আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়নে চসিক-সিডিএ একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের দুই সরকারি সেবা সংস্থার প্রধান চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়নে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। জাপান সফর শেষে দেশে ফিরে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নতুন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছকে কাছে পেয়ে বুকে জড়িয়ে নেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী। এ সময় দুইজনই নগরীর উন্নয়নে একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। গত বুধবার বিকেলে জাপান থেকে ঢাকা হয়ে বিমানে চট্টগ্রাম শাহ —আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী। এ সময় বিমানবন্দরে দুজনের সাক্ষাৎ হয়।

জানা গেছে, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা থেকে বিমানে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন সিডিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ। মেয়র আসছেন জানতে পেরে তিনি ভিআইপি লাউঞ্জে অপেক্ষা করতে থাকেন। ১০ মিনিট পর আরেকটি বিমানে আসেন মেয়র। সিডিএ চেয়ারম্যান মেয়রকে এগিয়ে আনতে রানওয়ে পর্যন্ত যান। মেয়রকে ইউনুছ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। মেয়র তাকে বুকে টেনে নেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন এবং কাউন্সিলর ছালেহ আহম্মদ চৌধুরী, নিছার উদ্দিন আহমেদ, শাহেদ ইকবাল বাবু, আবদুস সালাম মাসুম, আবুল হাসনাত বেলাল, নুরুল আলম মিয়া, ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, পুলক খাস্তগীর, এসরারুল হক, আতাউল্লা চৌধুরী ও মোহাম্মদ ইলিয়াস।
সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নের স্বার্থে সিটি করপোরেশন এবং সিডিএকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে নগরীকে জলাবদ্ধতামুক্ত করতে হলে প্রতিষ্ঠান দুটির সমন্বয়ের বিকল্প নেই। সিডিএ যে খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে, তা যথাযথ ব্যবস্থাপনার আওতায় আসলে নগরীর মশাও কমবে। সিডিএর চেয়ারম্যানকে সঙ্গে নিয়ে নান্দনিক চট্টগ্রাম নির্মাণে একযোগে কাজ করব। বঙ্গবন্ধুর ডাকে দেশ স্বাধীন করতে দু’জন একসঙ্গে লড়েছি। এবার আমাদের লড়াই চট্টগ্রামকে এগিয়ে নেওয়ার।
সিডিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ বলেন, আমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখব। সিটি করপোরেশন এবং সিডিএর মধ্যে কোনো দূরত্ব থাকবে না, সমন্বয়হীনতা থাকবে না। আমরা দীর্ঘসময় রাজপথে একত্রে লড়েছি। দু’জনের অভিজ্ঞতা ও আন্তরিকতায় চট্টগ্রাম এগিয়ে যাবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি – প্রতিমন্ত্রী পুতুল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, সরকার গঠনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ কে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি।সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে পাবনার পদ্মকোল খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, অত্যন্ত ক্রান্তিলগ্নে আমরা দেশের দায়িত্ব পেয়েছি। সরকার গঠনের একমাসও পূর্ণ হয়নি। তবুও এরই মধ্যে বিএনপি সরকার দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, মসজিদ মন্দিরের ইমাম পুরোহিতদের সম্মানী ভাতা ও কৃষি ঋণ মওকুফের মতো উদ্যোগ আমরা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, কৃষি ও কৃষক আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। সেই কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি সহ জীবনমান উন্নয়নের জন্য শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এক সময় খাল থেকে সেচ ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন। তার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান এবার খননের মাধ্যমে খাল কে পুনরুজ্জীবন দিয়ে সেচ ব্যবস্থা কে আরো উন্নত করতে উদ্যোগ নিয়েছেন। এ উদ্যোগের আওতায় সারা দেশে ৫৪টি খাল খনন কর্মসূচির আজ উদ্বোধন হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মরে যাওয়া খালগুলো পানিপ্রবাহ ফিরে পেলে যেমন কৃষি উৎপাদন বাড়বে, তেমনই গ্রামীণ জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। এর ফলে ভূ-উপরিস্থ পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমবে, যা খরা, বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়ক হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য মরে যাওয়া খালগুলো খনন করে জীবন ফিরিয়ে দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই সারা দেশের মতো পাবনায় এ খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্টরা খেয়াল রাখবেন, শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে যেন খাল খনন সম্পন্ন হয়৷

পাবনার জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে খাল খনন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজা হাবিব, পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার, পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার সরকার, পাবনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার ও সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম সহ অনেকেই।

প্রসঙ্গত, পাবনার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর থেকে মন্ডলমোড় পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এই খালটি পাবনা শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতী নদীতে গিয়ে মিশেছে। ৬ ফুট গভীর ও গড় ৪০ ফুট প্রশস্ত করে খালটি খনন কাজ শুরু হচ্ছে।

এই খালটি পূর্ণ খনন হলে পদ্মা থেকে ইছামতিতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে। খালের পার্শ্ববর্তী হেমায়েতপুর ইউনিয়নের জমিগুলো সহজেই সেচ সুবিধা পাবে। এই কর্মসূচির আওতায় এটি ছাড়াও পাবনায় ১০৬ টি খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

 

 

দিনাজপুরে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশব্যাপী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় সাহাপাড়া এলাকায় খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।উদ্বোধন শেষে খালের পাড়ে একটি বৃক্ষ রোপণ করেন তিনি।

সোমবার (১৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১২ টায় কাহারোল উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের সাহাপাড়ায় এই খাল পূনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে দেশের ৫৩টি জেলায় খাল পূনঃখনন কাজের উদ্বোধন করা হয়। সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে।পরে প্রধানমন্ত্রী রহমান তারেক রহমান খালের পারে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি’র মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন এমপি, পানি সম্পদ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী এমপি, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রানমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু এমপি, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি, দিনাজপুর-১ আসনে এমপি মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু, দিনাজপুর-২ আসনে এমপি সাদিক রিয়াজ চৌধুরী, দিনাজপুর সদর আসনের এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৪ আসনের এমপি জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া প্রমূখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি।প্রসঙ্গত, দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া থেকে মুকুন্দপুর পর্যন্ত প্রায় ১২ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সাহাপাড়া খাল পুনঃখননের মাধ্যমে কাহারোল উপজেলার বিস্তীর্ণ কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। এই খাল পুনঃখননের ফলে প্রায় ১২০০ হেক্টর কৃষিজমি সেচের আওতায় আসবে। একই সঙ্গে প্রায় ৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা কমে যাবে বলে আশা স্থানীয়দের।

এরপরে বিকেল সাড়ে তিনটায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর গোরস্তানে যাবেন। সেখানে তিনি তার নানা মরহুম মো. ইস্কান্দার মজুমদার, নানি মরহুমা তৈয়বা মজুমদার এবং খালা খুরশীদ জাহান হকসহ (চকলেট) নিকট আত্মীয়দের কবর জিয়ারত করবেন।

তারপরে গোর এ শহীদ বড় ময়দানে আয়োজিত সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে দিনাজপুরের সফর শেষ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ