আজঃ রবিবার ২২ মার্চ, ২০২৬

কটিয়াদীতে চাঞ্চল্যকর বোরহান হত্যা মামলার মূল হোতা র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

রতন ঘোষ ,কটিয়াদী ,প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  •                             কটিয়াদীতে চাঞ্চল্য

     

     

    রতন ঘোষ ,কটিয়াদী ,প্রতিনিধি :কিশোরগঞ্জের  কটিয়াদী উপজেলা নাগের গ্রামের চাঞ্চল্যকর  বোরহান হত্যা মামলার মূল হোতা পলাতক  নয়ন মিয়াকে(৩২),নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা  উপজেলার খারনৈ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে, কিশোরগঞ্জ  র‌্যাব-১৪ সিপিসি -২ এর সদস্যরা। গ্রেফতারকৃত নয়ন মিয়া নাগেরগ্রাম পূর্বপাড়া এলাকার আমিরুল ইসলামের ছেলে।

    র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ২৬শে মার্চ ২০২৪ তারিখের বিকেলে নিহত মোহাম্মদ বোরহান(২৩)তার নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে শিবনাথ সাহার বাজারের উদ্দেশ্যে যায়। তারপর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও নিহত মোঃ বোরহান বাড়িতে না আসায় তার পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পরদিন ২৭শে মার্চ ২০২৪খ্রিস্টাব্দের বিকেলে লোকমুখে খবর পেয়ে নাগের গ্রামের দত্ত বাড়ির পশ্চিম পাশে হাতিম মিয়ার ধান ক্ষেতে নিহত বোরহানের ক্ষতবিক্ষত লাশ দেখতে পায়। পরবর্তীতে নিহতের মা মোসাম্মৎ পারভিন আক্তার (৩৯)বাদী হয়ে  কটিয়াদীর মডেল থানায় অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। উক্ত চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারিত হওয়ায় দেশব্যাপী চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। এই সূত্র ধরেই রহস্যের  প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও আসামিদের গ্রেপ্তারে কিশোরগঞ্জ র‌্যাব-১৪, সিপিসি -২ এর সদস্যরা ছায়া তদন্ত ও নজরদারি বৃদ্ধি কর। তারই ধারাবাহিকতায় নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার খারনৈ এলাকা থেকে ১৫ এপ্রিল ২০২৪ খ্রিস্টাব্দের দুপুরে  কিশোরগঞ্জ র‌্যাব-১৪,সিপিসি-২ এর কোম্পানি অধিনায়ক স্কয়াড্রন লিডার মোঃ আশরাফুল কবিরের এর নেতৃত্বে  র‌্যাবের এক অভিযানে নয়ন মিয়াকে  গ্রেপ্তার করে । প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত নয়ন মিয়া হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে মর্মে  র‌্যাবের এর নিকট  স্বীকার করে। গ্রেফতারকৃত নয়ন মিয়া আরো জানায়, অপর আসামি জাকির হোসেন ওজু তার জ্ঞাতি ভাতিজা হয়। গ্রেফতারকৃত নয়ন মিয়া ও জাকির হোসেন অপর এরশাদ হত্যা মামলার ও আসামি। সম্প্রতি তারা জেল থেকে জামিন পেয়ে ঘটনাটি নিষ্পত্তির চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। যার ফলে মামলা থেকে বাঁচার জন্য গত ২৬ শে মার্চ নিহত বুরহানকে ডেকে নিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী অপরাপর আসামিদের মোবাইলের ডেকে এনে বোরহানকে হত্যা করে।

    গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কটিয়াদি মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়ার চলছে বলে র‌্যাব জানায়।

     

     

     

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে জরিমানা গুনল দুই পেট্টোল পাম্প, ওজন কম ও হালনাগাদ নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে দুইটি পেট্টোল পাম্পকে জরিমানা করা হয়। বুধবার বিএসটিআইয়ের পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালতে এসব জরিমানা করা হয়। দুটি পেট্টোল পাম্পকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই চট্টগ্রামের পরীক্ষক প্রিময় মজকুরী জয়। অভিযানে নগরীর পাঁচলাইশ থানার নাসিরাবাদের বাদশা মিয়া অ্যান্ড সন্স পেট্টোল পাম্পের ডিসপেন্সিং ইউনিট যাচাই করে দেখা যায়, ডিজেল সরবরাহে প্রতি ৫ লিটারে ১২০ মিলিলিটার কম দেওয়া হয়। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমন মন্ডল অপু।

একইদিন, কাতালগঞ্জ এলাকার হাজি ইউনুস অ্যান্ড কোং নামের পেট্টোল পাম্পের ভেরিফিকেশন সনদ হালনাগাদ না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে তাদের ডিসপেন্সিং ইউনিটে পরিমাপের যথার্থতা সন্তোষজনক পাওয়া গেছে। এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদার। এছাড়া একই এলাকায় খান ব্রাদার্স সিএনজি প্রাইভেট লিমিটেডের পরিমাপ সঠিক এবং প্রয়োজনীয় সব সনদ হালনাগাদ থাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

চালের কার্ড দিবে বলে প্রতারনা স্বর্ণালংকার লুট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়ে শামসুন নাহার (৬০) নামের এক বৃদ্ধা কানের দুল ও স্বর্ণের রকেটসহ মূল্যবান জিনিসপত্র হারিয়েছেন। রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে গোমদন্ডী বুড়ি পুকুর পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগীরা হলেন বোয়ালখালী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদার তালুকদার বাড়ির শামসুন নাহার ও তার পুত্রবধূ খুরশিদা বেগম (২৭)।

খুরশিদা বেগম জানান, বুড়িপুকুরপাড় এলাকার একটি মাদ্রাসায় ছেলেকে দেখতে যান তারা। পরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলে প্রায় ৩০ বছর বয়সী এক যুবক তাদের পথরোধ করে ‘চাউলের কার্ড’ করে দিলে সরকারি চাউলের বস্তা দেওয়া হবে বলে জানায়। পরে তাদের আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে বলে। তিনি বলেন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট কাজ করছে না বলে ওই যুবক জানতে চায় তাদের কাছে কোনো স্বর্ণ আছে কি না। তখন তিনি এক জোড়া কানের দুল খুলে দেন। পরে আবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার কথা বলে তাকে সামনে একটি দোকানে যেতে বলে এবং শাশুড়ি শামসুন নাহারকে সেখানে রেখে যেতে বলে।এ সুযোগে তিনজন প্রতারক শামসুন নাহারকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়।

শামসুন নাহার জানান, তাকে সিএনজিতে করে অলিবেকারী এলাকায় নিয়ে গিয়ে এক জোড়া কানের দুল ও ধারালো কিছু দিয়ে গলার স্বর্ণের রকেট কেটে নেয় প্রতারকরা। পরে একটি স্থানে নামিয়ে দিয়ে তারা পালিয়ে যায়। প্রতারক চক্র শাশুড়ি ও পুত্রবধূর কাছ থেকে দুই জোড়া কানের দুল প্রায় ১২ আনা স্বর্ণ, একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের ফাইল নিয়ে যায়। সব মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল হাতিয়ে নেয় তারা।
এ ঘটনায় বোয়ালখালী থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন খুরশিদা বেগম।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ