পর্যটকদের জন্য রবি নিয়ে এলো এক্সক্লুসিভ ‘ট্যুরিস্ট সিম’ প্যাকেজ

টিটু বড়ুয়া সুরঞ্জিত নির্বাহী সম্পাদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উষ্ণ আতিথেয়তায় বাংলাদেশে ভ্রমণকারীদের স্বাগত জানাতে রবি নিয়ে এসেছে একটি বিশেষ সুবিধা সম্পন্ন ‘ট্যুরিস্ট সিম’ প্যাকেজ। এই সিম প্যাকেজটি বিশেষভাবে পর্যটকদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যাতে তারা বাংলাদেশের আগমন থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত একটি অবিচ্ছিন্ন সংযোগ সুবিধা উপভোগ করতে পারেন।

প্যাকেজটি সারা বাংলাদেশে রবির শক্তিশালী ৪.৫জি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পর্যটকদের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কল, এসএমএস এবং ডেটা ব্যবহারসহ বিস্তৃত সেবা প্রদান করবে। পর্যটকরা প্যাকেজের মেয়াদ নির্বাচন করতে পারবেন তাদের প্রয়োজনমতো সময়কালের জন্য, যেমন ৭ দিন, ১৫ দিন বা ৩০ দিন।

রবি এই প্যাকেজের মাধ্যমে পর্যটকদের প্রতিযোগিতামূলক অফার এবং বিশেষ সুবিধাগুলি প্রদান করে পর্যটন অভিজ্ঞতা উন্নত করতে চেষ্টা করছে। ট্যুরিস্টদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে রবি একটি সহজ ক্রয় পদ্ধতি উপলব্ধ করেছে এই সিমটি পেতে। শুধুমাত্র *৮০০০# ডায়াল করে পর্যটকরা পছন্দমতো সেবা নিতে পারবেন।

রবি ট্যুরিস্ট সিম প্রাথমিকভাবে সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ সব বন্দরে অবস্থিত রবি সেবায় পাওয়া যাবে। এই সেবা কেন্দ্রগুলো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন, সমুদ্র বন্দর এবং স্থল বন্দরগুলির কাছে স্থাপন করা হয়েছে, যাতে পর্যটকেরা বাংলাদেশে আগমনের পরে সহজেই সিমটি পেতে পারেন।

টিটু বড়ুয়া সুরঞ্জিত নির্বাহী সম্পাদক বাংলা খবর পত্রিকা 01619979222

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শিক্ষা কার্যক্রম চালু নিয়ে অনিশ্চয়তা, সেশনজটের শঙ্কা অচল চুয়েট, ৮৬৪ ক্লাস বাতিল


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শুরু হওয়া অচলাবস্থার এক মাস পেরিয়েছে। সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টানা আন্দোলনে স্থবির হয়ে আছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। উপাচার্য পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে এই অচলাবস্থায় আগামী ২৫ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় খোলার কথা থাকলেও শিক্ষা কার্যক্রম চালু নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে বাতিল হয়েছে ৩৩টি পরীক্ষা ও ৮৬৪টি ক্লাস। সংকট নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করলেও এখনো কোনো বৈঠক হয়নি। এদিকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শাটডাউন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণায় অনড় রয়েছেন শিক্ষার্থীরা। নতুন উপাচার্যের ক্যাম্পাসে ফেরা এবং শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের বিষয়েও এখনো কোনো সমাধান আসেনি।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মাহমুদুল হক খন্দকার নিশ্চিত করেছেন, টানা আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫টি অনুষদের ১২টি বিভাগে মোট ৩৩টি পরীক্ষা ও ৮৬৪টি নিয়মিত ক্লাস বাতিল হয়েছে। এতে সেশনজটের শঙ্কায় পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।
চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অরিন্দম দাশ বলেন, এক মাস ধরে আন্দোলন চলছে, এখনো ওপর মহলের ঘুম ভাঙছে না। আমরা সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই। ক্লাসে ফিরতে চাই। পূজার ছুটিতে শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল ছেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে ক্যাম্পাস অনেকটাই ফাঁকা। আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে নিয়মিত কর্মদিবস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা অনিশ্চতার মধ্যে রয়েছি।

এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে চুয়েটের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে সে রাতেই বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় সর্বাত্মক ‘শাটডাউন’। পরে শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও এই আন্দোলনে যুক্ত হয়ে কর্মবিরতিতে যান।

টানা অচলাবস্থার মধ্যে গত ১২ অক্টোবর তালা ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। এ সময় আন্দোলনকারীদের হাতে তিনি অবরুদ্ধ হন। প্রায় ৩৪ ঘণ্টা পর ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত ১৬ অক্টোবর অনলাইনে চুয়েটের ১৪৫তম জরুরি সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৫ সদস্যের সিন্ডিকেটের মাত্র ছয়জনের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় সংকট নিরসনে নিরপেক্ষ পরামর্শক কমিটি গঠনের সুপারিশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯ অক্টোবর ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক আবদুল্লাহ-আল-মামুনকে প্রধান করে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে বুয়েট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি রাখা হলেও চুয়েটের কোনো শিক্ষককে রাখা হয়নি।কমিটি গঠনের কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো বৈঠক হয়নি। এ বিষয়ে জানতে কমিটির প্রধান অধ্যাপক আবদুল্লাহ-আল-মামুনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ ইলাহী চৌধুরী বলেছেন, কমিটির আহ্বায়ক এখনো কোনো সভা ডাকেননি। সভা হলে বোঝা যাবে কী উপায়ে সংকট নিরসন হতে পারে। কমিটিতে চুয়েটের শিক্ষক না থাকার বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘প্রয়োজন হলে কমিটিতে চুয়েটের কাউকে যুক্ত করে নেওয়া যেতে পারে।

যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট নিরসনে কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেখানে সংশ্লিষ্ট পক্ষের কাউকে না রাখার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চুয়েট শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সামিউন বাসির। অন্যদিকে পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মইনুল ইসলাম বলেছেন, তারা আগের দাবিতেই অনড় আছেন এবং নতুন উপাচার্যের সঙ্গে কাজ করবেন না। তবে শিক্ষার্থীরা যাতে পিছিয়ে না পড়েন, সে জন্য আগামী রোববার ক্যাম্পাস খোলার পর শিক্ষকদের নিয়ে বসে ক্লাস-পরীক্ষা সচলের বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

অনুষ্ঠানে শিল্পা শেঠিকে দেখা যায় আশ্চর্যজনক খুঁজছেন!


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনুষ্ঠানে শিল্পা শেঠিকে দেখা যায়
আশ্চর্যজনক খুঁজছেন!

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ