চিটাগাং চেম্বার নেতৃবৃন্দের সাথে অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডার প্রতিনিধিদলের মতবিনিময় বিশ্বের ২২টি কৃষি পণ্য উৎপাদনে ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ শীর্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সাথে অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডার পররাষ্ট্র, কৃষি, বাণিজ্য ও বার্বুডা বিষয়ক মন্ত্রী এভারলি পাল চেট গ্রিন এর নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদল এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। গতকাল মঙ্গলবার সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে চিটাগাং চেম্বার প্রেসিডেন্ট ওমর হাজ্জাজ এর সভাপতিত্বে চেম্বার পরিচালকবৃন্দ মাহফুজুল হক শাহ, মোহাম্মদ আকতার পারভেজ, মোহাম্মদ মনির উদ্দিন, আখতার উদ্দিন মাহমুদ, ওমর মুক্তাদির, প্রতিনিধিদলের বিনিয়োগ ইউনিটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা চারমাইন ডোনোভান, অভিবাসীর চেয়ারম্যান-পরিচালক ই. ক্যাসরয় জেমস, জুলিয়েট জেনিল মার্সেল ও পিএইচপি গ্রুপের পরিচালক মোঃ জহিরুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), অঞ্জন শেখর দাশ, বেনাজির চৌধুরী নিশান ও মোহাম্মদ আদনানুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডার পররাষ্ট্র, কৃষি, বাণিজ্য ও বার্বুডা বিষয়ক মন্ত্রী এভারলি পাল চেট গ্রিন বলেন-বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে তুলতে আমরা খুব শীঘ্রই মিশন চালু করবো। অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডার পর্যটন ও মৎস্য সেক্টর অনেক সমৃদ্ধশালী। এছাড়াও এখানে উৎপাদন হয় রিফাইন্ড পেট্রোলিয়াম, সয়াবিন ও সুগারক্যানসহ বিভিন্ন কৃষি পণ্য। তিনি বলেন- অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডার রয়েছে শক্তিশালী পাসপোর্ট। পৃথিবীর ১৬০টি দেশে সহজে যেতে পারে পাসপোর্টধারীরা। এছাড়াও এখানে রয়েছে ঝামেলামুক্ত বিনিয়োগ সুবিধা। বিনিয়োগকারীরা সহজে প্রবেশ করতে পারে আমেরিকাসহ যুক্তরাজ্য এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোতে। তাই বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের এসব সুবিধা বিবেচনা নিয়ে বিনিয়োগের আহবান জানান তিনি। একই সাথে তিনি উভয়দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার, সাংস্কৃতিক বিনিময়, পর্যটন ও হসপিটালিটির বিকাশে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সাথে চিটাগাং চেম্বার নেতৃবৃন্দকে অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা সফরে আমন্ত্রণ জানান তিনি।
চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন-মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে উল্লেখযোগ্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে চট্টগ্রাম অঞ্চল বিনিয়োগের আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। ম্যানুফ্যাকচারিং, এবং টেক্সটাইল খাতে বহিঃবিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্বের নামীদামি ব্র্যান্ডের পোশাক তৈরী করে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও বাংলাদেশ বিশ্বের ১৪তম খাদ্য উৎপাদনকারী দেশ। বিশ্বের ২২টি কৃষি পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে রয়েছে। তারপরও বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশ বিশেষ করে ল্যাটিন অঞ্চলগুলো থেকে সয়াবিন ও ‘র’ সুগারসহ মসলা আমদানি করে। তিনি আরো বলেন-বাংলাদেশ প্রায় ১৮ কোটি মানুষের বিশাল বাজার। বাংলাদেশের ভৌগোলিক সুবিধা সরকার কর্তৃক বিনিয়োগের প্রদত্ত বিভিন্ন সুবিধা ব্যবহার করে চট্টগ্রামে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগর এবং বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে পর্যটন খাতে অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডার ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহবান জানান।
অন্যান্য বক্তারা বলেন- বাংলাদেশীরা পর্যটনপ্রিয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবকাশ যাপন করে বাংলাদেশীরা। তাই পর্যটনের নতুন গন্তব্য হিসেবে বার্বুডাকে বিবেচনা নিতে বাংলাদেশে মিশন স্থাপন এবং সরাসরি ফ্লাইট চালুর আহবান জানানা বক্তারা। এছাড়াও বাংলাদেশ থেকে ঔষধ আমদানির আহবান জানান তারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-চকরিয়ায় বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে মালবাহী ট্রাকের।দুর্ঘটনার ভয়াবহতায় ট্রাকটি সড়কের ওপর কাত হয়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় দুইজন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন যাত্রীও।উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়াস্থ সবুজ পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে এই দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে বৃহস্পতিবার দিনগত রাত পৌণে একটার দিকে।

নিহত দুই যুবকের বয়স আনুমানিক ২২ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে হবে বলে জানানো হয়েছে।মহাসড়কের চকরিয়ার ডুলাহাজারাস্থ মালুমঘাট হাইওয়ে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে হতাহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি।

মালুমঘাট হাইওয়ে থানা পুলিশে কর্মরত নজরুল ইসলাম নামের এক সদস্য জানিয়েছেন- ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছে দুই যুবক। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতের উদ্ধার এবং দুর্ঘটনায় পতিত গাড়ি দুটি সরিয়ে নিলে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ঘটনাস্থল থেকে টেকনাফের দক্ষিণ হ্নীলা এলাকার আবুল কালামের ছেলে আব্দুল্লাহর একটি জাতীয় পরিচয় পত্রের (এনআইডি) কপি পাওয়া যায়।

চট্টগ্রাম – ঢাকা রেল যোগাযোগ বন্ধ, লাকসামে বগি লাইনচ্যুত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী কর্ণফুলী কমিউটার ট্রেনের কয়েকটি বগি কুমিল্লার লাকসামে লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকামুখী রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে দিকে লাকসামের নাউটি স্টেশনের আউটারে এ দুর্ঘটনা ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লাকসাম রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টার ওমর ফারুক ভূঁইয়া।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, এ ঘটনার পর থেকে আপ লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে ডাউন লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

লাকসাম স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। নাওটি স্টেশন পার হওয়ার পরই ট্রেনটির চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। ট্রেনে থাকা যাত্রী কামাল হোসেন বলেন, ‘আমরা ট্রেনের সামনের দিকে ছিলাম। হঠাৎ করেই ট্রেন থেমে যায় এবং কয়েকটি বগি কাত হয়ে পড়ে।’

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ