ফিরিঙ্গীবাজার টেকপাড়ায় অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাড়ালেন সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফিরিঙ্গীবাজার টেকপাড়ায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ চুরাশি পরিবারের পাশে দাড়ালেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ¦ মোহাম্মদ মনজুর আলম। তিনি ১৬ এপ্রিল বিকেলে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন শেষে ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে সমবেদনা জানান এবং তাদের ঘর নির্মাণের জন্য ২০ হাজার ইট, ৫০ বস্তা সিমেন্ট, অগ্নিকান্ডে আহতকে নগদ ১০ হাজার টাকা এবং ক্ষতিগ্রস্থ চুরাশি পরিবারের প্রত্যেককে চাউল, লুঙ্গি, শাড়ী ও শার্ট উপহার প্রদান করেন। ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলমের সাথে ৩৩নং ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, ৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পুলক খাস্তগীর, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর লুৎফুন্নেছা দোভাষ বেবী, সাবেক অধ্যক্ষ বাদশা আলম, সমাজসেবক ফরিদুল আলম মুরাদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম হযরত তৈয়ব শাহ (র:) জামে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়, পিতা-মাতা, দাদা-দাদী, নানা-নানী, আতœীয়-স্বজন, অলি-আউলিয়াদের মাজার জেয়ারত, গরীব-ধনী, আতœীয় স্বজন, এতিম, হাফেজ, আলেম ওলামাসহ নানা শ্রেনি ও পেশার লোকজনের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ১লা বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ শুভ নববর্ষ উদযাপন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম। ১লা বৈশাখ, ১৪ এপ্রিল ২০২৪ খ্রি: রবিবার বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে মোস্তফা হাকিম ভবনে বাদ ফজর খতমে কোরআনে পাক, আলেম ও হাফেজ সমাবেশ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল , আলোচনা ও নতুন বস্ত্র বিতরণ কর্মসুচী পালন করা হয়। এছাড়াও ২ বৈশাখ ১৫ এপ্রিল সকালে মোস্তফা হাকিম কর্পোরেট ভবনে খতমে কোরআন মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে মাদাম বিবি শিপ ব্রেকিং এলাকায় অস্বচ্ছল ৩ (তিন) শতাধিক নারী পুরুষ ও শিশুদের হাতে নতুন বস্ত্র উপহার দেন সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম। বাংলা নববর্ষে অস্বচ্ছল মানুষগুলো যাতে নতুন কাপড় পরিধান করে বর্ষবরণ করতে পারে সে লক্ষ্যেই সাবেক মেয়র এ কর্মসুচী হাতে নেন। নতুন বস্ত্র উপহার প্রদানকালে সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন, পবিত্র ঈদের পর বাংলা নববর্ষ বাঙালীর প্রাণের উৎসব। আমরা বাঙালী, বাংলা আমার মায়ের ভাষা, বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছি। ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষাধিক মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি স্বাধীনতা। আমাদের পরিচয় আমরা বাঙালী। বাংলাদেশ আমাদের মাতৃভুমি। আমাদের কৃষ্টি, সভ্যতা ও সংস্কৃতি সবই বাংলা ভাষা ঘিরে। সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন, অপসংস্কৃতি পরিহার করে জাতীয় সংস্কৃতি লালন পালন করে আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য সুরক্ষা করতে হবে। বাংলা নববর্ষে মোস্তফা হাকিম ভবনে এবং মোস্তফা হাকিম শিল্প গ্রুপের কর্পোরেট হাউজে খতমে কোরআন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা আব্দুল মান্নান। এ সময় অত্র গ্রুপের পরিচালক আলহাজ্ব মোহাম্মদ সরোয়ার আলমসহ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-চকরিয়ায় বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে মালবাহী ট্রাকের।দুর্ঘটনার ভয়াবহতায় ট্রাকটি সড়কের ওপর কাত হয়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় দুইজন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন যাত্রীও।উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়াস্থ সবুজ পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে এই দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে বৃহস্পতিবার দিনগত রাত পৌণে একটার দিকে।

নিহত দুই যুবকের বয়স আনুমানিক ২২ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে হবে বলে জানানো হয়েছে।মহাসড়কের চকরিয়ার ডুলাহাজারাস্থ মালুমঘাট হাইওয়ে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে হতাহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি।

মালুমঘাট হাইওয়ে থানা পুলিশে কর্মরত নজরুল ইসলাম নামের এক সদস্য জানিয়েছেন- ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছে দুই যুবক। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতের উদ্ধার এবং দুর্ঘটনায় পতিত গাড়ি দুটি সরিয়ে নিলে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ঘটনাস্থল থেকে টেকনাফের দক্ষিণ হ্নীলা এলাকার আবুল কালামের ছেলে আব্দুল্লাহর একটি জাতীয় পরিচয় পত্রের (এনআইডি) কপি পাওয়া যায়।

চট্টগ্রাম – ঢাকা রেল যোগাযোগ বন্ধ, লাকসামে বগি লাইনচ্যুত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী কর্ণফুলী কমিউটার ট্রেনের কয়েকটি বগি কুমিল্লার লাকসামে লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকামুখী রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে দিকে লাকসামের নাউটি স্টেশনের আউটারে এ দুর্ঘটনা ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লাকসাম রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টার ওমর ফারুক ভূঁইয়া।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, এ ঘটনার পর থেকে আপ লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে ডাউন লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

লাকসাম স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। নাওটি স্টেশন পার হওয়ার পরই ট্রেনটির চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। ট্রেনে থাকা যাত্রী কামাল হোসেন বলেন, ‘আমরা ট্রেনের সামনের দিকে ছিলাম। হঠাৎ করেই ট্রেন থেমে যায় এবং কয়েকটি বগি কাত হয়ে পড়ে।’

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ