আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিবের সাথে ক্যাব চট্টগ্রামের মতবিনিময়ঃ চট্টগ্রামে সুলভমূল্যে মৎস্য ও প্রাণিজ পণ্য বিক্রির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র মাহে রমজানে রাজধানী ঢাকা শহরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সুলভ মুল্যে মৎস্য ও প্রাণিজ পণ্য বিশেষ করে মাছ, গরুর মাংশ, দুধ, ডিম বিক্রির ভাম্যমান ব্যবস্থা করা হলেও দেশের বৃহত্তম নগরী, বানিজ্যিক রাজধানীখ্যাত চট্টগ্রামে সে ধরনের কোন প্রক্রিয়া না থাকায় চট্টগ্রামবাসী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ন সেবা থেকে বঞ্চিত। এক সময় জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস বেসরকারী খামারীদের সহযোগিতায় রমজানে দুধ, ডিম বিক্রির ব্যবস্থা করা হলেও তা-ও বর্তমানে চালু নেই। বিষয়টি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাৎ সেলিম উদ্দীনের দৃষ্ঠি আকর্ষণ করেন। সচিব মহোদয় বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনার আশ্বাস দেন। ০২ এপ্রিল ২০২৪ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে এক অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময়ে দেশের ক্রেতা-ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষনকারী জাতীয় প্রতিষ্ঠান কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রামের নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত বিষয়টির অবতারনা করেন।

ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইনের নেতৃত্বে এ উপলক্ষে অন্যান্যদের মধ্যে ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, ক্যাব মহানগরের যুগ্ন সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম জাহঙ্গীর, ক্যাব যুব গ্রæপ চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি আবু হানিফ নোমান আলোচনায় অংশনেন। এ সময় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ রেয়াজুল হক, চট্টগ্রাম সিটিকরপোরেশনের প্রধান নির্বাহী শেখ মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব ও প্রাণিসম্পদ এবং ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আবদুর রহিম, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডাঃ একেএম হুমায়ুন কবির, সিটিকরপোরেশনের প্রধান পরিছন্ন কর্মকর্তা লতিফুল হক কাজমিসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মোহাৎ সেলিম উদ্দীন চট্টগ্রামে সুলভ মূল্যে মৎস্য ও প্রানিজ পণ্য বিক্রির বিষয়ে ক্যাব চট্টগ্রামের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, সরকারের সীমিত সামর্থে ঢাকা শহরে চলমান থাকলেও দেশের অন্যান্য জেলা বিশেষ করে চট্টগ্রামে এই সেবাটি চালু করা দরকার। তবে বেসরকারী উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা যদি এগিয়ে আসেন তাহলে বিষয়টি অবশ্যই টেকসই হবে। সরকারের পক্ষ থেকে যাবতীয় অবকাঠামো ও প্রশাসনিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে। বিষয়টি নিয়ে এতিমধ্যেই সংস্লিষ্ঠ জেলার জেলা প্রশাসকদের সাথে আলাপ করেছেন। বেসরকারী উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসলেই মন্ত্রণালয় বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবেন। তবে চট্টগ্রাম যেহেতু বৃহত্তম শহর, অনেক বিদেশী লোকজন এখানে বসবাস করেন, সেকারনে নিরাপদ মৎস্য ও প্রানিজ পণ্য বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত না হলে আর্ন্তজাতিকভাবে দেশের সুনাম ক্ষুন্ন হবে বলে মত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, পৃথিবীর কোথাও লাইভ বার্ড বিক্রির ব্যবস্থা নাই, সবাই ফ্রোজেন পদ্ধতি চলে গেছেন। আর ফ্রোজেন হলে ভোক্তারাও সাশ্রয়ী দামে পণ্য কিনতে পারবে। সেকারনে আমাদেরকেও ফ্রোজেন পদ্ধতিতে চলে আসতে হবে। দেশে মাংশ উৎপাদনকারী অনেকেই মানসম্মতভাবে বাজারজাত করছেন।

ক্যাব নেতৃবৃন্দ বলেন, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের সাথে পোল্ট্রি সেক্টরে সুশাসন নিশ্চিতকরণ কাজের অংশহিসাবে যৌথভাবে কার্যক্রম পরিচালনায় চট্টগ্রামে ড্রেসড ব্রয়লার বিক্রি কার্যক্রম সম্প্রসারনে অনেকগুলি উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। তারই অংশহিসাবে চট্টগ্রামে একটি স্বাস্থ্যসম্মত আধুনিক পশু জবাই খানা স্থাপনের দাবি বেশ অনেক দিন ধরে। এছাড়াও সিটিকরপোরেশনের আওতাধীন ২১টি বাজারে লাইভ বার্ড বিক্রি, মুরগী জবাই, মাছ পরিস্কার, পানি সরবরাহ নিশ্চিতসহ বাজারগুলিতে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিতে অনেকগুলি উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এছাড়াও পোল্ট্রি সেক্টরে নিরাপদ পোল্ট্রি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে ক্ষুদ্র খামারী, পেল্ট্রি ফিড ও ওষুধের বাজার পরিদর্শন, পোল্ট্রি ফিডের মান পরীক্ষা, নিরাপদ লাইভ বার্ড বিক্রিতে সচেতনতা সৃষ্ঠিসহ নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এছাড়াও ক্যাব, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে যৌথ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পরিক্ষিত রাজনীতিবীদ সাংসদ এরশাদ উল্লাহ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাজ্জাদ হোসেন খাঁন : আমাদের বাংলাদেশের রাজনীতিতে আস্তা-বিশ্বাস ও ধৈর্য শব্দটির তাজ্জবতা অতি গুরুত্বপূর্ণ, যা আমার নিজের দু চোখ এই ৩টি শব্দ সমূহের বাস্তব স্বাক্ষী। যাকে নিয়ে কথা গুলো বলছিলাম, আমাদের চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির বর্তমান আহবায়ক এবং চট্টগ্রাম ৮ -সংসদীয় আসনে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের প্রতি আস্তাশীল যেমন-তেমনি শহীদ জিয়ার বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী আর্দশের প্রতি পরিপূর্ণ বিশ্বাস ও নিজের ধৈর্য শক্তির পরিক্ষাতেও উত্তির্ণ রাজনীতিবীদ পরিক্ষিত থেকে ভাগ্য প্রক্রিয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার অন্যন দৃষ্টান্ত এমপি এরশাদ উল্লাহ।

২০০৬ সালে ২৮ অক্টোবর পরর্বতী বিস্ময় এর এক রাজনৈতিক আচমকা সংকটের মূখে প্রিয় স্বদেশ যার সংকেপে বলতে গেলে তৎকালীন ১/১১ “ওয়ান ইলেভেন”। ঠিক সেই রাজনৈতিক কঠিন সংকটময় মূর্হতে বীর চট্টলার গুটি কয়েকজন মধ্যম সারির নেতাদের মধ্যে নীতিনির্ধারকের ভূমিকায় নানান কৈাশলে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে এরশাদ উল্লাহর আবির্ভাব যেন দিশেহারা তৃণমূল কর্মীদের জাগিয়ে ছিল আশার আলো আর এ আলোকে আরো আলোকিত করেছিল ডা: শাহাদাত, নাজিমুর রহমান, শ্রমিক নেতা নাজিম উদ্দিন, কমিশনার শামসুল আলম, এডভোকেট আব্দুস সত্তার সহ আমরা অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের জুনিয়র কিছু সহযোগি কর্মী হিসেবে কর্মসূচি বাস্তবায়নে সীমিত আকারে দলীয় কর্মকান্ড শুরু করি অতি গোপনীয়তা রক্ষা করে এরি মাঝে চলমান ছিল মঈন-ফখরুদ্দীনের জারী করা জরুরী অবস্থায় এবং তাদের শাসন ব্যবস্থা।

এরশাদ উল্লাহর মূল শক্তি বিএনপির তৃণমূল কর্মীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। আমি একজন যা নিজের দু চোখ কখনো ভুল বলতে পারেনা তারপর শুরু হয়ে গেল কিছুটা জরুরী অবস্থার শিথিলের মধ্য দিয়ে নির্বাচনীয় ডামা-ঢোল প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকান্ড ঘরোয়া পরিবেশের মধ্য দিয়ে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম, এরশাদ উল্লাহ বিএনপির মনোনিত তৎকালীন চারদলীয় জোট প্রার্থী হয়ে ধানের শীষ মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অংশনেন আর সেই নীল নকশার ষড়যন্ত্রের নির্বাচনে পরাজিত হয়েও মানুষ এবং দলীয় কর্মীদের প্রতি রেখে দিয়েছেন আস্তা বিশ্বাস ও পরিপূর্ণ ভালোবাসা যেন পিছু ছাড়েনি এরশাদ উল্লাহর তারপর আবারো দৃঢ় অবস্থান ব্যাক্তিগত সদিচ্ছা অনিশ্চায়তাকে হার মানিয়ে নানান ঘাত-প্রতিঘাত উপেক্ষা করে পথচলার তার দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে নিজের উপর আস্তা-বিশ্বাস এরশাদ উল্লাহর আজকের সফলতা ২০২৬ সালের সধ্য সমাপ্ত ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিজয়।

ঠাকুরগাঁওয়ের জুলহাস এর দ্রুত চিকিৎসা না হলে বাঁচানো সম্ভব নয়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ের জুলহাস উদ্দীন সে দীর্ঘদিন থেকে শারীরিক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। 
জুলহাস উদ্দীন ৫০ সে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের ঢাঙ্গীপুকুর গুচ্ছগ্রামের মৃত ছামাদ আলীর ছেলে। 

তিনি পেশায় একজন দিন মজুর, গেল এক বছর থেকে বিভিন্ন রোগে ভুগছেন তিনি। নিজস্ব কোন জমি না থাকায় সরকারের আশ্রয়ের প্রকল্পের ঘরে বসবাস করছেন। অসচ্ছলতার কারণে ডাক্তার দেখাতে পারছেন না। টাকার অভাবে ঘরের মধ্যে অসুস্থ অবস্থায় ধুকে ধুকে দিন কাটাতে হচ্ছে তাকে। পরিবারের অন্য কেউ হাল ধরার মতো নেই আশপাশের মানুষের সহযোগিতায় চলতে হয় তাকে।

গুচ্ছগ্রামের মানুষেরা জানান দীর্ঘদিন থেকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে বিছানায় আছেন দিনমজুরের কাজ করতেন জুলহাস, কিন্তু অসুস্থতার কারণে তিনি আর কাজে যেতে পারছেন না। মানুষটিকে বাঁচাতে হলে অর্থের প্রয়োজন তাই সমাজের বৃত্তবান মানুষ ও সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। দ্রুত চিকিৎসা ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তাকে বাঁচানো সম্ভব নয়।এদিকে জুলহাস জানান ডাক্তারের কথা অনুযায়ী তার চিকিৎসার জন্য প্রায় দুই লক্ষ টাকার উপরে প্রয়োজন। যেটা হলে দ্রুত অপারেশন করা সম্ভব হবে। তার কোন কিছুই নেই যেটা বিক্রি করে চিকিৎসা নিবেন। টাকা জোগাড় করা তার পক্ষে কোনভাবেই সম্ভব হচ্ছে না, তাই তিনি সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।সকলের সহযোগিতায় একটি প্রাণ বেঁচে যেতে পারে। কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে এই নাম্বারে 01760918282 যোগাযোগ করতে পারেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ