আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

চসিক’র ২০ তলা আইকনিক নগর ভবনের কাজ শুরু

বিশ্বজিৎ পাল,

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অবশেষে দীর্ঘ ১৪ বছর পর নতুন নগর ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এরমধ্য দিয়ে দীর্ঘ লালিত চসিকের ‘আইকনিক নগর ভবনের’ স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে। গতকাল সোমবার চট্টগ্রামবাসীর বহুল আকাক্সিক্ষত ’আইকনিক’ এই নগর ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। দুপুরে নগরের আন্দরকিল্লায় চসিকের নিজস্ব অর্থায়নে এই নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী। উদ্বোধনকালে মেয়র বলেন, পুরাতন নগর ভবনের স্থানে পার্শ্ববর্তী আরো দু’টি ভবনের স্থান সংযুক্ত করে এই আইকনিক নগর ভবন নির্মাণ করা হবে। তিনটি বেইসমেন্টসহ পুরো নগর ভবন হবে ২১ তলা। এ ভবনের প্রথম ধাপের উদ্বোধন করা হল আজ৷ আমাদের লক্ষ্য ২৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা ব্যয়ের প্রথম ধাপের কাজের অংশ হসেবে ৫-৬ তলা আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করে টাইগারপাস থেকে আন্দরকিল্লায় চলে আসা৷ বাকী অংশ ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হবে৷ স্থায়ী নগর ভবন না থাকায় বিদেশি অতিথিরা আসলে আমাদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হত, নাগরিকদেরও সেবা প্রদান বিঘ্নিত হত৷ এজন্য নিজস্ব ফান্ডে নগর ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি৷ এ ভবনে নাগরিকরা স্বাচ্ছন্দে সেবা নিতে পারবেন৷ এছাড়া এ ভবনের একটি ফ্লোরে চট্টগ্রামের ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরতে গড়ে তোলা হবে জাদুঘর।
জানা গেছে, ২০১০ সালের ১১ মার্চ নগর ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন মেয়র চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। এরপর চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে (চসিক) দুজন মেয়র এবং একজন প্রশাসক দায়িত্ব পালন করলেও অর্থ সংকট, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না পাওয়াসহ বিভিন্ন জটিলতায় সেই উদ্যোগ থমকে ছিল।
চসিকের প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ৩৮ হাজার ৪৯০ বর্গফুট বা ৫৩ দশমিক ৪৫ কাঠা জায়গায় নগর ভবন নির্মাণ করা হবে। প্রণয়ন নামে একটি কনসালটেন্ট ফার্ম ‘আইকনিক’ এ ভবনের এর নকশা করেছে। ভবনের উপরে থাকবে সিটি ক্লক। ভবনের তিন পাশে সাজানো বাগান থাকবে। নির্মাণ করা হবে ফোয়ারা। থাকবে মাল্টিপারপাস হল, কনফারেন্স হল ও ব্যাংকুয়েট হল। তবে পুরো নগর ভবন নির্মাণ করা হবে ধাপে ধাপে। শুরুতে বেইসমেন্টসহ তিনটি ফ্লোর নির্মাণ করা হবে।
চসিকের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাহীন উল ইসলাম চৌধুরী বলেন, নানা জটিলতা কাটিয়ে চসিকের নতুন নগর ভবন নির্মাণকাজ শুরু হচ্ছে। মেয়র মহোদয় এই আইকনিক নগর ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
চসিকের প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ‘তাহের ব্রাদার্স’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এই কাজের জন্য চূড়ান্ত করে চসিক। এ জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২৮ কোটি ২২ লাখ টাকা। প্রকল্পের ডিপিপি অনুযায়ী, আইকনিক নগর ভবনটি হবে ২০ তলা বিশিষ্ট। তবে পুরো ভবনের নির্মাণকাজ একসঙ্গে হবে না। ধাপে ধাপে হবে। প্রথম ধাপের কাজ শেষ হলে দ্বিতীয় ধাপের কাজ শুরু হবে। পুরো ভবনের জন্য দুটি বেজমেন্ট ফাউন্ডেশনসহ তিনটি পার্কিং ফ্লোর থাকবে। এরমধ্যে দুটি পার্কিং ফ্লোর থাকবে আন্ডারগ্রাউন্ডে। ভবনের ওপরে থাকবে সিটি ক্লক। এছাড়া নগর ভবনের তিনপাশে দৃষ্টিনন্দন বাগান থাকবে। সামনে নির্মাণ করা হবে মনোমুগ্ধকর ফোয়ারা। ভবনের কয়েকটি ফ্লোর বাণিজ্যিকভাবে ভাড়া দেয়া হবে। থাকবে মাল্টিপারপাস হল, কনফারেন্স হল ও ব্যাংকুয়েট হল। সবমিলিয়ে চসিকের নতুন এই নগর ভবনকে ‘আইকনিক নগর ভবন’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, নগরীর আন্দরকিল্লায় ১৯৬৪ সালে নির্মিত একটি ভবন চসিকের প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার হতো। ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে উঠায় ২০১০ সালের ১১ মার্চ নতুন নগর ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তবে নানা জটিলতায় এই কাজ আটকে যায়। এরপর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মোহাম্মদ মনজুর আলম ও আ জ ম নাছির উদ্দীনও নতুন নগর ভবন নির্মাণকাজ শুরুর উদ্যোগ নেন। এরই অংশ হিসেবে ২০১৯ সালের ২০ জুন চসিকের প্রধান কার্যালয় টাইগারপাসের অস্থায়ী কার্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়। তবে অর্থছাড় না পাওয়ায় নির্মাণকাজ শুরু করা যায়নি। বর্তমান মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী দায়িত্ব নেওয়ার পর ফের নগর ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেন। জটিলতা এড়াতে তিনি চসিকের নিজস্ব অর্থায়নে নতুন নগর ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এখন তার হাত ধরেই ১৪ বছর আগে দেখা চসিকের ‘আইকনিক নগর ভবনের’ স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে।
সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, চসিকের নিজস্ব অর্থায়নে বহুতল নগর ভবন নির্মাণ করতে যাচ্ছি। চসিকের একসাথে ৩০ কোটি টাকার বেশি কাজ করার সুযোগ নেই। তাই ধাপে ধাপে নগর ভবন নির্মাণকাজ শেষ করব। প্রথমে তিনটি ফ্লোর করব। এরপর বাকি কাজের জন্য দরপত্র আহ্বান করব।
গতকালের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন, কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, হাসান মুরাদ বিপ্লব, শৈবাল দাশ সুমন, মোঃ ইলিয়াছ, মোঃ আবদুস সালাম মাসুম, আতাউল্লা চৌধুরী, রুমকি সেনগুপ্ত, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, প্রধান প্রকৌশলী শাহীন-উল ইসলাম চৌধুরী , তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আকবর আলী, ফরহাদুল আলম, জসিম উদ্দিন, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও এস্টেট অফিসার মোঃ রেজাউল করিম, নির্বাহী প্রকৌশলী ফারজানা মুক্তা, রেজাউল বারী ভূইঁয়া, মীর্জা ফজলুল কাদের, আশিকুল ইসলাম, রিফাতুল করিম, তাসমিয়া তাহসীন, তৌহিদুল ইসলাম, সালমা খাতুন, সহকারী প্রকৌশলী আসীর হামীম।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি – প্রতিমন্ত্রী পুতুল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, সরকার গঠনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ কে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি।সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে পাবনার পদ্মকোল খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, অত্যন্ত ক্রান্তিলগ্নে আমরা দেশের দায়িত্ব পেয়েছি। সরকার গঠনের একমাসও পূর্ণ হয়নি। তবুও এরই মধ্যে বিএনপি সরকার দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, মসজিদ মন্দিরের ইমাম পুরোহিতদের সম্মানী ভাতা ও কৃষি ঋণ মওকুফের মতো উদ্যোগ আমরা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, কৃষি ও কৃষক আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। সেই কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি সহ জীবনমান উন্নয়নের জন্য শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এক সময় খাল থেকে সেচ ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন। তার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান এবার খননের মাধ্যমে খাল কে পুনরুজ্জীবন দিয়ে সেচ ব্যবস্থা কে আরো উন্নত করতে উদ্যোগ নিয়েছেন। এ উদ্যোগের আওতায় সারা দেশে ৫৪টি খাল খনন কর্মসূচির আজ উদ্বোধন হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মরে যাওয়া খালগুলো পানিপ্রবাহ ফিরে পেলে যেমন কৃষি উৎপাদন বাড়বে, তেমনই গ্রামীণ জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। এর ফলে ভূ-উপরিস্থ পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমবে, যা খরা, বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়ক হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য মরে যাওয়া খালগুলো খনন করে জীবন ফিরিয়ে দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই সারা দেশের মতো পাবনায় এ খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্টরা খেয়াল রাখবেন, শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে যেন খাল খনন সম্পন্ন হয়৷

পাবনার জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে খাল খনন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজা হাবিব, পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার, পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার সরকার, পাবনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার ও সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম সহ অনেকেই।

প্রসঙ্গত, পাবনার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর থেকে মন্ডলমোড় পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এই খালটি পাবনা শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতী নদীতে গিয়ে মিশেছে। ৬ ফুট গভীর ও গড় ৪০ ফুট প্রশস্ত করে খালটি খনন কাজ শুরু হচ্ছে।

এই খালটি পূর্ণ খনন হলে পদ্মা থেকে ইছামতিতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে। খালের পার্শ্ববর্তী হেমায়েতপুর ইউনিয়নের জমিগুলো সহজেই সেচ সুবিধা পাবে। এই কর্মসূচির আওতায় এটি ছাড়াও পাবনায় ১০৬ টি খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

 

 

দিনাজপুরে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশব্যাপী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় সাহাপাড়া এলাকায় খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।উদ্বোধন শেষে খালের পাড়ে একটি বৃক্ষ রোপণ করেন তিনি।

সোমবার (১৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১২ টায় কাহারোল উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের সাহাপাড়ায় এই খাল পূনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে দেশের ৫৩টি জেলায় খাল পূনঃখনন কাজের উদ্বোধন করা হয়। সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে।পরে প্রধানমন্ত্রী রহমান তারেক রহমান খালের পারে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি’র মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন এমপি, পানি সম্পদ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী এমপি, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রানমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু এমপি, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি, দিনাজপুর-১ আসনে এমপি মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু, দিনাজপুর-২ আসনে এমপি সাদিক রিয়াজ চৌধুরী, দিনাজপুর সদর আসনের এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৪ আসনের এমপি জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া প্রমূখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি।প্রসঙ্গত, দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া থেকে মুকুন্দপুর পর্যন্ত প্রায় ১২ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সাহাপাড়া খাল পুনঃখননের মাধ্যমে কাহারোল উপজেলার বিস্তীর্ণ কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। এই খাল পুনঃখননের ফলে প্রায় ১২০০ হেক্টর কৃষিজমি সেচের আওতায় আসবে। একই সঙ্গে প্রায় ৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা কমে যাবে বলে আশা স্থানীয়দের।

এরপরে বিকেল সাড়ে তিনটায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর গোরস্তানে যাবেন। সেখানে তিনি তার নানা মরহুম মো. ইস্কান্দার মজুমদার, নানি মরহুমা তৈয়বা মজুমদার এবং খালা খুরশীদ জাহান হকসহ (চকলেট) নিকট আত্মীয়দের কবর জিয়ারত করবেন।

তারপরে গোর এ শহীদ বড় ময়দানে আয়োজিত সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে দিনাজপুরের সফর শেষ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ