আমরা একুশ’ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘আমরা একুশ’ এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নাসিরাবাদ সানমার টাওয়ার-১ এ অবস্থিত কপার চিমনী রেস্টুরেন্টে আয়োজিত হয়। ইফতার মাহফিলে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন দাতব্য ব্যক্তিত্ব বক্সিং গ্রেট,সাবেক বিশ্ব হেভিওয়েট বক্সিং চ্যাম্পিয়ন মোহাম্মদ আলীর প্রাক্তন স্ত্রী ড.খালিলাহ আলী গেস্ট অব অনার এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: আবু তাহের প্রধান অতিথি, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড.মো: সেকান্দর চৌধুরী(প্রশাসন), উপ -উপাচার্য বেনু কুমার দে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক, এফবিসিআই এর সভাপতি জনাব মাহবুবুল আলম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
ইফতারের আগে বিকাল ৫ টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক,’আমরা একুশ’ সদস্য সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ‘আমরা একুশ’ এর পক্ষে সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন। তাঁর বক্তব্যে ‘একুশ’ এর কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়।
‘আমরা একুশ’ আগামীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। আরও বক্তব্য রাখেন ‘আমরা একুশ’ এর সাধারণ সম্পাদক মাহবুব রহমান, ‘আমরা একুশ’ এর আমেরিকান কো-অর্ডিনেটর সাফুল আজম চৌধুরী নান্টুও বক্তব্য রাখেন।
গেস্ট অব অনার ড. খালিলাহ ক্যামাচো আলী তাঁর প্রাক্তন স্বামী বক্সিং গ্রেট মোহাম্মদ আলীর প্রতি বাংলাদশের মানুষের ভালবাসা ও সমর্থনের জন্য ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি মো: আলী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে মানুষের কল্যাণে বিশ্বব্যাপী দাতব্য কার্যক্রম পরিচালনায় বাংলাদেশের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
চিফগেস্ট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের বলেন, সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দূর্নীতির প্রসারের প্রভাব বিগত দিনগুলোতে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বিশ্ববিদ্যালয়েও দেখা গিয়েছিলো, যা সুস্থ সমাজ বিনির্মাণের জন্য হুমকি স্বরূপ। তিনি দৃঢ় চিত্তে তাঁর কার্যকালে দূর্নীতি ও প্রভাবমুক্ত হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় ‘আমরা একুশ’ সহ সকল প্রাক্তনীদের সমর্থন কামনা করেন। তিনি সারা বিশ্বে এলামনাই এসোসিয়েশনগুলোর ন্যায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাচ ও বিভাগ ভিত্তিক এলামনাইদের ন্যায় বিশ্ববিদ্যালয় সার্বিক উন্নয়নে এলামনাইদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
প্রো-ভিসি প্রফেসর বেনু কুমার দে নৈতিক শিক্ষার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ও ‘আমরা একুশ’ সভাপতি মোঃ জহিরুল আলম তার সমাপনী বক্তব্যে বিগত দিনগুলোতে সংগঠনের নানান কল্যাণমূলক কাজ তুলে ধরে ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিতা বজায় রাখার স্বার্থে সকল সদস্যদের সহযোগিতার প্রত্যাশা রাখেন। তিনি আমরা একুশের মানবিক কাজগুলোর প্রসারে ভবিষ্যতে একুশ ফাউন্ডেশন গঠন করার কথা জানান। ফাউন্ডেশন পরিচালনায় প্রয়োজনে ড খালিলাহ্ কামাচো আলীর পরামর্শেরও আশা রাখেন।
তিনি অনুষ্ঠানে আগত সম্মানিত অতিথি ও সকল একুশ বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ ঘোষিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ ঘোষিত সাংগঠনিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফটিকছড়ি উপজেলা ‘ক’ জোনের আওতাধীন সকল শাখা কমিটিকে নিয়ে গত ৩১ জুলাই ২০২৬, রোজ শুক্রবার, সকাল ৯:০০টায় সাংগঠনিক সংলাপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ এর সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ রেজাউল আলী জসিম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ এর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দিদারুল আলম।

এছাড়াও কেন্দ্রীয় পর্ষদের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেখ মজিবুর রহমান বাবুল, এস. এম. মোর্শেদুল আমিন, কাজী মোহাম্মদ নিজামুল ইসলাম, কাজী মোহাম্মদ হারেজ, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদিন জুলু, মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আবুল হাসেম, মোহাম্মদ আমির খসরু এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শামসুল আলম। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা ‘ক’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাষ্টার দিদারুল আলম, মাষ্টার মনির উদ্দিন খোরশেদ, মোহাম্মদ আলমগীর আলম ও মোহাম্মদ আলাউদ্দিন;

‘খ’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মোহাম্মদ মাহাবুল আলম, মাষ্টার আহমদ হোসেন ও মোহাম্মদ শহিদুল; ‘গ’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাষ্টার কবির আহমদ, মোহাম্মদ নুরুল হুদা মেম্বার ও মোহাম্মদ আনিস উদ্দিন সোহেল; এবং ‘ঘ’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাষ্টার মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, মাষ্টার মোহাম্মদ আজিম উদ্দিন ও আক্তারুজ্জামান বাবর। অনুষ্ঠানে ফটিকছড়ি উপজেলা ‘ক’ জোনের আওতাধীন সকল শাখা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, প্রতিনিধিবৃন্দ, অতিথিবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে সাংগঠনিক কার্যক্রম, দাপ্তরিক নথিপত্র পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ সংগঠনের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধান অতিথি ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সংগঠনের আদর্শ, শৃঙ্খলা, দাপ্তরিক কার্যক্রমের মানোন্নয়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনে প্রতিমন্ত্রী, বৃক্ষ রেপন ও স্টেশনের কার্যক্রম পরিদর্শন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেল ও সড়ক পথের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব হাবিবুর রশিদ হাবিব আকস্মিক সফরে কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং স্টেশন এলাকার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
স্টেশনে পৌঁছালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. মমিনুল ইসলাম মামুন মাননীয় প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব লুৎফুর রহমান কাজল, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব), প্রধান প্রকৌশলী (পূর্ব) এবং রেলওয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।সফরকালে প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনের পরিবেশ, অবকাঠামো এবং চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করা হয়।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ