চসিকের উচ্ছেদ অভিযান উচ্ছেদ নালা ও ফুটপাতের শতাধিক অবৈধ দোকান

নিজস্ব প্রতিবেদক

চসিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা ও আর নিজাম রোডে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা’র নেতৃত্বে নগরীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানকালে জিইসি মোড় হতে ও.আর.নিজাম রোডের উভয়পাশের্^ নালা ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে উঠা শতাধিক দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। সে সময় ফুটপাত দখল করে ব্যবসায় পরিচালনার দায়ে ৩ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা রুজু পূর্বক ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযান চলাকালীন সময় সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটকে সহায়তা প্রদান করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য উচ্চাভিলাষী নয় : জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য কোনো উচ্চাভিলাষী কর্মসূচি নয়, সম্মিলিত উদ্যোগ ও জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। বৃক্ষরোপণকে শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না রেখে গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরীর জামিয়াতুল ফালাহ মসজিদ ঈদগাহ প্রাঙ্গণে সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচি ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের আওতায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন কর্তৃক ১ দিনে ১ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচিতে বৃক্ষরোপণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়া হয়। তিনি বলেন, এটি শুধু কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ কোনো কর্মসূচি নয়, দেশে ইতোমধ্যে সামাজিকভাবে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ ও কাঠামো বিদ্যমান রয়েছে।সেই বিদ্যমান ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার মাধ্যমে বৃক্ষরোপণকে একটি ব্যাপক সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।

উপদেষ্টা উল্লেখ করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল যা অঙ্গীকার করে, তা বাস্তবায়নে বিশ্বাসী, এটি শুধু কাগজে-কলমে কোনো পরিকল্পনা নয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সময় থেকেই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনে কী করণীয়, কোন ক্ষেত্রে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন এসব বিষয়ে পরিকল্পনা, গবেষণা ও কাজ চলেছে এবং তারই একটি অংশ নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিফলিত হয়েছে।গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর সরকার গঠনের সুযোগ পেলে জনগণের জন্য কী কী করা হবে, সে বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ও পরিকল্পনা নির্ধারণ করেই ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম দিন থেকেই নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছেন।

প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার কৃষকদের জন্য ফার্মার্স কার্ড, পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেছে। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, বিদেশে কর্মসংস্থান, ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব ও ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান প্ল্যান্টসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। উপদেষ্টা আরো বলেন পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ রোপণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অঙ্গীকার করা হয়েছে। গত জুলাই পর্যন্ত নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২ কোটি ৬৩ লাখ ৯৪ হাজার ৪২৬টি গাছ রোপণ করা হয়েছে।বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিচ্ছিন্ন উদ্যোগগুলো যথাযথভাবে হিসাবের আওতায় আনা গেলে অর্জনের পরিমাণ আরও বেশি হবে।

চট্টগ্রামের পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, পাহাড়, সমতল ও সমুদ্রবেষ্টিত চট্টগ্রাম একটি অনন্য ভূপ্রকৃতির অঞ্চল। তবে পাহাড় ধসসহ বিভিন্ন পরিবেশগত ঝুঁকি এখানে রয়েছে। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি জেলা প্রশাসন ও বিভাগীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর’ দুর্যোগ বা দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে আগেই ঝুঁকি চিহ্নিত করে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন জলবায়ু পরিবর্তন শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, এটি বিশ্বব্যাপী একটি সংকট। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিল থেকে বাংলাদেশ প্রত্যাশিত মাত্রায় উপকৃত হয়নি। এই অবস্থায় বিশ্বনেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জলবায়ু তহবিল বরাদ্দের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর বাস্তব পরিস্থিতি ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিতে হবে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন এর সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মসূচিতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম ৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ,১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান,সেনাবাহিনীর চট্টগ্রাম এরিয়া সদর দপ্তরের এসপিপি কর্নেল খলিল উল্লাহ, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম,সিএমপি কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী, সিডিএ এর চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবের রহমান, পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম বিপিএম, এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম বন্দরে এবার ভিড়তে পারবে বড় আকারের জাহাজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা-উত্তর হালিশহর এলাকার সমুদ্র উপকূল ঘেঁষে আড়াই হাজার একর এলাকায় বে-টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০৩০ সালে টার্মিনাল-১ এর অপারেশন শুরুর লক্ষ্য নিয়ে এই বে-টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে সরকার। এতে বন্দরের সক্ষমতা বাড়বে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের যে অবকাঠামো রয়েছে তার চেয়েও বড় হবে এই টার্মিনাল। ভিড়তে পারবে আরও বড় আকারের জাহাজ (মাদার ভেসেল)। চ্যানেলের গভীরতা কম হওয়ায় বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ আনা-নেওয়া করতে হয় জোয়ারের সময়।

কিন্তু বে-টার্মিনালসংলগ্ন চ্যানেলের গভীরতা বেশি থাকার কারণে ভাটার সময়ও জেটিতে জাহাজ ভেড়ানো সম্ভব হবে। এটি পুরোদমে চালু হলে আগামী একশ’ বছর আর নতুন কোনো টার্মিনালের চিন্তা করতে হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের আওতায় বে-টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনার প্রক্রিয়া চলছে।

জানা গেছে, মেগা প্রকল্পটির প্রস্তাবিত তিনটি টার্মিনালের একটি নির্মাণ ও পরিচালনায় শিগগিরই বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হতে পারে। বর্তমানে চলছে থ্রি-ডি সিমুলেশনের (ডিজিটাল মডেল) কাজ। সিমুলেশন শেষ হলে শুরু হবে প্রথম ধাপ অর্থাৎ, ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকায় ব্রেক ওয়াটার, অ্যাক্সেস নেভিগেশন চ্যানেল ও মূল অবকাঠামো নির্মাণপ্রক্রিয়া।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, চ্যানেল ও ব্রেক ওয়াটার নির্মাণের কাজটি বন্দর নিজেই করবে। টার্মিনাল নির্মাণ ও হ্যান্ডলিং সরঞ্জাম সংযোজন করবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান। নির্মাণের পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান একটি নির্দিষ্ট সময় টার্মিনালটি পরিচালনার সুযোগ পাবে। এতে প্রয়োজন হবে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের।

এক্ষেত্রে সরকার বিদেশি বিনিয়োগ আনার চেষ্টা করছে। এরই মধ্যে বে-টার্মিনালে আগ্রহ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বন্দর পরিচালনাকারী কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। প্রকল্পে পৃথক তিনটি টার্মিনাল থাকবে। এর মধ্যে একটি মাল্টিপারপাস টার্মিনাল অর্থাৎ এখানে কনটেইনার ও খোলা পণ্য খালাস হবে।

অন্য দুটি কনটেইনার টার্মিনালের মধ্যে বে-টার্মিনাল-১ নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য সিঙ্গাপুরের পিএসএ’র সঙ্গে বোঝাপড়া বা এমওইউ হয়েছে। তাদের সঙ্গে সরকারের আলোচনা চলছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ৩-৪ মাসের মধ্যে চুক্তি হতে পারে বলে সম্প্রতি চট্টগ্রামে একটি অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন নৌপরবিহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। অন্য দুটি টার্মিনাল নির্মাণেও কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের আগ্রহ রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, বে-টার্মিনালের থ্রি-ডি সিমুলেশনের কাজ চলছে। আশা করা যায়, অল্পসময়ের মধ্যে রিপোর্ট পাওয়া যাবে। রিপোর্ট পাওয়ার পর টেন্ডার ডকুমেন্ট তৈরি করা হবে এবং চ্যানেল ও ব্রেক ওয়াটার নির্মাণের প্রক্রিয়াও শুরু হবে। তিনি জানান, নেভিগেশন চ্যানেল ও ব্রেক ওয়াটার নির্মাণের জন্য এরই মধ্যে বিশ্বব্যাংক ৬৫০ মিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে।

বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, নগরীর পতেঙ্গা-উত্তর হালিশহর এলাকার সমুদ্র উপকূল ঘেঁষে আড়াই হাজার একর এলাকায় বে-টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বে-টার্মিনালের আওতায় সাগরে ৮০০ থেকে ১২০০ মিটার প্রস্থের চ্যানেল রয়েছে। যা দিয়ে ১২ মিটার ড্রাফট ও ২৮০ মিটার লম্বা জাহাজ ভিড়তে পারবে। একসঙ্গে ছয় হাজার কনটেইনার বহন করতে পারে, এমন জাহাজও আসবে এই টার্মিনালে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে ১০ মিটার ড্রাফট ও ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের বড় জাহাজ ভিড়তে পারে না।

বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর বছরে ৩৪ লাখ টিইইউএস (২০ ফুট সমমান) কনটেইনার হ্যান্ডলিং করে থাকে। বে-টার্মিনাল পুরোদমে চালু হলে প্রতিবছর ৩০ লাখ থেকে ৫০ লাখ টিইউউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ