আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

হযরত ডাল-চাল মিয়া শাহ্ (রা:) মাজার শরীফের নানা কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

হযরত সৈয়দ মৌলানা কমর আলী শাহ্ (রা) প্রকাশ হযরত ডাল-চাল মিয়া শাহ্ (রা:) এর বার্ষিক ওরশ মোবারক উপলক্ষে উক্ত মাজার শরীফের সড়ক বাতি, সিঁড়ি পূন: সংস্কার, লাইট পোষ্ট স্থাপন, নালা নির্মাণ, মাজার মসজিদ ও মহিলা এবাদতখানা সংস্কার, আশেকানদের বসার আসন নির্মাণ, হযরত ডাল-চাল মিয়া (রা:) জামে মসজিদ ঈদগা ও হযরত ডাল-চাল মিয়া (রা:) কবরস্থান নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হওয়ার পর ৫ মে ২০২৪ খ্রি: রবিবার, বিকেলে শুভ উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম। ১৯৯১ সালে সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে হযরত ডাল-চাল মিয়া শাহ্ (রা:) মাজার ও ৬৯০ ফুট সিঁড়ি ৩৪১টি ধাপে নির্মাণ করেছিলেন। আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে আবারও সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম অত্র মাজারের উল্লেখিত নির্মাণ কাজ সমূহ সম্পাদন করেছেন। প্রকল্পের উদ্বোধনী ফলক উম্মোচন কালে সুধী সমাবেশে সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন, বড় কুমিরার পাহাড়ে অবস্থিত আল্লাহর অলি হযরত ডাল-চাল মিয়া শাহ্ (র:) মাজার শরীফ ও সিঁড়ির সংস্কার, সড়ক বাতি, লাইটপোষ্ট স্থাপন, নালা, মাজার মসজিদের মহিলা এবাদতখানা সংস্কার, আশেকানদের বসার আসন নির্মাণ, ঈদগা ও কবরস্থান নির্মাণ করার সুযোগ পেয়ে আমি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। তিনি বলেন, আল্লাহর অলির সেবায় আমার সামান্য সহযোগীতা আল্লাহ তা’য়লা কবুল করলেই আমি খুশী। তিনি বলেন, আল্লাহর অলিদের সেবায় আমরা নিয়োজিত। আল্লাহর অলির ভক্ত ও আশেকানদের দোয়া কামনা করে তিনি ৬ মে ২০২৪ খ্রি: সোমবার ওরশ শরীফ সফল করার জন্য আহবান জানান। নির্মাণ কাজের ফলক উম্মোচনের পর মোনাজাত পরিচালনা করেন হযরত তৈয়ব শাহ (র.) মসজিদের খতিব মাওলানা ইউনুচ রজভী। সুধী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন হযরত ডাল-চাল মিয়া শাহ্্ (র.) মাজার শরীফের মোতোয়াল্লী মো: রবিউল হোসেন মিয়াজী। এসময় অন্যদের মধ্যে আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আলহাজ্ব হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টে পরিচালক আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাইফুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাহিদুল আলম, হযরত মোহছেন আউলিয়া মাজারে মোতোয়াল্লী এসএম ফজলুল করিম, হযরত ডাল-চাল মিয়া শাহ্্ (র.) ওরশ শরীফ পরিচালনা কমিটির সৈয়দ মোহাম্মদ শাহজাহান মিয়াজি, মো: রবিউল হোসেন মিয়াজি, মো: সিরাজদৌল্লা মিয়াজি, মো: জোবায়েদ হোসেন মিয়াজি সোহেল, নুরুল আলম ভুট্টু, বাদশা আলম, ফরিদুল আলম মুরাদসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। সুধী সমাবেশের পর মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাবার বন্ধুদের কাছে পেয়ে সম্মান জানাতে ভুললেন না প্রতিমন্ত্রী পুতুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি সফরে পাবনা এসে বাবার বাল্যবন্ধুদের সান্নিধ্যে আবেগতাড়িত হলেন প্রয়াত সমাজকল্যান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে বর্তমান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

সোমবার দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসে বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক রবিউল ইসলাম রবি, প্রফেসর শিবজিত নাগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেবী ইসলাম ও অধ্যক্ষ মাহাতাব বিশ্বাসকে দেখে ছুটে কাছে যান এবং পরম শ্রদ্ধায় দোয়া চান প্রতিমন্ত্রী পুতুল। এ সময় মাথায় হাত দিয়ে স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেন বাবার বন্ধুরা। এরপর পাবনার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের কৈশোর তারুণ্য কেটেছে পাবনায়। তিনি পাবনার সাবেক এমপি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এডভোকেট আমিনউদ্দিনের ভাতুষ্পুত্র। শহীদ আমিনউদ্দিনের মধ্য শহরের পুষ্পালয় নামক বাড়িতেই ফজলুর রহমান পটল থাকতেন ও ছাত্র রাজনীতি, মুুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। সে সময়ের তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কয়েকজন জীবিত আছেন। পাবনা প্রেসক্লাব প্রতিমন্ত্রী পুতুলের অনুরোধে তার পিতার বন্ধুদের প্রেসক্লাবে আমন্ত্রন জানান। পিতার বন্ধুদের কাছে পেয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বিনয় ও সম্মান দেখিয়েছেন তা সত্যিই অনুকরণীয়।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক জীবনের কর্মক্ষেত্রে যেখানেই যাই, শুনতে পাই- ও আচ্ছা তুমি পটলের মেয়ে, পটল ভাইয়ের মেয়ে? আমার এগিয়ে যাবার প্রধান নিয়ামক আমার বাবা। আমার বাবা যাদের হাতে হাত মিলিয়ে আড্ডা দিয়েছেন, সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করেছেন। আজ তাদের হাতের স্নেহের পরশ পেয়েছি। সন্তান হিসেবে এটি আমার জন্য ভীষণ সৌভাগ্যের।

পাবনা প্রেসক্লাবের ঐহিত্য ও প্রয়াত সংবাদকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পুতুল বলেন, বিগত সময়ে আপনারা অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশকে এগিয়ে নিতে আপনাদের সহযোগিতা ভীষণ প্রয়োজন। আপনারা আমাদের পথ দেখান, ভুলগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন বলে আশা রাখি।

পাবনার প্রতি স্মৃতিচারণ করে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, পাবনা ও নাটোর লালপুরের মাটির গন্ধ একই। কারণ এই পাবনায় আমার শেকড় পোতা। সুতরাং নাটোর লালপুরের মত উন্নয়নের ছোঁয়া পাবনাতেও লাগবে। পাইলটিং পদ্ধতিতে দ্বিতীয় ধাপে পাবনার হতদরিদ্র মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। অন্যান্য সকল উন্নয়নে তিনি পাবনাবাসীর সাথে থাকবেন বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সদর আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা ২ আসনের এমপি একেএম সেলিম রেজা হাবিব, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল মতীন খান,প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক উৎপল মির্জা প্রমুখ।

 

 

দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি – প্রতিমন্ত্রী পুতুল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, সরকার গঠনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ কে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি।সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে পাবনার পদ্মকোল খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, অত্যন্ত ক্রান্তিলগ্নে আমরা দেশের দায়িত্ব পেয়েছি। সরকার গঠনের একমাসও পূর্ণ হয়নি। তবুও এরই মধ্যে বিএনপি সরকার দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, মসজিদ মন্দিরের ইমাম পুরোহিতদের সম্মানী ভাতা ও কৃষি ঋণ মওকুফের মতো উদ্যোগ আমরা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, কৃষি ও কৃষক আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। সেই কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি সহ জীবনমান উন্নয়নের জন্য শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এক সময় খাল থেকে সেচ ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন। তার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান এবার খননের মাধ্যমে খাল কে পুনরুজ্জীবন দিয়ে সেচ ব্যবস্থা কে আরো উন্নত করতে উদ্যোগ নিয়েছেন। এ উদ্যোগের আওতায় সারা দেশে ৫৪টি খাল খনন কর্মসূচির আজ উদ্বোধন হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মরে যাওয়া খালগুলো পানিপ্রবাহ ফিরে পেলে যেমন কৃষি উৎপাদন বাড়বে, তেমনই গ্রামীণ জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। এর ফলে ভূ-উপরিস্থ পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমবে, যা খরা, বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়ক হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য মরে যাওয়া খালগুলো খনন করে জীবন ফিরিয়ে দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই সারা দেশের মতো পাবনায় এ খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্টরা খেয়াল রাখবেন, শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে যেন খাল খনন সম্পন্ন হয়৷

পাবনার জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে খাল খনন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজা হাবিব, পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার, পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার সরকার, পাবনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার ও সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম সহ অনেকেই।

প্রসঙ্গত, পাবনার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর থেকে মন্ডলমোড় পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এই খালটি পাবনা শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতী নদীতে গিয়ে মিশেছে। ৬ ফুট গভীর ও গড় ৪০ ফুট প্রশস্ত করে খালটি খনন কাজ শুরু হচ্ছে।

এই খালটি পূর্ণ খনন হলে পদ্মা থেকে ইছামতিতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে। খালের পার্শ্ববর্তী হেমায়েতপুর ইউনিয়নের জমিগুলো সহজেই সেচ সুবিধা পাবে। এই কর্মসূচির আওতায় এটি ছাড়াও পাবনায় ১০৬ টি খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

 

 

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ