আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

কবি মাহবুব পলাশের প্রকাশনা উৎসবে ইউএনও মাহফুজা জেরিন

শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতির সংগঠকদের মূল্যায়ন বৃদ্ধি হলেই সুস্থ সমাজ বিনির্মান সহজতর হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আমাদের সমাজে শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতির সংগঠকদের মূল্যায়ন বৃদ্ধি হলেই সুস্থ ও মননশীল সমাজ বিনির্মান সহজতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহফুজা জেরিন। মিরসরাই উপজেলা মডেল মসজিদ অডিটোরিয়ামে কবি ও সাংবাদিক মাহবুব পলাশের ৫০ তম জন্মজয়ন্তী ও কাব্যগ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। নাট্যজন প্রদীপ দেওয়ানজীর সভাপতিত্বে ও নাছির উদ্দিন ভূঞার সঞ্চালনায় প্রধান আলোচক ছিলেন, বাংলা একাডেমী পুরস্কারপ্র্রাপ্ত চট্টগ্রামে লেখক শামছুল হক। বিশেষ অতিথি চিলেন, অধ্যক্ষ নুরুল আফসার, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নারায়ন সরকার, সংবর্ধিত কবি ও সাংবাদিক মাহবুব পলাশ, কবি মঈন উদ্দিন আহমদ চৌধুরী সেলিম, কবি শাহাদাত হোসেন লিটন, কবি মাহমুদ নজরুল, প্রফেসর সাইদুল হক, উৎযাপন পরিষদের আহ্বায়ক সাংবাদিক রাজিব মজুমদার, সাংবাদিক নাছির উদ্দিন, ডা.আনোয়ার হোসেন, সাহাবুদ্দিন চৌধুরী, দুর্বারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাসান সাঈফ উদ্দিন, শান্তিনীড়ের সাংগঠনিক সম্পাদক রায়হান চৌধুরী, অভিনেতা শরীফ উদ্দিন শিবলু, দুর্গাপুরের প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের সেক্রেটারী আবুল কালাম প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর আবুল মনছুর, লেখিকা তাছলিমা চৌধুরী সুরভী, শিক্ষিকা সুবর্ণা জেসমিন চৌধুরী, সাংবাদিক জাবেদ হোসাইন, জিয়াউর রহমান জিতু, আব্দুল মান্নান রানা, এমদাদুল হক ভূঞা, প্রতাপ বণিক রানা, মীর হোসেন, সুবর্ণা রাণী নাথ, ইব্রাহিম মাহমুদ, নিয়াজ উদ্দিন নিপু, তাকিবুর রহমান প্রমুখ। কবিতা আবৃত্তি করেন কবি এমদাদ হোসেন রিগ্যান, আমিনুর রহমান ফাহাদ, সারিকা, প্রাচুর্য্য, জানা, সোহান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে অন্যান্য পর্বের মধ্যে ছিল কবিতা আবৃত্তি ও কেক কাটা। অনুষ্ঠানে কবি মাহবুব পলাশ নির্মানাধীন ‘সুরভীকুঞ্জ’ পাঠাগার ও কবিদের আড্ডার কবি কুঠিরে আগামীতে সাহিত্য আসর, কবিতা প্রেমিকদের ঠিকানা হিসেবে গড়ে উঠার ঘোষনা দেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সমাজ ও রাষ্ট্রের পরিবর্তনের জন্য কাজ করতে হবে : জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জীবনমানের উন্নয়ন নয়, সমাজ ও রাষ্ট্রের পরিবর্তনের জন্য কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। রোববার চট্টগ্রাম প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরদের জন্য আয়োজিত তিন দিনব্যাপী অফিস ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন। জেলা প্রশাসক বলেছেন, কেবল নিজের চাকরি জীবনে কে কত সুবিধা পেয়েছেন বা নিজের জীবনে কত পরিবর্তন এনেছেন, সেটি বড় বিষয় নয়; বরং রাষ্ট্র ও সমাজকে কী দিতে পেরেছেন, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, আমরা সবাই একটি সুন্দর সমাজ ও সুন্দর রাষ্ট্র চাই।কিন্তু নিজের পরিবর্তনের প্রশ্নে আমরা অনেক সময় অনাগ্রহী থাকি। আমি চাই অন্যদের পরিবর্তন হোক, কিন্তু নিজের চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন চাই না। এই সংকীর্ণ মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শেখা একটি চলমান প্রক্রিয়া।প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান চর্চার মাধ্যমে বাস্তব কাজে প্রয়োগ করতে না পারলে তার কোনো মূল্য থাকে না। সময়ের সঙ্গে প্রযুক্তি যেমন পরিবর্তিত হচ্ছে, তেমনি পরিবর্তিত হচ্ছে মানুষের প্রত্যাশা ও সেবার মানদণ্ডও।

ফলে সরকারি সেবাকে মানুষের চাহিদা ও প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের (এনআইএলজি) আয়োজনে এবং চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের ১৬০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা রহমান মীমের সঞ্চালনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আমিরুল মোস্তফা, চট্টগ্রামের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক আতিয়া চৌধুরী।

জেলা প্রশাসক আরো বলেন, আমি চাকরি জীবনে কী পেলাম, আমার জীবনের কত উন্নতি হলো, আমার সন্তান কোথায় পড়াশোনা করল-এসবের চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, আমি রাষ্ট্রকে কী দিলাম। জনগণের করের অর্থে বেতন নিয়ে, রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আমরা সমাজের জন্য কী অবদান রাখতে পেরেছি, সেটি প্রত্যেকের ভেবে দেখা উচিত।তিনি বলেন, সরকারি চাকরি কেবল একটি পদ বা দায়িত্ব নয়; এটি জনগণের প্রতি অঙ্গীকার। তাই সেবাগ্রহীতারা যেন সরকারি দপ্তরে এসে হয়রানি বা অবহেলার শিকার না হন, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক আরও বলেন, মানুষ পৃথিবীতে দ্বিতীয়বার আসার সুযোগ পায় না। তাই কর্মজীবন শেষে যেন আফসোস না থাকে যে আরও ভালো কিছু করা যেত। সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ইতিবাচক অবদান রেখে যাওয়ার মধ্যেই একজন মানুষের প্রকৃত সার্থকতা নিহিত। কোনো প্রশিক্ষণ, কোনো নির্দেশনা বা কোনো আইন একা পরিবর্তন আনতে পারে না। পরিবর্তন তখনই আসে, যখন মানুষ নিজের ভেতরে দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা, মানবিকতা ও বিবেককে ধারণ করে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ উঠেছে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন ও ছোট জামাই সোহেলের বিরুদ্ধে। সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন বড় জামাই এ.কে আজাদ। আজ শনিবার (২০ জুন) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের হুজরাপুরে অবস্থিত চাঁপাই প্রেসক্লাবে হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন তিন।

লিখিত বক্তব্য এ. কে আজাদ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের মহিপুরে অবস্থিত মার্কেটসহ বাড়ি দখলের বিরোধের জেরে আদালতে মামলা দায়ের করা হলে উক্ত আর.এস দাগ নং ১১৪৯ জমির উপরে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেন। এর পরেও মোশাররফ হোসেন ও তার ছোট জামাই সোহেল রানা আদালতের আইন অমান্য করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে গত ১ বছর ধরে তার নামে থাকা একটি মার্কেটসহ বাড়ী জোর পূর্বক দখল করে নেন। সে সঙ্গে বাড়ি ও মার্কেটের প্রতিমাসে ৩০ হাজার টাকা শশুর এবং তার ছোট জামাই উত্তোলন করে আসছেন। মার্কেটসহ বাড়ির বর্তমান মালিক এ.কে আজাদ দখল ছাড়তে বললে বিভিন্ন প্রকার হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে এমন অভিযোগ করেন তিনি।

উক্ত ঘটনার বিষয়ে জানতে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেনের মুঠোফোনে ঘটনার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে আনিত সব অভিযোগ সম্পন্ন মিথ্যা।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ