আজঃ রবিবার ২২ মার্চ, ২০২৬

লোহাগড়ার ইতনায় বাবা বুড়ো ঠাকুরের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন

নড়াইল প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

লোহাগড়ার ইতনায় বাবা বুড়ো ঠাকুরের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন

নড়াইল প্রতিনিধি
নড়াইলের লোহাগড়ার ইতনায় শ্রী শ্রী বাবা বুড়ো ঠাকুরের ১৯তম ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও বৈশাখী উৎসবের উদ্বোধন করেন,লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সস্পাদক ও ইতনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ সিহানুক রহমান। ২শত বছরের বাবা বুড়ো ঠাকুরের হীজল গাছ তলার ধামে মানব কল্যানে চার দিন ব্যাপী পুজা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও কবি গান অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার(১৬এপ্রিল) দুপুরে ইতনা ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে বুড়ো ঠাকুরের গাছতলা ধামের নির্বাহী কমিটির সভাপতি অলোক কুমার সাহার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন,কাশিয়ানী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান খান মশিয়ার রহমান, বুড়ো ঠাকুরের মেলা উদযাপন কমিটির আহবায়ক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নারায়ন চন্দ্র বিশ্বাস,সহ সভাপতি বিজন কুমার সেন, নির্বাহী কমিটির সাধারন সম্পাদক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং ইতনা স্কুল ও কলেজের সভাপতি উজ্জল গাঙ্গুলী,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক প্রবীর কুমার সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকাশ কুমার বিশ্বাস,প্রচার সম্পাদক তপন সাহা,সদস্য ইতনা স্কুল ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অনিন্দ সরকার, ইউপি সদস্য তমাল কুমার কুন্ডু প্রমুখ।

উল্লেখ্য প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও বৈশাখের ১ম সপ্তাহে ৪ দিন ব্যাপী এ মেলা শুরু হয়েছে। সকাল থেকে বিভিন্ন জেলার হাজার হাজার দর্শনার্থী ও ভক্তবৃন্দের সমাগম ঘটতে থাকে। ভক্তবৃন্দরা তাদের জমির প্রথম ফসল ও ফল এনে বুড়ো ঠাকুরের আস্থানায় দান করেন। জানা গেছে প্রায় ২শ বছর আগে রানী রাশমনির আমলে এই সনাতন ধর্মাবলম্বী ধর্মীয় সাধকের আর্বিভাব ঘটে দৌলতপুর ও ইতনার মাঝে তেপান্তরের নির্জন মাঠের পাশে হিজল তলায়। সেই থেকে এই ধর্মীয় সাধকের অনেক ভক্ত এমনকি রানি রাশমনিও তার ভক্ত হন। তখন থেকেই বয়ে আসছে এই ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও মেলা। মেলায় আগত ভক্তবৃুন্দ জানান, বুড়ো ঠাকুরের মেলায় আমরা প্রতি বছর আসি। এখানে আসলে আমাদের মনোবাসনা পূর্ন হয়। এই পুজায় ও মেলায় সকল ধর্মের দর্শনার্থী আসে। এখানে সনাতন ধর্মের কীর্তন ও কবি গান হয়। ভক্তরা পুজার জন্য প্রসাদ দান করেন।

এস এম শরিফুল ইসলাম
নড়াইল -০১৭৭৭ ৯৬২৩৫০
১৬.৪.২৪

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদ” এর কার্যনির্বাহী কমিটি ২০২৬ – ২০২৮ গঠিত হয়েছে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উপমহাদেশের প্রসিদ্ধ আলেম মুনশী আব্দুর রহমানের প্রপৌত্র , বীরমুক্তিযোদ্ধা শিক্ষাবিদ সালাউদ্দিন মিয়ার সন্তান, বদরপুর মহাবিদ্যালয়ের সিনিয়র প্রভাষক কবি শাহাবুদ্দিন রিপন শান কে সভাপতি এবং
মুনশী আব্দুর রহমানের পৌত্র, বিশিষ্ট সমাজসেবক মনির আহমদ মিয়ার সন্তান, চতলা সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফয়েজ উল্যাহ মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে # বীরমুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় অবস্থিত মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদের একান্ন সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে ।দক্ষিণ ধলীগৌরনগর চতলা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় , ২১ মার্চ ২০২৬ যোহরবাদ মসজিদের মুসল্লিদের আন্তরিক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠিত হয় ।

কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যগণ হচ্ছেন – প্রধান উপদেষ্টার মর্যাদায় নির্বাহী সভাপতি- ডাচ বাংলা ব্যাংকের সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট একেএম গিয়াসউদ্দিন মুরাদ । সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাফেজ আহমেদ মিয়া, সহ-সভাপতি গণ হচ্ছেন- মহিউদ্দিন আহমেদ মিয়া, আব্দুর রশিদ বেপারী এবং মোহাম্মদ হোসেন খন্দকার । যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকগণ হচ্ছেন- মোঃ অজিউল্যাহ মিয়া, মোঃ রফিকুল ইসলাম বাবুল, মোঃ জহিরুদ্দিন ফরহাদ এবং মোঃ আলমগীর বেপারী । কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ মিলন মোল্লা ।

সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন- মাহতাব উদ্দিন মিরাজ শান । সম্পাদকীয় বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হয়েছেন -মোঃ রুবেল শান (মুক্তিযুদ্ধ ও মানবাধিকার), নেছার উদ্দিন রাসেল (তথ্য ও গবেষণা), কৌশিক আহমেদ (শিক্ষা ও সংস্কৃতি). মোঃ জসিম আহমেদ (প্রচার ও প্রকাশনা), সিয়াম আহমেদ (সমাজকল্যাণ ও আপ্যায়ন), তাসলিমা শরীফ আঁখি (নারী ও শিশুকল্যাণ), মাওলানা মফিজুল ইসলাম ( ধর্ম বিষয়ক), মোঃ রফিক বেপারী (ত্রাণ ও পূণর্বাসন), মোঃ মোসলেউদ্দিন (ক্রীড়া) , মোঃ কুদ্দুস মিয়া (মানবসম্পদ), মোঃ সুমন বেপারী (কৃষি ও সমবায়), মোঃ কামরুল ইসলাম (প্রশিক্ষণ) , মোঃ নুরুন্নবী (পাঠাগার), মোঃ জাহিদুর রহমান (অনুষ্ঠান) , মোঃ শাহাবুদ্দিন জুলহাস (মিলনায়তন) প্রমুখ ।

নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ আজিম উদ্দিন লিটন, মোঃ শরিফ উদ্দিন টিপু, মোঃ গিয়াসউদ্দিন নিরব, মোঃ ফজলে করিম, মোঃ আব্দুল করিম, মোঃ মাফুল করিম , মোঃ হানিফ মোল্লা, মোঃ মোস্তফা মোল্লা , মোঃ মাকসুদ মিয়া , মোঃ আঃ রাজ্জাক, মোঃ বেলাল প্রমুখ ।।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ