আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

সুর্বণচরে মুক্তিযোদ্ধার জমি দখলের চেষ্টা স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের

মোঃএনায়েত হোসেন নোয়াখালী প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর সুর্বণচর উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নে এক মহিলা মেম্বার থেকে জমি দখল ও চাঁদার দাবি এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া যায়।ভোক্তভোগী আলেয়া মেম্বার সুর্বণচর উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের একজন স্থায়ী বাসিন্দা ও শহীদ পরিবারের সন্তান এবং ঐ ইউনিয়নের সাবেক ব্লক মেম্বার।স্থানীয় সূত্রে জানাযায়,মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন থেকে আলেয়া বেগম মেম্বার প্রায় ২ একর সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ এর লেখিত দায়িত্ব পাওয়ার পরে কিছু কুচক্রী মহল উঠেপড়ে লেগেছে বিভিন্ন কায়দায় মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনের জমি দখলের চেষ্টাই। আলেয়া মেম্বার যখন বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন থেকে অনুমতি নিয়ে ঐ জায়গায় যখন তার আরেকটি জমি থেকে মাটি এনে ভরাট করে দোকান ঘর তোলা শুরু করেন,তখনই এলাকার কিছু প্রভাবশালী নেতা তার নিকট প্রথমে ঘরের বিটার দাবি করেন। পরে ঘরের বিটা না পাওয়ায় মোটা অংকের টাকার দাবি করে।ভোক্তভোগী এলাকার প্রভাবশালী নেতা হতে একেবারে নিম্ম শ্রেণীর নেতাদের টাকা পয়সা ঠিক মতোই না দিতে পারাই ঐ সকল নেতাকর্মীরা তাদের কৌশলের মাধ্যমে এলাকায় কিছু মহিলা দিয়ে তার স্বামীর সামনে বেদমমার দোর করেন।ভোক্তভোগী এলাকাতে কারো কাছে কোন বিচার না পাওয়ায় হতাশা হয়ে পড়েন।পরে তিনি জেলা প্রশাসক,সুর্বণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সহকারী কমিশনার ভূমির নিকট অভিযোগ দাখিল করলে তারা তদন্ত করে প্রথমে সঠিক প্রমাণ পাওয়ায় এটা বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনের জায়গা। তারপর কাগজপত্র দেখে জমি গুলো সহকারী কমিশনার ভূমি তিনি সরজমিনে নিজে এসে মূল জমির মালিক বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনকে ভূমি পরিমাপ করে বুঝিয়ে দেন।পরে কিছু এলাকার কুচক্রী মহল ডিসি,ইউএনও,এসিল্যান্ড,ওসি সহ স্থানীয় চেয়ারম্যান,মেম্বারদের ভুল বুঝিয়ে আলেয়া মেম্বারের উপর নানা ভাবে অত্যাচার শুরু করে ফলে আলেয়া মেম্বার ঐ জমিতে দোকান ঘর করতে বাঁধার মুখে পড়ছেন।এদিকে দোকান ঘরের বিটাই মাটি না ফেলাতে পেরে দোকান ঘর গুলো ভেঙে পড়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করে আলেয়া মেম্বার।তিনি আরও বলেন আমার সব ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে বলে এমন অভিযোগ করেন।

এছাড়া আলেয়া মেম্বার কিভাবে বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনের জায়গা দায়িত্ব নিয়েছে সে সম্পর্কে জানতে চাইলে আলেয়া মেম্বার বলেন,আমিও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। এছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন ভাই যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন তারা তাদের জমি রক্ষণাবেক্ষণ না করতে পারাই আমাকে লেখিত দেন যে আমার পরিবর্তে তুমি এই জায়গা দেখাশোনা করবে।যেখানে যা প্রয়োজন তুমি কর।যদি কোন খানে অফিস আদালতে সমস্যা হয় তাহলে তুমি আমাকে ফোন দিলে আমি হাজির হয়ে যাবো স্বশরীরে।না হয় ফোনে বলে দিবো।এখন আমি ঐ কাগজ নিয়ে যখন মাটি ভরাট শুরু করি স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী নেতা আমার কাছ থেকে প্রথমে ঘরের বিটার দাবি করেন।আমি তাদের ঘরের বিটাও দি এরপরে আমার কাছে চাঁদার দাবি করেন।আমি যখন চাঁদা বা,ঘরের বিটা দিতে রাজি না হয় তখন আমার উপর নানা ভাবে শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতন শুরু করে।পরে আমি মাননীয় সংসদ সদস্যকে বিষয়টা জানাইলে তিনি এসে সরজমিনে দেখেন এবং আমাকে নির্দেশ দেন মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন আর আমি মিলে যেন এই জায়গাটা ভোগ করি।এরপরেও কিছু স্থানীয় নেতারা আবার এমপি সাহেবকে ভুল বুঝিয়ে দেন যাতে আমার বিরুদ্ধে কাজ করে। আমি তারপরও জোর করে আইনের আশ্রয় নিয়ে জায়গাটা ভরাট করি কিছু ঘর তুলি।ঘর করতে গেলেও আমাকে অনেকে বাঁধা দেয় এসব বাঁধা না শুনে আমি কাজ করে যাচ্ছি।কিছু লোক রাতের আধাঁরে জোরপূর্বক ঘর করতে চাইলে আমি সুর্বণচর ইউএনও এবং চরজব্বর থানার অফিসার ইনচার্জ এর সহযোগিতায় সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করি। এখন আমি যাতে সুন্দর ভাবে বসবাস করতে পারি সে জন্য সহযোগিতা চাই প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে।

এদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনের সাথে সরাসরি কথা হলে তিনি জানান,আমি অসুস্থ হওয়ায় আমার ভূয়াঁরহাটের ঐ জায়গাটুকু আলেয়া মেম্বারকে দায়িত্ব দি। কারণ আমি শারীরিক ভাবে অসুস্থ। আমার পক্ষে আসা যাওয়া খুবই কষ্টকর।এখন শুনতেছি ঐ এলাকার কিছু প্রভাবশালী নেতারা নাকি আমার জায়গা জবর দখল করতে চাই।এ বিষয়টা আমাকে বাসায় এসে আলেয়া মেম্বার জানাইলে আমি জেলা প্রশাসকে অবহিত করি তিনি আমাকে বলেছে যথেষ্ট পরিমানে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেন।

অন্যদিকে ভোক্তভোগী আলেয়া মেম্বার অভিযোগ সঠিক কিনা সে বিষয়ে জানতে চাইলে সুর্বণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল আমিন সরকার বলেন,আমরা জেলা প্রশাসকের নির্দেশক্রমে আমি সুর্বণচর সহকারী কমিশনার ভূমি কে মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনের জায়গাটা সরজমিনে গিয়ে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য নির্দেশ দিলে।সহকারী কমিশনার ভূমি সরজমিনে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনের উপস্থিতে জায়গাটা বুঝিয়ে দিয়ে আসে।তখন সেখানে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতির পাশাপাশি আলেয়া মেম্বার ও ছিল।পরে শুনলাম আলেয়া মেম্বারকে বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন নাকি লেখিত ভাবে ঐ জায়গার রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য দায়িত্ব দেন।এছাড়া আলেয়া মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনের আত্মীয় বলে পরিচয় দেন।আমরা একজন মুক্তিযোদ্ধাকে যতটুকু সহযোগিতা করার প্রয়োজন ততটুকু করেছি প্রশাসনিক ভাবে।প্রয়োজনে আরও করবো।কেউ যদি মুক্তিযোদ্ধার জায়গা দখল করতে চাই তাহলে আমরা আইনগত ভাবে ব্যবস্থা নিবো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, লাল গরুর দেশ চট্টগ্রাম। দুধ হয়তো কিছুটা কম দেয়, কিন্তু মাংসের দিক থেকে এবং জাতগত বৈশিষ্ট্যে রেড চিটাগাং ক্যাটলের তুলনা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই এই জাত সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। উপদেষ্টা বুধবার সকালে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি হাব সংলগ্ন মাঠে “চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেইরি খাতের উন্নয়ন: সম্ভাবনা ও করণীয়” -শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপষ্টো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে গুঁড়া দুধ আমদানি করে। এই টাকা যদি দেশীয় দুধ উৎপাদন বাড়াতে ব্যয় করা হয়, তাহলে আমদানির প্রয়োজন কমবে। গুঁড়া দুধ তরল দুধে ভেজালের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাই আমাদের শপথ নিতে আমদানি কমিয়ে দেশীয় তরল দুধের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল ও ভর্তুকি প্রসঙ্গে উপষ্টো বলেন, ব্যাপক আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্প খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল রেয়াত এবং ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রাথমিক উদ্যোগ হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি খামারি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নিবন্ধন ছাড়া প্রকৃত চিত্র জানা সম্ভব নয়। অনলাইনে নিবন্ধন হলে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্প ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মাধ্যমে খামারিরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, পিজি গ্রুপ গড়ে উঠেছে এবং অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ডেইরি কার্যক্রম। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন, লাভ-ক্ষতির হিসাব না করেও এটি এখন তাদের জীবনের অংশ। এর মানে ভবিষ্যতে এখান থেকেই তারা টেকসইভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
নারীরে উদ্দেশে তিনি বলেন, দুধ শুধু উৎপানের পরিসংখ্যান নয়-মানুষ কতটা দুধ গ্রহণ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা হাড়ের রোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

এলডিডিপি’র মাধ্যমে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্কুলে দুধ সরবরাহ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র ও শহুরে শিশুদের জন্য যা কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাশে তরুণদের দেশ। ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। আমরা সংগ্রামী জাতি-দেশের উন্নয়নের জন্য এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

সেমিনারে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাশে ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন) মোঃ শাহজামান খান তুহিন, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুননাহার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (পরিচালক) ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান। এছাড়া এলডিডিপিথর আওতায় ডেইরি হাব কার্যক্রম: বাস্তবায়ন, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক উপস্থাপনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ