাক্তন অধ্যক্ষ ও একাডেমিক অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ডা. মো. টিপু সুলতান এবং উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসলিনা আক্তার।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২২ সালে জাতীয় সংসদে অ্যাক্রেডিটেশন আইন পাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল (বিএমইএসি) গঠন করা হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশি মেডিকেল গ্র্যাজুয়েটদের বিশ্বমঞ্চে অবস্থান সুদৃঢ় করা। কারণ অ্যাক্রেডিটেশন ছাড়া বাংলাদেশের কোনো মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডসহ বহির্বিশ্বে উচ্চতর প্রশিক্ষণ ও পেশাগত সুযোগ পাবেন না। এরই মধ্যে শ্রীলঙ্কা, ভারত, নেপাল, পাকিস্তানসহ প্রায় সব প্রতিবেশী দেশ এই স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

২০২৬ সালের মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান বিএমইএসি স্বীকৃতি পাবে না, তাদের কোনো শিক্ষার্থী দেশের বাইরে উচ্চ শিক্ষা ও প্র্যাকটিস করতে পারবেন না। এজন্য দেশের ১২৪টি সরকারি-বেসরকারি ও আর্মি মেডিকেল কলেজের মধ্যে ২১টি কলেজ আবেদন করে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রথম দফায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ এবং দ্বিতীয় দফায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ ও নর্থ-ইস্ট মেডিকেল কলেজ স্বীকৃতি পায়।

তৃতীয় দফায় স্বীকৃতি পাওয়া তিনটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ও চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ। এর মাধ্যমে দেশে মোট বৈশ্বিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত মেডিকেল কলেজের সংখ্যা দাঁড়ালো আটটিতে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সিআইএমসি প্রতিষ্ঠার ১৩তম বর্ষ অতিক্রম করছে। এরই মধ্যে কলেজের উদ্যোগে চারটি আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ১৫টি দেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন। মালয়েশিয়া, তুরস্ক, চীন ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তাদের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) রয়েছে। বর্তমানে কলেজের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল। যেখানে ২১টি বিভাগে প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৭০০ রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেন। প্রায় সময়ই শয্যা পরিপূর্ণ থাকায় এর অভাবে রোগী ফেরত দিতে হয়। এই হাসপাতালে ১০ শতাংশ রোগীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ