আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ঈদের কেনাকাটা করতে গিয়ে মলম পার্টির খপ্পরে পড়ে এক যুবক সর্বস্ব হারিয়েছেন। গতকাল সোমবার দুপুর ২টার দিকে তাকে অসুস্থ অবস্থায় চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানাধীন খুলশী টাউনের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে চিকিৎসার জন্য একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই যুবকের নাম ইকবাল ছিদ্দিক (২৮)। গত রোববার রাত ৮ টার সময় তিনি নিউ মার্কেটে গিয়ে নিখোঁজ হন। মলম পার্টির শিকার ইকবাল ছিদ্দিক কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের ইছানগর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের অলি বাড়ির ছিদ্দিক আহম্মদের ছেলে। ইকবাল ছিদ্দিকের বড় ভাই মো. অলি আহমেদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত ৮ টার সময় মো. ইকবাল ছিদ্দিক ঈদের কেনাকাটা করবেন বলে নিউ মার্কেটে যান। ওখানেই মলম পার্টির খপ্পরে পড়েন। পরে রাতে বাসায় না ফেরায় ইকবালের পরিবার সবদিকে খোঁজ নিতে থাকেন। কিন্তু ১৪ ঘন্টায়ও খোঁজ মিলে না ইকবালের। তখন চিন্তা আর টেনশনে থানায় বিষয়টি অবগত করলেও ৭২ ঘন্টা সময় পার হলে জিডি করা যাবে বলে পুলিশ আশ্বস্ত করেন। এরমধ্যে নগরীর খুলশী টাউনের সামনে ইকবালের খোঁজ মিলে। তখন পরিবার লোকজন ওখানে গিয়ে ইকবালকে উদ্ধার করেন।
জানা যায়, ইকবাল মলম পার্টির খপ্পরে পড়ে প্রায় ১৪ ঘন্টা তাদের কবলে ছিলেন। ততক্ষণে মলম পার্টির লোকজন ইকবালের দামি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা হাতিয়ে নেন। ইকবালের বড় ভাই অলি আহমেদ বলেন, ভাইকে খুঁজে পেয়েছি সেটাই শুকরিয়া। মোবাইল ও টাকা গেছে সেটা বড় কথা না। ভাইকে নিয়ে এখন হাসপাতালে যাচ্ছি।
তিনি আরও জানান, ইকবালের সঙ্গে তেমন কোনো কিছুই পাওয়া যায়নি। বা আঘাতের কোন চিহ্ন নেই। ধারণা করছি, তিনি অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছিলেন।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহ জানান, আমার এলাকায় মলম পার্টির খপ্পরে পড়েনি। শুনেছি অন্য জায়গায় পড়েছে। পরে খুলশী টাউনের সামনে থেকে একজনকে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ