আজঃ সোমবার ৯ মার্চ, ২০২৬

হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী কঃ -র ধনসাম্য,বিচারসাম্য, ধর্মসাম্য এবং উসুলে বা সপ্ত পদ্ধতি জগতের সামনে তুলে ধরার যোগ্যতা, সক্ষমতা ও তৌফিক কামনা করেন হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভান্ডারী (মাঃ)—–

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদ উল ফিতর এর পরের দিন, শাওয়াল মাসের প্রথম জুমার নামাজ আদায় শেষে দরবারে গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী কঃ -র গাউসিয়া হক মনজিল এর কেন্দ্রীয় মিলাদ কিয়াম শেষে মুনাজাত পরিচালনাকালে হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী কঃ -র প্র-প্রপৌত্র, গাউসিয়া হক মনজিল এর সম্মানিত সাজ্জাদানশীন হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভান্ডারী (মাঃ) হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী কঃ -র প্রবর্তিত উসুলে সাবআ-সপ্তপদ্ধতি-র মর্মার্থ, আমরা যাতে নিজেদের ভিতর ধারণ করতে পারি,লালন করতে পারি,দিকে দিকে পৌঁছে দিতে পারি সেই তৌফিক কামনা করেন এবং এই মহান আদর্শের উপকার-আমাদের সমাজের জন্য এর প্রয়োজনীয়তা-এই মহান শিক্ষার অভাবে আমাদের সমাজ যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে-সেই দিকে আমরা (সমাজের) দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারি,উপযুক্তভাবে তুলে ধরতে পারি সেই যোগ্যতা আমাদের দান করার জন্য আল্লাহ সুবহানাহুতাআলার দরবারে ফরিয়াদ করেন।

হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী কঃ -র ত্বরীকার দাওয়াত দিকে দিকে তুলে ধরার, পৌঁছে দেওয়ার যোগ্যতা,সক্ষমতা কামনা করে হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী কঃ কোরআন এবং সুন্নাহ -র আলোকে যুগোপযোগীভাবে ইসলামকে যেভাবে বিশ্বের কাছে প্লেইস করেছেন- মাইজভান্ডারী ত্বরীকার মাধ্যমে,সকলে সেই আদর্শকে যাতে দিকে দিকে পৌঁছে দিতে পারে আল্লাহ সুবহানাহুতাআলার দরবারে সেই তৌফিক কামনা করেন।

তিনি আদলে মোতলাক,বিচার সাম্যতা,সকলের উপর ন্যায় বিচার করার, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে, ধনী-গরিব, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের উপর ন্যায় বিচার করতে পারার, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য-দিকে দিকে পৌঁছে দিতে পারার সেই তৌফিক কামনা করেন।

তিনি ধন-সাম্য,ধনের যেই জাতি গঠনের জাতীয় সম্পদ- যার মৌলিক মানবাধিকার-(যার) যতটুকু ধনসম্পদ প্রয়োজন, প্রত্যেকের কাছে যাতে সেই ধনসম্পদ পৌঁছে দিতে পারে, সেই পর্যন্ত সমাজকে গড়ে তুলতে পারে, হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী কঃ -র সেই শিক্ষাটা যাতে সকলের কাছে তুলে ধরতে পারে সেই সামর্থ্য দান করার জন্য আল্লাহ সুবহানাহুতাআলার দরবারে ফরিয়াদ করেন।

তিনি তাওহীদে আদ্যিয়ান, ধর্মসাম্য,সকল ধর্মের যে, মূল যে আহ্বান-স্রষ্ঠার আনুগত্য, সেই আহবানের ভিত্তিতে সকলে যাতে আমরা নিজ নিজ দ্বীনের কারণে,দ্বীনের জন্য, সংঘাতহীনভাবে,এই জগতের কল্যাণ করতে পারি,সংলাপ করতে পারি সেই তৌফিক কামনা করে কোরআান-সুন্নাহর আদর্শ তথা হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী কঃ -র তাওহীদে আদ্যিয়ান- এর এই শিক্ষাকে আমরা যাতে জগতের সামনে তুলে ধরতে পারি আল্লাহ সুবহানাহুতাআলা দরবারে সেই তৌফিক কামনা করেন।

তিনি আল্লাহ সুবহানাহুতাআলা -র আউলিয়ায়ে কেরাম এর শিক্ষার, আদর্শের অনুপ্রাণিত মানবসন্তান হিসেবে, মানবজাতির খাদেম হিসেবে, ত্বরীকতের খাদেম হিসেবে, উম্মাহ্-র খাদেম হিসেবে শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী (কঃ)-র গোলামরা যাতে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারে সেই তৌফিক কামনা করার সাথে সাথে জালেমের জুলুম থেকে , মিথ্যা মামলা-মোকাদ্দমা থেকে হেফাজত করার জন্য এবং প্রত্যেকের দ্বারা যাতে কোন জুলুম সংঘটিত না হয়, সেই অবস্থা থেকে প্রত্যেককে হেফাজত করার জন্য আল্লাহ সুবহানাহুতাআলার দরবারে ফরিয়াদ জানান ।

তিনি সকলকে আর্থিক সংকট হতে উদ্ধার, কর্মময় জীবন দান,কর্জমুক্ত জীবন দান,ঋণমুক্ত থাকার তৌফিক দান,হালাল রিজিকের মাধ্যমে পিতা-মাতা পরিবারের উপযুক্ত খেদমতের তৌফিক দান এবং দুনিয়াবী সংকট হতে উদ্ধার করার জন্য আল্লাহ সুবহানাহুতাআলার দরবারে ফরিয়াদ করেন।

মিলাদ কিয়াম ও মুনাজাত শেষে তিনি আগত ভক্ত জায়েরীণদের সাক্ষাৎ প্রদান ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। আগত হাজারো ভক্ত জায়েরীণ ও সাধারণ মুসল্লীগণ এর জন্য তবাররুকাত এর ব্যবস্থা করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

ফেব্রুয়ারি ৪৪৮ দুর্ঘটনায় ৪৪৭ জন নিহত—যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আজ ০৬ মার্চ ২০২৬, শুক্রবার :বিদায়ী ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের গণমাধ্যমে ৪৪৮ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৪৭ জন নিহত, ১১৮১ জন আহতের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এই সময়ে রেলপথে ৩৪ টি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত, ১১ জন আহত, নৌ পথে ০৬ টি দুর্ঘটনায় নিহত ০৪ জন ও আহত ০৫ জন হয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৪৮৮ টি দুর্ঘটনায় ৪৭৭ জন নিহত এবং ১১৯৭ জন আহত হয়েছে। এই সময়ে ১৫১ টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬৭ জন নিহত, ১৩৭ জন আহত হয়েছে। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩.৭০ শতাংশ, নিহতের ৩৭.৩৬ শতাংশ ও আহতের ১১.৬০ শতাংশ। এই মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে ঢাকা বিভাগে ১১৩ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১৫ জন নিহত ও ৩৮৭ জন আহত হয়েছে, সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে বরিশাল বিভাগে ২২ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত ও ৮৫ জন আহত হয়েছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

সংগঠনের মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবেদন তুলে ধরে সংগঠনটি। দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ পথের দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ৫৬ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ৯৩ জন চালক, ৭৬ জন পথচারী, ২০ জন পরিবহন শ্রমিক, ৫৮ জন শিক্ষার্থী, ০৪ জন শিক্ষক, ৬৩ জন নারী, ৫৫ জন শিশু, ০২ জন সাংবাদিক, ০২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ০৬ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে। এদের মধ্যে নিহত হয়েছে- ০৩ জন পুলিশ সদস্য, ০৩ জন সেনা সদস্য, ০১ জন ফায়ার সার্ভিস সদস্য, ০২ জন আনসার সদস্য, ০২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ৮৫ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৭২ জন পথচারী, ৪৩ জন নারী, ৪১ জন শিশু, ৪৭ জন শিক্ষার্থী, ১২ জন পরিবহন শ্রমিক, ০৪ জন শিক্ষক ও ০৫ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।

এই সময় সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠিত ৬৮৭ টি যানবাহনের পরিচয় মিলেছে। এতে দেখা যায়, ২৬.৩৪ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৩.৭২ শতাংশ ট্রাক-পিকাপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৫.২৮ শতাংশ বাস, ১৪.২৬ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিক্সা ও ইজিবাইক, ৪.৮০ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, ৮.৮৭ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা, ৬.৪৭ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।

সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪১.৭৪ শতাংশ গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা, ৩৩.২৫ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৭.১৮ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ৬.৪৭ শতাংশ বিবিধ কারনে, ০.২২ চাকায় ওড়না পেছিয়ে এবং ১.১১ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনের সংঘর্ষে ঘটে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই মাসে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪২.৬৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২৫.৪৪ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২৭ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৩.৩৪ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.৪৪ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ১.১১ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ মতে, ফেব্রুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণসমূহ :
১. সড়ক পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় অনভিজ্ঞতা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, নীতি ও কৌশলগত দুর্বলতা।
২. সারাদেশে নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা, মোটরসাইকেল, সিএনজি অটোরিক্সা ও নসিমন-করিমন সড়ক-মহাসড়কে অবাধে চলাচল।
৩. জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় হঠাৎ ফিডার রোড থেকে যানবাহন উঠে আসা।
৪. সড়কে মিডিয়ান বা রোড ডিভাইডার না থাকা, সড়কে গাছপালায় অন্ধবাঁেকর সৃষ্টি।
৫. মহাসড়কের নির্মাণ ক্রটি, যানবাহনের ক্রটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা।
৬. উল্টোপথে যানবাহন, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন।
৭. অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রীবহন।
৮. বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং বিরামহীন ও বিশ্রামহীনভাবে যানবাহন চালানো।

দুর্ঘটনার প্রতিরোধে সুপারিশসমূহ :
১. সড়ক পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় উন্নত বিশ্বের নীতি ও কৌশল অনুসরন করা।
২. দক্ষ চালক তৈরির জন্য চালকদের ইনক্লুসিভ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম দ্রুত শুরু করা।
৩. সিসি ক্যামরা পদ্ধতিতে ট্রাফিক আইনের প্রসিকিউশন পদ্ধতি চালু করা।
৪. গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কে ফুটপাতসহ সার্ভিস লেইনের ব্যবস্থা করা।
৫. সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধ করা, চালকের বেতন ও কর্মঘন্টা সুনিশ্চিত করা।
৬. মহাসড়কে ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা, রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা।
৭. সড়ক পরিবহন আইন উন্নত বিশ্বের আদলে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে প্রয়োগ করা।
৮. সারাদেশে উন্নতমানের আধুনিক বাস নেটওর্য়াক গড়ে তোলা, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
৯. মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেইফটি অডিট করা।
১০. মেয়াদোর্ত্তীন গণপরিবহন ও দীর্ঘদিন যাবত ফিটনেসহীন যানবাহন স্ক্যাপ করার উদ্যোগ নেওয়া।
১১. মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিক্সা আমদানী ও নিবন্ধন নিয়ন্ত্রণ করা ।
১২. বিআরটিএ ও ট্রাফিক বিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
১৩. রাজধানীসহ দেশের সকল নগরীতে করিডোর ভিত্তিক আধুনিক বাস সার্ভিস চালু করা।
১৪. সড়ক পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশী-বিদেশী দক্ষ ও অভিজ্ঞ, বিশেষজ্ঞ লোকজনদের সমন্ময়ে একটি বিশেষজ্ঞ টাস্কফোর্স গঠন করা।

আলোচিত খবর

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ