আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

হোসেনপুরে হত্যা মামলার প্রধান আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেফতার।

তৌহিদুল ইসলাম সরকার স্টাফ রিপোর্টার :

কিশোরগঞ্জ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে সবুজ মিয়া (৫০) হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবদুল হাকিম (২১) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) হোসেনপুর থানার (ওসি) নাহিদ হাসান সুমন এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত (১০শে এপ্রিল) নিহতের স্ত্রী শান্তি আক্তার(৪৭) বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনানা ২/৩ জনের বিরুদ্ধে হোসেনপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তার আবদুল হাকিম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের উত্তর গোবিন্দপুর গ্রামের মৃত সোলায়মানের ছেলে। এবং নিহত সবুজ মিয়া একই এলাকার মৃত আব্দুল মজিদের (মধুর বাপ) এর ছেলে।
(ওসি) জানান, রবিবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ১২:৩০ মিনিটে হোসেনপুর থানা পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ টুটুল উদ্দিন, এস আই সুশান্ত চন্দ্র সরকার, এস আই শরিফুল ইসলাম ও সঙ্গীয় অফিসারদের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার পলাতক প্রধান আসামি আবদুল হাকিম (২১)কে গাজীপুর জেলার টঙ্গী থানাধীন টিএনটি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা গেছে, উপজেলার উত্তর গোবিন্দপুর বাগারি-চর গ্রামের কৃষক সবুজ মিয়া ও হারেছ মিয়ার সাথে জমিজমা সংক্রান্ত ব্যাপারে তাদেরই চাচাতো ভাই হাকিম এবং চাচা গফুর মাস্টারের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এ জমি নিয়ে মামলাও চলছে। গত (৯ এপ্রিল) মঙ্গলবার সকালে তাদের মধ্যে বিরোধপূর্ণ ফসলি জমি নিয়ে দু-পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। পরে বিকেল তিনটার দিকে হাকিম, গফুর মাস্টারসহ ৮-১০ জন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সবুজ মিয়া ও হারেছ মিয়ার ওপর হামলা চালায়। এতে সবুজ মিয়া ও হারেছ মিয়া গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সবুজ মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন এবং তার ছোট ভাইয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করেন।

হোসেনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাহিদ হাসান সুমন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবদুল হাকিম (২১ )কে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও ৪ জনসহ মোট ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদেরকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ