বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষার্থীদের সংগঠন দরদির নতুন কমিটি গঠন

ইব্রাহীম হোসেন দেবহাটা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সারাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষার্থীদের সংগঠন দরদি’র ১১৯সদস্য-বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১৭মে সন্ধ্যায় রাজধানীর ‘ইউরো এশিয়ানো রমনা গ্রিন রেস্টুরেন্টে’ ১বছর মেয়াদি এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়৷ দরদি’র ২০২৪-২৫ কার্যনির্বাহী এ কমিটিতে সাকিব হোসেন সভাপতি হিসেবে এবং জি এম আবু রাহাত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দরদি’র কার্যক্রমের অন্যতম দুটি লক্ষ্য হলো- শিক্ষাসহায়তামূলক ও সমাজসেবামূলক। ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে তাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত আছে।সংগঠনের কমিটি গঠনকালে নব-গঠিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সবার সাথে সমন্বয় করে, শিক্ষা ও সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে দরদি সংগঠনকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এই সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দরদি’র ২৩-২৪ কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি নাসিম হাসান, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান, দরদির প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল্লাহ আল মামুন, দরদির কার্যনির্বাহী উপদেষ্টা ও ঢাকা মেট্রোপলিটন আনসার ডিএমপি জোনের জোন কমান্ডার মোঃ সাহাদাত হোসেন বিভিএম এবং দরদির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

দরদির ২০২৪-২৫ কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে মোস্তাক আহমেদ অপু এবং সহ-সভাপতি পদে সাগর দত্ত, রাশেদ মাহমুদ, তানজিদ আহমেদ, শাকিল মাহমুদ, শামীম হোসেন, মাহমুদ হাসান শাওন, মো: সাঈদুর রহমান সাঈদ, মো: হাবিবুর রহমান, উম্মে সালেহা উমাইয়া, শেখ মাসুম বিল্লাহ , মো: আল ফারিয়ার সুজন ও মো: আলমগীর হোসাইন নির্বাচিত হয়েছেন।সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে শাহরিয়ার আমিন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নাজমুল হাসান, আরিফ বিল্লাহ, মেহেদি হাসান, চিরঞ্জিত ঘোষ, জান্নাতুল ফেরদৌস লিজা, শারমিন সুলতানা, সাগর ঘোষ, মো: আব্দুল কাদের ও মাসুদ পারভেজ নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়াও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো: আল আমিন ও সহ-সাংগঠনিক হিসেবে মেজবাহুত তামান্না, মো: তারিকুল ইসলাম, অসীম কুমার বুধুই, স্বরজীৎ দাশ, আবিদুর রহমান, মোস্তাক আহম্মেদ তন্ময় ও মো: মারুফ হাসান নির্বাচিত হয়েছেন। দপ্তর সম্পাদক হিসেবে মো: আল আমিন হোসেন এবং উপ দপ্তর সম্পাদকে কায়েস হোসেন জয় নির্বাচিত হয়েছেন। অর্থ সম্পাদকে নয়ন পাল এবং উপ অর্থ সম্পাদকে ফারদীন হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকে মোতালেব হোসেন সোহান এবং উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকে মেহেদী হাসান নির্বাচিত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকে তৌফিক হাসান এবং উপ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকে মো: মিজানুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। স্থানীয় সরকার ও গণ-যোগাযোগ সম্পাদকে ইমরান হোসেন শান্ত এবং উপ স্থানীয় সরকার ও গণ-যোগাযোগ সম্পাদকে মোহাম্মদ মুস্তাহিদ নির্বাচিত হয়েছেন। সাহিত্য সম্পাদকে তাসনিয়া রহমান এবং উপ সাহিত্য সম্পাদক: সাগরিকা দাশ নির্বাচিত হয়েছেন। সাংস্কৃতিক সম্পাদকে আফিফা নাজনীন এবং উপ সাংস্কৃতিক সম্পাদকে জান্নাতুন নাহার নির্বাচিত হয়েছেন। তথ্য-প্রযুক্তি সম্পাদকে হাসানুল বান্না এবং উপ তথ্য-প্রযুক্তি সম্পাদকে শাওন হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন। শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদকে ইমতিয়াজ আহমেদ শুভ এবং উপ শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদকে নাজিমুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিষয়ক সম্পাদকে তাছনিম জাহান বৃষ্টি এবং উপ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিষয়ক সম্পাদকে আয়েশা আক্তার অন্তরা নির্বাচিত হয়েছেন। ক্যারিয়ার ও কাউন্সিলিং সম্পাদকে শিহাব জুহুরী আবির এবং উপ ক্যারিয়ার ও কাউন্সিলিং সম্পাদকে মো: রাকিব হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া সমাজসেবা সম্পাদকে রুহিনা আক্তার হেনা এবং উপ সমাজসেবা সম্পাদকে মমতাজ পারভীন নির্বাচিত হয়েছেন। আইন সম্পাদকে গাজী আবিদ হাসান এবং উপ আইন সম্পাদকে অমিত কুমার বিশ্বাস নির্বাচিত হয়েছেন। আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদকে সাখাওয়াত ইমরান এবং উপ আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদকে শানজিদা করবী মিশু নির্বাচিত হয়েছেন। ছাত্রবৃত্তি সম্পাদকে কৃষ্ণা ঘোষ এবং উপ ছাত্রবৃত্তি সম্পাদকে ফারজানা আক্তার নির্বাচিত হয়েছেন। দুর্যোগ ও ত্রান ব্যবস্থাপনা সম্পাদকে অভিজিৎ দত্ত এবং উপ দুর্যোগ ও ত্রান ব্যবস্থাপনা সম্পাদকে সবুজ গাজী নির্বাচিত হয়েছেন। যুব ও ক্রীড়া সম্পাদকে মাসুদ শাহরিয়ার রাকিব এবং উপ যুব ক্রীড়া সম্পাদকে সুজয় কুমার মৈত্র নির্বাচিত হয়েছেন। কর্মসূচি বিষয়ক সম্পাদকে সাগর বিশ্বাস রোহান এবং উপ কর্মসূচি বিষয়ক সম্পাদকে সুদীপ্ত কুমার মন্ডল নির্বাচিত হয়েছেন। ছাত্রীবিষয়ক বিষয়ক সম্পাদকে তিথি রাণী ঘোষ এবং উপ ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদকে তাহেরুন নাহার তিপ্তি নির্বাচিত হয়েছেন।
এছাড়া কমিটি সহ সম্পাদক হিসেবে ১৯ জন এবং কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে আছেন ২৯ জন সদস্য।

দরদি’র সকল সদস্য, কার্যনির্বাহী উপদেষ্টা ও শুভানুধ্যায়ী নব-গঠিত কমিটির সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে অদম্য রাব্বির গল্প পা দিয়ে লিখে এইচএসসিতে জিপিএ-৫

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিগত ১০ বছর আগে স্কুলে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনায় দু হাত হারানো রফিকুল ইসলাম রাব্বি সকল স্বাভাবিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাফল্য অর্জন করতে প্রস্তুত ছিলেন। এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পা দিয়ে লিখে জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনি। বিশেষ করে পড়ালেখার প্রতি অদম্য ইচ্ছে ও অধ্যবসায় রাব্বিকে পৌঁছে দিয়েছে সাফল্যের সিঁড়িতে। দুই হাত না থাকার পরও তিনি দমে যাননি।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী এলাকার বাসিন্দা মো. রাব্বি। দুই ভাইয়ের এক বোন। তার বোন রোকেয়া আকতারও এবার ভাটিয়ারী বিজয় সরনী কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। বোনও পাস করেছেন। তবে ফলাফলে তিনি রাব্বির চেয়ে পিছিয়ে রয়েছেন। রাব্বির সাফল্যে খুশি পরিবার ও প্রতিবেশী।
চলতি বছর চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে চট্টগ্রাম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন রাব্বি।। এর আগে এসএসসিতেও একইভাবে পা দিয়ে লিখে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন তিনি। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তার পথ আটকে রাখতে পারেনি।

জানা গেছে, রাব্বির পথচলা এত সহজ ছিল না। ২০১৬ সালে স্কুলে যাওয়ার সময় এক দুর্ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। তার দুই হাত কেটে ফেলতে হয়। তখন রাব্বি পঞ্চম শ্রেণিতে পড়তেন। এর পরও দমে যাননি তিনি। পা দিয়ে লেখা অনুশীলন করতে থাকেন। একসময় তা রপ্ত করেন। এরপর পুনরায় স্কুলে যাওয়া শুরু করেন। এর মধ্যে কয়েকবছর নষ্ট হয় তার। তবুও ২০২৪ সালে এসএসসিতে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন রাব্বি। তখন পাড়া প্রতিবেশী বুঝতে পারেন রাব্বি হেরে যাওয়ার পাত্র নন।

পা দিয়ে লিখে এসএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করে দেশজুড়ে আলোচনায় আসেন রাব্বি। তার অসাধারণ সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মহলের মানুষ তার পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন। কেউ পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন, কেউ আবার নানা সহযোগিতার কথা জানান। তবে দুঃখজনকভাবে, সেই প্রতিশ্রুতির অধিকাংশই বাস্তবে রূপ নেয়নি।

অভাব-অনটনের সংসারে রাব্বির এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে পরিবারের নিরলস সংগ্রাম। তার বাবা বজলুর রহমান ও মা দুজনেই দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কাজ করে সংসার চালান। সীমিত আয়ের মধ্যেও ছেলের পড়াশোনা চালিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন তারা।তবে এই কঠিন পথচলায় কয়েকজন মানুষের সহযোগিতা রাব্বির জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে।

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) গবেষক ও চিকিৎসক ফেরদৌস কাদেরী ব্যক্তিগত উদ্যোগে তার পড়াশোনার ব্যয় বহন করে আসছেন। অন্যদিকে স্থানীয় শিক্ষক মো. ওসমান বিনা পারিশ্রমিকে তাকে কোচিং করিয়ে সহযোগিতা করছেন। ভবিষ্যৎ নিয়ে রাব্বির স্বপ্ন আরও বড়। উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে বিজ্ঞানী হতে চান তিনি।

২২ বছর পিছিয়ে গেল চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড, কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে উচ্চমাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে। এই বোর্ডে পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থ। গতবার পাসের হার ছিল ৫২ দশমিক ৫৭। জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬ হাজার ৯৭ জন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে ফলাফল ঘোষণার সময় এ তথ্য জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আব্দুল মান্নান, সচিব প্রফেসর মোহাম্মদ জহিরুল হক স্বপন প্রমুখ।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেন। সব মিলিয়ে এবার পরীক্ষার্থী ছিলেন ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন। ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, চট্টগ্রাম নগরে পাসের হার ৬৬ দশমিক ২০ শতাংশ। আর নগর বাদে জেলায় পাসের হার ৪৫ দশমিক ৫৯। তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে রাঙামাটিতে পাসের হার ৩৩ দশমিক ২৪ শতাংশ। খাগড়াছড়িতে ২৯ দশমিক ৮৫ ও বান্দরবানে ৪১ দশমিক ৪২। অন্যদিকে কক্সবাজার জেলায় পাসের হার ৪৩ দশমিক ৩৪।বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৭৪ দশমিক ৪২। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৫৪ দশমিক ১৪ ও মানবিকে ৩৮ দশমিক ৩১।

এদিকে গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে। গত ২২ বছরের মধ্যে এটিই বোর্ডটির সর্বনিম্ন পাসের হার। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও গত বছরের তুলনায় অর্ধেকের বেশি কমেছে।
বোর্ডের সংরক্ষিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সর্বশেষ ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ। এরপর ২০০৫ সালে পাসের হার ছিল ৫৫ দশমিক ৫ শতাংশ। গত ২২ বছরে পাসের হার আর এত নিচে নামেনি। এমনকি করোনা-পরবর্তী ২০২১ সালে পাসের হার ছিল ৮৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ৮০ দশমিক ৫০ শতাংশ।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট নিবন্ধিত পরীক্ষার্থী ছিলেন ৯৯ হাজার ৮৭৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৯৬ হাজার ৩৩৫ জন। পাস করেছেন ৫০ হাজার ১৬৬ জন।পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে এবারও ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা এগিয়ে। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৪ হাজার ৬৭১ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছেন ২৯ হাজার ৮২২ জন। তাদের পাসের হার ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। অন্যদিকে, ৪১ হাজার ৬৬৪ ছাত্রের মধ্যে পাস করেছেন ২০ হাজার ৩৪৪ জন। তাদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ।

এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৬ হাজার ৯৭ জন। ২০২৪ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১০ হাজার ২৬৯ জন। অর্থাৎ, দুই বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি থেকে কমে ৩ হাজারের নিচে নেমেছে। এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রী ১ হাজার ৫৯৬ জন এবং ছাত্র ১ হাজার ৩৩৩ জন।
এবার বোর্ডের অধীন ২৮৩টি কলেজের মধ্যে তিনটি কলেজের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। গত বছর এমন কলেজের সংখ্যা ছিল পাঁচটি। অন্যদিকে, শতভাগ পাস করেছে মাত্র ছয়টি কলেজ। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা ছিল আটটি এবং ২০২৪ সালে ১৩টি।এ ছাড়া এবার এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ২২ হাজার ১১৪ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর ২২ দশমিক ৯৬ শতাংশ। পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার হয়েছেন ২৭ জন।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ