আজঃ শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

হজ যাত্রীদের ভিসা অনুমোদনের সময় বাড়াতে সৌদি আরবের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

ডেস্ক নিউজ:

ধর্ম ও দর্শন:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হজ যাত্রীদের সবাই যাতে পবিত্র হজ পালন করতে পারেন সেজন্য ভিসা অনুমোদনের সময় বাড়াতে সৌদি আরবের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

সোমবার (১৩ মে) সকালে বাংলাদেশে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসুফ ঈসা আল দুহাইলান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাত করতে এলে তিনি এই আহবান জানান।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো.নজরুল ইসলাম তাঁকে (প্রধানমন্ত্রী) উদ্ধৃত করে বলেন, ‘সৌদি আরবের উচিত হজ যাত্রীদের জন্য ভিসা অনুমোদনের সময় বাড়ানো যাতে, তারা পবিত্র হজ পালন করতে পারেন।’
নজরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হজ যাত্রীদের ভিসা অনুমোদনের সময় বাড়ানোর বিষয়টি উত্থাপন করেছেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, যে সব হজ যাত্রী এখনো হজ পালনের জন্য ভিসা পান নি তাদের ভিসা প্রদানের উদ্যোগ নিচ্ছেন তিনি।
বিভিন্ন জটিলতায় সৌদি আরব থেকে এখনও ভিসা পান নি ১০ হাজারের বেশি হজ যাত্রী।
সৌদি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নে তার দেশের বিনিয়োগকারী ও কোম্পানির আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং সে সব প্রকল্পের একটি তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।
জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, যাচাই-বাছাই এবং পরীক্ষা শেষে বাংলাদেশ পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
এ প্রসঙ্গে তিনি তাকে আশ্বস্ত করেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।
ফিলিস্তিন ইস্যু প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ফিলিস্তিনি জনগণের সহায়তার জন্য আরেকটি চালান প্রস্তুত করছে এবং ইতোমধ্যে তাঁর দেশ দুইবার সহায়তা পাঠিয়েছে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং তার কয়েকটি মিত্র ছাড়া পুরো বিশ্ব ফিলিস্তিনের সাথে রয়েছে।
সৌদি রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, তার দেশে প্রায় ৩২ লাখ বাংলাদেশি রয়েছেন যারা বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন।
প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশিদের বৈধ পন্থায় ঢাকায় রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করার পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, অ্যাম্বাসেডর এ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক মনজিলে হুজুর গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী (কঃ)’র মহান চাহরম শরীফ অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান ১০ মাঘ ওরশ মোবারকের বদৌলতে এই বিশ্ববাসীর উপর, বাংলাদেশের উপর,মুসলিম উম্মাহর উপর আল্লাহর রহমত বর্ষণের প্রার্থনা করেছেন হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভান্ডারী (মাঃ)

মহান ১০ মাঘ, ইমামুল আউলিয়া হযরত শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ‘র পবিত্র উরস্ ওরশ মোবারকের বদৌলতে এই বিশ্ববাসীর উপর , এই বাংলাদেশের উপর, মুসলিম উম্মাহর উপর রহমত বর্ষণ করার জন্য আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেছেন মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিল-এর সম্মানিত সাজ্জাদানশীন রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মাঃ)।

মহান ১০ মাঘ ইমামুল আউলিয়া হযরত শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (কঃ)’র পবিত্র ১২০তম বার্ষিক উরস্ শরীফের চাহরম শরীফ উপলক্ষে বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ‘র মাজার শরীফে কেন্দ্রীয় মিলাদ কিয়াম শেষে অনুষ্ঠিত মোনাজাতে তিনি এই ফরিয়াদ জানান।

তিনি পবিত্র চাহরম শরীফকে মাইজভাণ্ডার শরীফ দরবারের ঐতিহ্যবাহী উর্ফ বা প্রথা উল্লেখ করে এই চাহরম শরীফের ফলার ফাতেহার তবাররুকাতে সকলের রুহানি-জিসমানী বিমারীর শেফা দান করার জন্য তিনি আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানান।

তিনি হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ‘র মহান আদর্শকে,মানবাত্মার উন্নয়নের আদর্শ ও সমাজ উন্নয়নের আদর্শ উল্লেখ করে এই আদর্শ যাতে দিকে দিকে পৌঁছে দিতে পারে, উপযুক্তভাবে উপস্থাপন করতে পারে,সেই তৌফিক কামনা করে তিনি আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানান। এই উপস্থাপনের মাধ্যমে বিশ্বঅলি শাহান শাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ‘র আশেকগণ যাতে সমাজের কল্যাণ সাধন করতে পারে,দেশ দশের কল্যাণ সাধন করতে পারে তিনি আল্লাহর কাছে সেই তৌফিক কামনা করেন।

তিনি এ মহান ত্বরীকা-র অনুসরণ করে আল্লাহর বান্দারা যে অগণিত দ্বীনি-সামাজিক-মানবিক কর্মসূচিগুলো,অনুষ্ঠান প্রতিষ্ঠান গুলো আয়োজন করে চলেছে,গড়ে তুলেছে, পরিচালনা করে চলেছে, সেই সমস্ত খেদমতকে কবুল করার জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা জানান।

তিনি মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ-এর সমস্ত খেদমতকে কবুল করার জন্য আল্লাহ সুবহানাহুতাআলার কাছে ফরিয়াদ জানান।পরিশেষে আগত অগণিত আশেক-ভক্ত-জায়েরীণদের তবাররুকাত পরিবেশন করা হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ