আজঃ শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

জলাতঙ্ক নির্মূলে কুকুরের টিকাদান কর্মসূচি চালাবে চসিক

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 জলাতঙ্ক নির্মূলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অধীনে ৪১টি ওয়ার্ডে ব্যাপক হারে কুকুরের টিকাদান (এমভিভি) কর্মসূচি আগামী ৭মে থেকে শুরু হয়ে ১১ মে পর্যন্ত প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে। চসিকের ৪১টি ওয়ার্ডের এমডিভি কার্যক্রমে সহযোগীতায় থাকবেন ওয়ার্ডে সচিব, সার্ভেয়র, ভ্যাক্সিনেটর, দক্ষ কুকুর ধরার লোক, ও স্থানীয় দিক নির্দেশনা প্রদর্শন করার লোক। মাইকিং এর মাধ্যমে প্রতিটি ওয়ার্ডে (এমডিভি) কার্যক্রমের প্রচার প্রচারণা করা হবে এবং নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের মধ্যে কুকুর টিকাদানের ক্যাম্প করা হবে। ভ্যাক্সিনকৃত কুকুরকে লাল রং বা লাল ফিতার মধ্যমে চিহ্নিত করা হবে এবং ডিজিটাল মোবাইল এ্যাপের মাধ্যমে প্রতিটি কুকুরের রেকর্ড নিশ্চায়ন করা হবে। গৃহিত এই কার্যক্রমের মধ্যে রোগ ও রোগীর গুরুত্ব বিবেচনা করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ৪১টি ওয়ার্ডে ৪৬টি টিম কাজ করবে। প্রতিটি টিমে কাজ করবে ২জন দক্ষ কুকুর ধরার লোক, ১জন ভ্যাক্সিনেটর, ১জন ডাটা কালেক্টর, ১জন লোকাল দিক নির্দেশনা কর্মী। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ৪১টি ওয়ার্ডে ৪৬টি টিম পর্যবেক্ষন করবেন এমডিভি সুপার ভাইজর, ওয়ার্ড সচিব ও এমডিভি এক্সপার্ট। প্রতিটি ওয়ার্ডে দুপুর ৩টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত পর্যবেক্ষন করা হবে এবং যে সকল কুকুর টিকার আওতায় আসে নাই তা পরবর্তী দিন টিকার আওতায় আনা হবে। গতকাল সোমবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে ব্যাপকহারে কুকুরের টিকাদান (এমডিডি) সম্পর্কীত অবহিতকরণ ও প্রস্তুতিমূলক সভায় এ তথ্য উঠে আসে। সভায় চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদে গেলে দেখি কুকুর খুব আগ্রাসী থাকে এবং দলবদ্ধভাবে প্রায়শ পথচারীদের ধাওয়া করে।
এজন্য জলাতঙ্ক নির্মূলে কুকুর নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান প্রয়োজন। আশা করি এমডিভি কর্মসূচির মাধ্যমে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে জলাতঙ্ক রোগ শতভাগ নির্মূল করা সম্ভব হবে। সভায় প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, কাউন্সিলর হাজী নুরুল হক, ছালেহ আহম্মদ চৌধূরী, জহর লাল হাজারী, নাজমুল হক (ডিউক), হাসান মুরাদ বিপ্লব, মোঃ মোবারক আলী, গাজী মোঃ শফিউল আজিম, আবুল হাসনাত মোঃ বেলাল, মোঃ নুরুল আমিন, মোঃ ইলিয়াছ, মোঃ শেখ জাফরুল হায়দার চৌধুরী, মোঃ আবদুস সালাম মাসুম, আতাউল্লা চৌধুরী, মো. ইসমাইল, নূর মোস্তফা টিনু। সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রন শাখার এমডিজি এক্সপার্ট ডা. সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ মূল কর্মসূচি তুলে ধরেন। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), চট্টগ্রাম ডাঃ মোঃ মহিউদ্দিন, সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ ইলিয়াছ চৌধুরী, মেডিকেল অফিসার (রোগতত্ত্ব) সিভিল সার্জন অফিস, চট্টগ্রাম ডাঃ মোঃ নুরুল হায়দার এবং জেলা প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ নজরুল ইসলাম।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নির্বাচিত হয়ে সংসদে ষাচ্ছেন যে সাত বিজয়ী নারী প্রার্থী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্বাচিত হয়ে সংসদে ষাচ্ছেন যে সাত বিজয়ী নারী প্রার্থী।
১. মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খান রিতা,
২. ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো,
৩. সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা,
৪. ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ,
৫. ফরিদপুর-৩ আসনে নায়াব ইউসুফ কামাল,
৬.নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমিন পুতুল এবং
৭. ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

চট্টগ্রাম-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশার জয়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশার জয়।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ