আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রাম চন্দনাইশ উপজেলা নিবার্চন

রিটার্নিং কর্মকর্তার সামনেই ভোটে জিততে ‘লাশ ফেলার হুমকি

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে রিটার্নিং কর্মকর্তার সামনেই ভোট জিততে প্রয়োজনে ‘এক শ লাশ ফেলার’ হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আবু আহমেদ চৌধুরী নামের ওই প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। আবু আহমেদ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আবু আহমেদ ছাড়া ও এই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আহম্মদ হোসেন এবং জসীম উদ্দিন আহমেদ নামে এক প্রবাসী। চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে ভোট গ্রহণ আগামী ২৯ মে। গত ১৩ মে সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে প্রার্থীদের উপস্থিতিতে প্রতীক বরাদ্দ দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম প্রামানিক। ৪ প্রার্থীই আনারস প্রতীক চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা লটারির মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দ দেন। সেখানেই আবু আহমেদ চৌধুরী জুনু প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জসিম উদ্দীন আহমেদের প্রতিনিধিকে এই হুমকি দেন বলে অভিযোগ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জসীম উদ্দিন আহমেদ বলেন, তিনি (আবু আহমেদ চৌধুরী জুনু) রিটার্নিং কর্মকর্তার সামনে আমার প্রতিনিধিকে লক্ষ করে বলেন, প্রয়োজনে ১০০ লাশ ফেলব। তার পরও আমি চেয়ারম্যান হব। এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দেন প্রবাসী জসীম উদ্দিন আহমেদ । এরপর আবু আহমেদ চৌধুরীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানো নোটিশে বলা হয়, ‘চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থীই একই প্রতীক চাওয়াতে সবার সম্মতিতে লটারির মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতীক বরাদ্দের পর বেলা ১টা ৪০ মিনিটের সময় আপনি আবু আহমেদ চৌধুরী অপর প্রার্থী জসীম উদ্দিন আহমেদের প্রতিনিধিকে ১০০ লাশ ফেলে দেব এবং নির্বাচনের সময় দেখে নেওয়া হবে মর্মে হুমকি প্রদর্শন করেন। আপনার এমন বক্তব্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা ২০১৬–এর ১৮ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবু আহমেদ চৌধুরী জুনু বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ। আমি বলেছি, আমি নিজের জীবন দিয়ে ভোটের পরিবেশ রক্ষা করব। আমি নোটিশের জবাব দিয়েছি। নোটিশের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রাকিবুজ্জামান জানান , ‘প্রতীক বরাদ্দের পর আমাদের সামনে জসীম উদ্দিন আহমেদ এর প্রতিনিধিকে হুমকি দেন আবু আহমেদ চৌধুরী । এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কেন নেওয়া হবে না, তা উল্লেখ করে নোটিশ দেওয়া হয়। এখনো জবাব হাতে পাইনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ