আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

জলাতঙ্ক নির্মূলে কুকুরের টিকাদান কর্মসূচি চালাবে চসিক

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 জলাতঙ্ক নির্মূলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অধীনে ৪১টি ওয়ার্ডে ব্যাপক হারে কুকুরের টিকাদান (এমভিভি) কর্মসূচি আগামী ৭মে থেকে শুরু হয়ে ১১ মে পর্যন্ত প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে। চসিকের ৪১টি ওয়ার্ডের এমডিভি কার্যক্রমে সহযোগীতায় থাকবেন ওয়ার্ডে সচিব, সার্ভেয়র, ভ্যাক্সিনেটর, দক্ষ কুকুর ধরার লোক, ও স্থানীয় দিক নির্দেশনা প্রদর্শন করার লোক। মাইকিং এর মাধ্যমে প্রতিটি ওয়ার্ডে (এমডিভি) কার্যক্রমের প্রচার প্রচারণা করা হবে এবং নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের মধ্যে কুকুর টিকাদানের ক্যাম্প করা হবে। ভ্যাক্সিনকৃত কুকুরকে লাল রং বা লাল ফিতার মধ্যমে চিহ্নিত করা হবে এবং ডিজিটাল মোবাইল এ্যাপের মাধ্যমে প্রতিটি কুকুরের রেকর্ড নিশ্চায়ন করা হবে। গৃহিত এই কার্যক্রমের মধ্যে রোগ ও রোগীর গুরুত্ব বিবেচনা করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ৪১টি ওয়ার্ডে ৪৬টি টিম কাজ করবে। প্রতিটি টিমে কাজ করবে ২জন দক্ষ কুকুর ধরার লোক, ১জন ভ্যাক্সিনেটর, ১জন ডাটা কালেক্টর, ১জন লোকাল দিক নির্দেশনা কর্মী। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ৪১টি ওয়ার্ডে ৪৬টি টিম পর্যবেক্ষন করবেন এমডিভি সুপার ভাইজর, ওয়ার্ড সচিব ও এমডিভি এক্সপার্ট। প্রতিটি ওয়ার্ডে দুপুর ৩টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত পর্যবেক্ষন করা হবে এবং যে সকল কুকুর টিকার আওতায় আসে নাই তা পরবর্তী দিন টিকার আওতায় আনা হবে। গতকাল সোমবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে ব্যাপকহারে কুকুরের টিকাদান (এমডিডি) সম্পর্কীত অবহিতকরণ ও প্রস্তুতিমূলক সভায় এ তথ্য উঠে আসে। সভায় চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদে গেলে দেখি কুকুর খুব আগ্রাসী থাকে এবং দলবদ্ধভাবে প্রায়শ পথচারীদের ধাওয়া করে।
এজন্য জলাতঙ্ক নির্মূলে কুকুর নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান প্রয়োজন। আশা করি এমডিভি কর্মসূচির মাধ্যমে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে জলাতঙ্ক রোগ শতভাগ নির্মূল করা সম্ভব হবে। সভায় প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, কাউন্সিলর হাজী নুরুল হক, ছালেহ আহম্মদ চৌধূরী, জহর লাল হাজারী, নাজমুল হক (ডিউক), হাসান মুরাদ বিপ্লব, মোঃ মোবারক আলী, গাজী মোঃ শফিউল আজিম, আবুল হাসনাত মোঃ বেলাল, মোঃ নুরুল আমিন, মোঃ ইলিয়াছ, মোঃ শেখ জাফরুল হায়দার চৌধুরী, মোঃ আবদুস সালাম মাসুম, আতাউল্লা চৌধুরী, মো. ইসমাইল, নূর মোস্তফা টিনু। সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রন শাখার এমডিজি এক্সপার্ট ডা. সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ মূল কর্মসূচি তুলে ধরেন। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), চট্টগ্রাম ডাঃ মোঃ মহিউদ্দিন, সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ ইলিয়াছ চৌধুরী, মেডিকেল অফিসার (রোগতত্ত্ব) সিভিল সার্জন অফিস, চট্টগ্রাম ডাঃ মোঃ নুরুল হায়দার এবং জেলা প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ নজরুল ইসলাম।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে আহত নিহতদের মাঝে চেক বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও জেলায় বিভিন্ন স্থানেসড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ নিহত ও আহত ৭ টি পরিবারের মাঝে চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেল এর আয়োজনে এই চেক বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গোলাম ফেরদৌস, ঠাকুরগাঁও বিআরটি এর সহকারী পরিচালক ইঞ্জি: মোহাম্মদ আলী আহসান মিলন, মোটরযান পরিদর্শক মাফুজ রানা, উচ্চমান সহকারী রুস্তম আলীসহ অন্যান্যরা।সেখানে সাতটি পরিবারের মাঝে ২১ লক্ষ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে মাদক উদ্ধার, আটক- ২

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় পৃথক দুটি অভিযানে দুইজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় একটি ট্রাক, ২ হাজার ৮৫ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ, ৫৮৫ পিস ইয়াবা ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা মালামালের মোট আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)। পৃথক দুটি অভিযানে দুইজনকে আটক করার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ, ইয়াবা, একটি ট্রাক ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ৫৯ বিজিবির ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার এডি শেখ মনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে সোনামসজিদ বিওপির একটি টহল দল শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের বালিয়াদিঘী গ্রামের প্রাণিসম্পদ কোয়ারেন্টাইনের পাশের সড়কে অভিযান চালায়।

অভিযানের সময় ঢাকা মেট্রো-ট ২০-৯৯৯০ নম্বরের একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে সাতটি প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা ২ হাজার ৮৫ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ‘এসকাফ’ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ট্রাকচালক মো. রিয়াদ হোসেন (২০)কে আটক করা হয়েছে। তিনি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার পাশাপুর গ্রামের বাসিন্দা।এ সময় ট্রাকটির পাশাপাশি একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা সিরাপ, ট্রাক ও মোবাইল ফোনের আনুমানিক মূল্য ৬৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।

অন্যদিকে একই দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে চৌকা বিওপির নায়েক সুরজিত নাগের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের খাসেরহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ৫৮৫ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট এবং একটি মোবাইল ফোনসহ মো. নাঈম ইসলাম (১৮) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। তিনি শিবগঞ্জ উপজেলার জমিনপুর গ্রামের বাসিন্দা।উদ্ধার করা ইয়াবা ও মোবাইল ফোনের আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৫০০ টাকা।

বিজিবি জানিয়েছে, পৃথক দুটি অভিযানে জব্দ করা ট্রাক, নেশাজাতীয় সিরাপ, ইয়াবা ও মোবাইল ফোনের মোট সিজার মূল্য প্রায় ৭০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ