আজঃ মঙ্গলবার ২৬ মে, ২০২৬

বিএনপি -জামাত নারী উন্নয়নের জন্য কিছু করেনি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন



নারীদের উন্নয়নের জন্য কাজ করে চলেছেন শেখ হাসি ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে যদি নারীরা ছোট ছোট করে হস্তশিল্প গুলো তৈরি করে বিদেশে এক্সপোর্ট করতে পারে তাহলে এদেশ আরও উন্নয়নের সুফল বয়ে আনবে। শুধু সরকার করে দিবে এই মানসিকতা থাকলে দেশ কখনো এগিয়ে যায় না। সবাই মিলে দেশটাকে গড়তে হয়। দেশ গড়ার দায়িত্ব প্রত্যেকটি নাগরিকের। শনিবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র আয়োজিত ১৪তম আন্তর্জাতিক উইম্যান এসএমই এক্সপো’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, পাকিস্তান আজ আমাদের দেশের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে। এখানে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার সার্থকতা এখানে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সার্থকতা। কারণ জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশে নারীর যে ক্ষমতায়ন হয়েছে গত ১৫ বছরে সেটি পৃথিবীর সামনে একটি উদাহরণ। নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান সমগ্র পৃথিবীতে পঞ্চম। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আমাদের অবস্থান দ্বিতীয়, অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়ার পরে আমাদের অবস্থান। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার নারী, রেকর্ড সংখ্যক নারী মন্ত্রী সভার সদস্য। এছাড়া আমাদের স্থানীয় সরকার পর্ষদে ত্রিশ ভাগ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। আজ থেকে ১০বছর আগেও কেউ ভাবেনি জেলার ডিসি, এসপি, উপজেলার বিপুল সংখ্যক ইউএনও নারী হবে। নারী মেজর জেনারেল হয়েছে, নারী হাইকোর্টের জাস্টিস, এফিলিয়েট ডিভিশনের জাজও হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা শুধু স্বপ্ন দেখাননা, স্বপ্নের বাস্তবায়নও করেন। আজকে বাংলাদেশ পৃথিবীর সামনে উন্নয়নের রোল মডেল। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে পূনর্গঠন করে দেশকে যখন উন্নতির দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন তখন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়। আমাদের যে ধাবমান চাকা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এগিয়ে চলছিল, সেই চাকাকে ঘুর্ণায়মান চাকায় রূপান্তর করা হয়। ২১ বছর দেশ এক জায়গায় ঘুরপাক খেয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা সরকার গঠন করার পর দেশ আবার এগিয়ে যাওয়া শুরু করে। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার ১৯৯৯সালে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়। এটি যখন বঙ্গবন্ধু কন্যা ঘোষণা করেন, তখন বিএনপির সাইফুর রহমানসহ অনেকে বলেছিল খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ঘোষণা করা ভালো না। তাহলে বিদেশি সাহার্য্য পাওয়া যাবেনা।
যারা আজকে লম্বা লম্বা কথা বলেন, তারা নারীদের উন্নয়নের জন্য কি করেছিল এমন প্রশ্ন রেখে ড. হাছান বলেন, বিএনপি-জামাত যখন ক্ষমতায় ছিল তারা নারী উন্নয়নের জন্য কিছু করেনি, তারা নারীদেরকে পিছিয়ে রেখেছিল। আজকে নারীদের উন্নয়নের জন্য কাজ করে চলেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।ভারতের গরু চোরাকারবারিরাও দেশ প্রেমিক উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ভারত থেকে যে এত গরু আসে কোন সময় একটা ষাঁড় কিংবা গাভি তারা পাঠায় না, সবগুলো বলদ গরু পাঠায়, যেগুলো নির্জিব, প্রজনন করতে পারেনা। কারণ সেগুলো পাঠালে এখানে প্রজন্ম তৈরী হবে, ওখান থেকে আর গরু আসবে না। আর আমরা সেটা মাথায় রাখিনা। সুতরাং ঘরে বসে বসে ফেসবুক আর টিভিতে সিরিয়াল না দেখে সেই সময়টুকু হস্তশিল্পের কাজে লাগিয়ে সবাই মিল দেশটাকে গড়ে তুলতে হবে। এবং সেই দেশ গড়ার ক্ষেত্রে উইম্যান চেম্বার বলিষ্ট ভুমিকা রাখতে পারে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে গত ১৫বছর যে অভুতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে তার সাক্ষি আজকে চট্টগ্রাম। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এবছর আমরা বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করেছি হস্তশিল্পকে। এসএমই এবং নারী উদ্যোক্তারা এই বর্ষপণ্যটাকে গ্রাম থেকে শহরে, শহর থেকে সারাদেশে এবং ই-কমার্সের মাধ্যম সারাবিশ^ব্যাপী ছড়িয়ে দিতে হবে। সেই লক্ষ্যে আমরা ‘একটি গ্রাম একটি পণ্য’ এই স্লোগানে সারা বাংলাদেশ থেকে গ্রাম পর্যায়ে যে হস্তশিল্পগুলো আছে, সেগুলোকে বাছাই করে তাদেরকে প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহযোগীতার মাধ্যমে এবং বাজারজাত সহজিকরণের মাধ্যমে তাদেরকে দেশে বিদেশে পৌঁছে দিতে চাই। চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলী’র সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চিটাগাং ওমেন চেম্বার এন্ড কমার্স’র সহসভাপতি ও এক্সপো’র চেয়ারম্যান আবিদা মোস্তফা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, দিলোয়ারা ইউসুফ এমপি, শামীমা হারুন লুবনা এমপি, এফবিসিসিআই’র সভাপতি মাহবুবুল আলম ও জাতীয় মহিলা সংস্থার সভাপতি চেমন আরা তৈয়ব।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

৬ ঘন্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য চসিকের, নগরজুড়ে তদারকিতে থাকবেন- মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উপহার দিতে কোরবানির দিন দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘন্টার মধ্যে নগরীর সকল কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কারের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সোমবার টাইগারপাসস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগ, যান্ত্রিক শাখা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নিয়ে কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

সভায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রাম নগরীর কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম কোরবানির দিন দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে। আমরা লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি, পরবর্তী ছয় ঘন্টার মধ্যেই পুরো নগরীর বর্জ্য পরিষ্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।তিনি আরও বলেন, “আমি নিজেও দুপুর ২টা থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করব। বিমান অফিসের সামনের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) এলাকা থেকে এই পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করা হবে।”

মেয়র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়ে বলেন, নগরবাসী যাতে প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্ধারিত স্থানে কোরবানির পশু জবাই করেন এবং জবাই শেষে চসিকের সরবরাহকৃত পলিথিন ব্যাগে বর্জ্য সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট পয়েন্টে রেখে যান, সে বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “যত্রতত্র বর্জ্য পড়ে থাকলে রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এজন্য পর্যাপ্ত ব্লিচিং পাউডার সরবরাহ করতে হবে এবং তা যথাযথভাবে ব্যবহার হচ্ছে কিনা তাও নিশ্চিত করতে হবে।”

সভায় মেয়র পরিচ্ছন্ন বিভাগের সুপারভাইজারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কোরবানির পশুর চামড়া ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো চামড়া ব্যবস্থাপনা। আমরা ইতোমধ্যে চামড়া ব্যবসায়ী, আড়তদার এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছি। কোরবানির চামড়া যেন যত্রতত্র পড়ে না থাকে এবং পরিবেশের বিপর্যয় সৃষ্টি না হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।তিনি আরও বলেন, “যারা চামড়া সংগ্রহ ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যাতে চামড়াগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা হয়।”

সভায় বক্তব্য রাখেন চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি এবং যান্ত্রিক শাখার প্রকৌশলীরা।
সভায় জানানো হয়, ঈদের দিন দুপুর ২টা থেকে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হবে। এজন্য প্রতিটি ওয়ার্ডের জন্য পৃথক গাড়ির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। জোন কর্মকর্তা, সুপারভাইজার ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সমন্বয়ে ওয়ার্ডভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

যে তিনটি ওয়ার্ড সবচেয়ে দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবে, সেই সেরা তিনটি ওয়ার্ডকে আকর্ষণীয় পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেন মেয়র। তবে দ্রুততার নামে যেন পরিচ্ছন্নতায় কোনো ঘাটতি না থাকে, সেদিকেও সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন তিনি।

ঈদের দিন নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে দায়িত্ব পালনকারী পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানান মেয়র। তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন কর্মীদের খাবারের মান বজায় রাখতে এবার তিনটি পৃথক গ্রুপের মাধ্যমে খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সভায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে সফল করতে প্রয়োজনীয় জনবল, যানবাহন ও সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখার বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

আমাদের সন্তানেরা আজ হতাশ :চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ও চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়াসহ দেশের বিভিন্নস্থানে শিশু ধর্ষণের কয়েকটি ঘটনায় আমরা খুবই মর্মাহত।

আমাদের সন্তানেরা কিভাবে নরপশু হলো, কা-কে দেখে হলো, কেন আমাদের মা-বোনেরা নিরাপদ নয়-বিষয়গুলো প্রত্যেকের ভেবে দেখা দরকার। আজকে রহিম-করিমের (ছদ্মনাম) সন্তান আহত হচ্ছে, কালকে আমাদের সন্তান আহত হবে-এটা আর হতে দেব না। যেখানে এ ধরণের ঘটনা ঘটবে সেখানেই প্রতিরোধ করা হবে। এখন থেকে শিশু ও নারীদেরকে সহিংসতা থেকে রক্ষা করতে সচেতনতার পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন জরুরী। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে শিশু ও নারীদের প্রতি সহিংসতা এবং ক্ষতিকর প্রথা প্রতিরোধ’-বিষয়ক পিভিএইচপি প্রকল্পের জেলা পর্যায়ের ইনসেপশন কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্মশালার আয়োজন করেন।

ডিসি বলেন, শিশু ও নারী সহিংসতার ঘটনাগুলো যেভাবে ভাইরাল হচ্ছে সেগুলো দেখে আমাদের সন্তানেরা আজ হতাশ। এ ধরণের ঘটনা আমরা কখনো প্রত্যাশা করি না। বিবেকের কাছে পরাজিত না হয়ে আমরা নিরাপদ রাষ্ট্র গড়তে চাই, নারী-শিশুদেরকে সুরক্ষিত রাখতে চাই। কর্মকর্তাদের উপর নিজ নিজ অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে বা সকলে আত্মশুদ্ধ হলে সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটবে।

কর্মশালায় অন্যান্য ঊক্তারা বলেন, ইদানিং শিশুদের ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা ও নির্যাতনের মত ঘটনা আমরা সহ্য করতে পারি না। শিশু ও নারী নির্যাতনের মত ঘটনাগুলো যেভাবে ভাইরাল হচ্ছে তা দেখে আমাদের সন্তানেরা হতাশ। তাদের সুরক্ষায় এগিয়ে আসার পাশাপাশি জনসচেতনা খুবই জরুরী। সন্তানের প্রতি পিতা-মাতাকে আরও দায়িত্ববান হতে হবে, তাদেরকে নীতি-নৈতিকতা শিখাতে হবে। শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তাদের নিরাপত্তা ও অধিকারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। সকল ধরণের সহিংসতা, শোষণ, অপব্যবহার ও অবহেলা থেকে শিশু-নারীদেরকে রক্ষা করা এবং এ ধরণের ঘটনা ঘটলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক আতিয়া চৌধুরী। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শরীফ উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত জেলা পর্যায়ের কর্মশালায় মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে ‘শিশু ও নারী সুরক্ষা এবং এর মূলনীতি’ বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন পিভিএইচপি প্রকল্পের প্ল্যানিং কর্মকর্তা মোঃ আবু সালেহ। বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মহিন উদ্দিন (আনোয়ারা), ফারহানুর রহমান (পটিয়া), মোঃ আবদুর রহমান (চন্দনাইশ), সজীব কান্তি রুদ্র (কর্ণফুলী), ফখরুল ইসলাম (সীতাকুন্ড), মোঃ নাজমুল হাসান (রাঙ্গুনিয়া), খোন্দকার মাহমুদুল হাসান (সাতকানিয়া), মেহেদী হাসান ফারুক (বোয়ালখালী), সাঈদ মোঃ ইব্রাহিম (ফটিকছড়ি), এসএম রাহাতুল ইসলাম (রাউজান), জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা কাউছার আহমেদ, জেলা পুলিশ পরিদর্শক কবির হোসেন, জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা থোয়াইনু মং মার্মা, আন্দরকিল্লা জামে মসজিদের পেশ ঈমাম মুফতি এহসানুল হক জিলানী, ব্র্যাক’র রিজিওনাল ম্যানেজার হামিদুল হক প্রমূখ। বিভিন্ন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, গণমাধ্যমকর্মী ও স্টেকহোল্ডারগণ কর্মশালায় অংশ নেন।

আলোচিত খবর

পবিত্র ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা, ২৩ মে।শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এই ছুটি থাকছে। তবে ঈদের আগে সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে আগামীকাল শনিবারের ২৩ মে ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ঈদের ছুটি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে রোববার পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এর আগে ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন ও পরদিন ২৪ মে রোববার অফিসগুলো খোলা থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ