আজঃ বুধবার ২১ জানুয়ারি, ২০২৬

রাণীশংকৈলে শ্রমিকের অধিকার আদায়ে মহান মে দিবস পালিত 

রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 মহান মে দিবস, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন। ১৩৮ বছর আগে ১৮৮৬ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের যে মার্কেটে শ্রমিকেরা কাজের সময় সীমা ৮ ঘণ্টা নির্ধারণ, কাজের উন্নত পরিবেশ, মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে ধর্মঘট আহব্বান করেন। দাবি আদায়ের জন্য বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা সেদিন পথে নেমে এসেছিলেন। অত্যন্ত ববর কায়দায় দমন করা হয়েছিল সেই শ্রমিকের বিক্ষোভকে। পুলিশের গুলিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন শ্রমিকেরা। সারা বিশ্ব সোচ্চার হয়ে উঠেছিল সেই ঘটনায়। শিকাগোর শ্রমিকদের আত্মদানের মধ্য দিয়েই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল শ্রমজীবী মানুষের অধিকার।
মহান মে দিবস উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বুধবার (১ মনে) সকাল থেকেই শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শ্রমিক সমাবেশ, লাল পতাকা মিছিল, বিভিন্ন সড়কে ব্যানার, ফেস্টুন সাথে নিয়ে শ্রমিকের র‌্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদর্শন করে রাণীশংকৈল ডিগ্রী কলেজ মাঠে আলোচনা সভা অনূষ্ঠিত হয়। এসময় মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি শামসুল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- সাবেক এমপি ইয়াশিন আলী, সাবেক সাংসদ সেলিনা জাহান লিটা,সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সইদুল হক, মেয়র মোস্তাফিজর রহমান, আ’লীগ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহম্মেদ, জাতীয় পার্টির যুগ্ম সম্পাদক আবু তাহের, প্রেসক্লাব সভাতি মোবারক আলী ও আনোয়ারুল ইসলাম, বাংলাদেশ সহকারি শিক্ষা অফিসার কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি এসএমএ রবিউল ইসলাম সবুজ, এ্যাডভোকেট শেখ ফরিদ,আ’লীগ সহ-সভাপতি মুক্তার আলম, যুবলীগ সম্পাদক রমজান আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবর রহমান, নন্দুয়ার ইউনিয়ন আ’লীগ যুগ্ম সম্পাদক শাহনেওয়াজ আলী,পৌর আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, রাজ-৮৮ সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সহকারি শিক্ষক সাধন বসাক, শ্রমিক নেতা মোকসেদ আলী, আমজাদ আলী,প্রদিপ সাহা,সমির উদ্দিন প্রমুখ।
অপরদিকে উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকে নির্মান শ্রমিক ইউনিয়ন, রিক্সা ভেন শ্রমিক ইউনিয়ন সহ কয়েকটি সংগঠন ট্রেড ইউনিয়ন এক সঙ্গে সমন্বয় করে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করে। েস
সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহম্মদ হোসেন বিপ্লবসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীরা এবং শ্রমীক নেতারা বক্তব্য প্রদান করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চিটাগাং চেম্বারের নতুন প্রশাসক মোতাহের হোসেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শতবর্ষী বাণিজ্য সংগঠন দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. মোতাহের হোসেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) চেম্বারের যুগ্ম সচিব নুরুল আবছার চৌধুরী এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি জানান, বুধবার (২১ জানুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-১ শাখার উপসচিব চৌধুরী সামিয়া ইয়াসমীন স্বাক্ষরিত পত্রের মারফত প্রশাসক মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরীর (সদস্য, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) পরিবর্তে সরকারের অনুমোদনক্রমে মো. মোতাহের হোসেনকে ২০ জানুয়ারি থেকে চলমান চট্টগ্রাম চেম্বার নির্বাচন কার্যক্রম সম্পন্ন করা পর্যন্ত দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করা হলো।

সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ২০২৩-২৪ মেয়াদের পরিচালনা পর্ষদ থেকে সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি, সহ-সভাপতি ও পরিচালকসহ ২৪ জন সদস্য পদত্যাগ করায় বাণিজ্য সংগঠন আইন-২০২২ এর ১৭ ধারা মোতাবেক সরকারের অনুমোদনক্রমে ৯ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মহাপরিচালক বাণিজ্য সংগঠন) ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রশাসক নিয়োগ আদেশ জারি করেছিলেন।

চট্টগ্রাম চেম্বারের প্রশাসকের দায়িত্ব নেন তৎকালীন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা। গত ২ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-১ শাখার উপসচিব চৌধুরী সামিয়া ইয়াসমীন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ৬০ দিন মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল প্রশাসকের। প্রশাসক দায়িত্ব গ্রহণের ১১ মাস পর গত ১১ আগস্ট চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। পরে দুইটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মামলা সংক্রান্ত জটিলতা ও পরে জাতীয় নির্বাচনের কারণে চেম্বারের ভোট গ্রহণ হয়নি।

গত ৮ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য সংগঠন-১ অনুবিভাগের উপসচিব চৌধুরী সামিয়া ইয়াসমীন চিঠি দিয়ে চেম্বারের নতুন প্রশাসক হিসেবে তৎকালীন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরীকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি জানিয়েছিলেন।

শাকসু নিয়ে টালবাহানা, চলবে না চলবে না।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (শাকসু) নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদ ও অবিলম্বে নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। এ সময় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা

‘শাকসু নিয়ে টালবাহানা, চলবে না চলবে না’ , ‘হারার ভয়ে খেলে না, সেই কথা তো বলে না’, ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান, শাকসু ব্যান’, ‘মব করে শাকসু, বন্ধ করা যাবে না’, ‘শাকসু আমার অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’- এসব স্লোগান দেয়।

বিক্ষোবের সময় চবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইব্রাহীম রনি বলেন, শাকসু নির্বাচন কয়েক দফা পেছালেও আজ একটি সুন্দর নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একটি ছাত্রসংগঠনের কারণে হাজারো শিক্ষার্থী এ নির্বাচনের উৎসব থেকে বঞ্চিত হল। ১৯৯০-৯১ সালেও তারা দায়িত্ব নিয়ে বিশ্ববিদ্যলয় ছাত্রসংসদগুলোর নির্বাচন বন্ধ করেছিল, এখন আবার একই চেষ্টা করছে। তারা সবচেয়ে বেশি ভয় পায় ছাত্রসংসদকে। নির্বাচন বন্ধ করতে যা করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে সবার প্রতিবাদ করা উচিত।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রদলের সঙ্গে আমাদের আন্দোলনের অতীত ইতিহাস আছে। তারা একসময় আমাদের সঙ্গে ছিল। কিন্তু ৫ আগস্টের পর তারা টেন্ডারবাজিতে জড়িয়েছে। আপনারা রাজনীতি করতে পারেন, কিন্তু কোনো সন্ত্রাসী বা স্বৈরাচারী শক্তিকে ক্যাম্পাসে জায়গা দিতে পারবেন না।

চবি ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মোহাম্মদ পারভেজ বলেন, ৫ আগস্টের পর আমরা যে ত্যাগ স্বীকার করেছি, তা ছিল আমাদের অধিকার আদায়ের জন্য। কিন্তু ছাত্রদল ও বিএনপি আবার পুরোনো রাজনীতিতে ফিরে যাচ্ছে। আমরা ভেবেছিলাম তারা অপরাজনীতির পথে যাবে না, অথচ সুযোগ পেলেই চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও হামলায় জড়াচ্ছে।

তাদের অন্তর্কোন্দলে দুই শতাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রশ্ন হলো কারা আবার আওয়ামী সন্ত্রাসীদের রেজিম ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছে ? প্রাতিষ্ঠানিক খুনের রাজনীতি তারাই শুরু করেছে। ডাকসুতে পরাজয়ের পর লজ্জা থাকলে তাদের ক্যাম্পাস ছেড়ে দেওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তারা অপরাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে। এ সময় তিনি অবিলম্বে শাকসু নির্বাচনের দাবি জানান।

আলোচিত খবর

গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে প্রধান উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Oplus_131072

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গণভবনে তৈরি করা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

Oplus_131072

রাজনৈতিক দলের নেতা ও সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টাদের নিয়ে মঙ্গলবার বিকালে জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি ঘুরে দেখেন তিনি।


রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা ও সরকারের উপদেষ্টাদের নিয়ে মঙ্গলবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ ঘুরে দেখেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
ছবি: পিআইডি

আরও পড়ুন

সর্বশেষ