আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে কিশোরকে ব্ল্যাকমেইল, এরপর অপহরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে এক কিশোরের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় নগদ আড়াই লাখ টাকা ও তার মায়ের সোনার গহনা। এতেও ক্ষান্ত হয়নি। আরও টাকার জন্য কিশোরকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে তরুণদের সমন্বয়ে গড়ঠা চক্রটি। জানা গেছে, কিশোর বয়সী স্কুলছাত্রের সহপাঠীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা জেনে ফেলে একই এলাকার উঠতি বয়সের কিছু তরুণ। সেই তথ্য অভিভাবককে জানিয়ে দেওয়ার কথা বলে ফাঁদ পাতে তারা। এদিকে ওই কিশোরকে ব্ল্যাক মেইল ও পরে অপহরণের খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান শুরু করে। শেষপর্যন্ত কিশোরকে ছেড়ে দিলেও পাঁচ তরুণের ঠাঁই হয়েছে থানায়।গ্রেফতার পাঁচজন হলো- মো. রাকিব, মো. সাকিব, মো. সালমান, মো. জাহিদ ও মো. বাবু। তাদের সবার বয়স ২০ থেকে ২২ বছরের মধ্যে। বাসা নগরীর সরাইপাড়া এলাকায়।
জানা গেছে, স্কুল থেকে বাসায় ফেরার পথে নগরীর পাহাড়তলী থানার সরাইপাড়া সিটি করপোরেশনের উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের গলি থেকে অপহরণের শিকার হয় ওই কিশোর। বিকেল ৩টার দিকে তাকে পাহাড়তলী চাল গুদামের গলিতে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ সময় দুইজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তাদের তথ্যে পাহাড়তলী থানা পুলিশ আরও তিনজনকে আটক করে।
জানা গেছে, অপহরণের শিকার কিশোরর বাসাও একই এলাকায় এবং সে সরাইপাড়া সিটি করপোরেশনের উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। দুই মাস আগে তার সঙ্গে সহপাঠীর প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি জেনে যায় রাকিব ও সাকিব। তারা বিষয়টি কিশোরের মা-বাবাকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। কিশোর না জানানোর অনুরোধ করলে তারা তিন লাখ টাকা দাবি করে।
ভয় পেয়ে ওই কিশোর বাসা থেকে চুরি করে নিজের মায়ের সোনার গলার চেইন, তিনটি সোনার আংটি, এক জোড়া কানের দুল ও দুটি রূপার চেইন নিয়ে তাদের হাতে তুলে দেয়। এরপর দফায় দফায় বাসা থেকে চুরি করে আরও আড়াই লাখ টাকা তাদের হাতে দেয়। কিন্তু রাকিব-সাকিবসহ তরুণরা আরও টাকা দাবি করতে থাকে। ওই কিশোর আর টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে গত বুধবার স্কুলছুটির পর তাকে ছোরার ভয় দেখিয়ে সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নেয়।
কিশোরের মা রোজিনা আক্তার বলেন, বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আমাকে একজন ফোন করে বলে, তোমার ছেলে আমাদের কাছে আছে, ৪০ হাজার টাকা দিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে, না হলে জবাই করে মেরে ফেলা হবে। আমি বললাম, আমার ছেলে কোথায় আছে বল, তোমরা ওর কোনো ক্ষতি করবে না, আমি টাকা দেব। তারা জানায়, সিআরবিতে আছে। আমি টাকা নিয়ে আসছি বলার পর লাইন কেটে দেয়। কিছুক্ষণ পর আবার ফোন করে বলে, ৩০ হাজার টাকা বিকাশে পাঠাতে। আমি কোনোভাবেই বিকাশে টাকা পাঠাতে রাজি হইনি।
তারা আমার ছেলেকে খুন করবে, কিডনি বিক্রি করে দেবে বলে আমাকে ভয়ভীতি দেখায়। ততক্ষণে আমি টাকা নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যাই। টেক্সিতে করে সিআরবি যাবার পথে আবার ফোন আসে। তারা আমাকে পাহাড়তলী চালের গুদামের গলিতে যেতে বলে। আমি সেখানে গিয়ে দেখি, রাকিব আমার ছেলেকে ধরে দাঁড়িয়ে আছে। আমি রাকিবকে চিনতে পারি। তাকে আমি একটা থাপ্পড় দিই। তখন সেখানে লোকজন জড়ো হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর সাকিব আসে। পুলিশও আসে। সেখান থেকে রাকিব-সাকিবকে নিয়ে যায় পুলিশ।
নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (পশ্চিম) নিহাদ আদনান তাইয়ান বলেন, অপহরণের ঘটনা জানার পর কিশোরের মা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করে। আমরাও কিশোরকে উদ্ধারে নেমে পড়ি। এলাকার যে তরুণরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা বুঝতে পারেনি সেটা এতদূর গড়াবে। তারা একপর্যায়ে কিশোরকে মায়ের হাতে তুলে দেয়। আমরা তখন তাদের গ্রেফতার করি। আসলে রাকিব ও সাকিব এ ঘটনার মাস্টারমাইন্ড। বাকি তিন তরুণ তাদের সহযোগিতা করেছে বলে আমাদের তথ্য দিয়েছে। উঠতি বয়সের এসব তরুণ এলাকায় ছোটখাট নানা ধরনের অপরাধে জড়িত।
বাসা থেকে সোনার গহনা ও টাকা চুরি হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছিলেন কি না, এ প্রশ্নের জবাবে কিশোরের রোজিনা আক্তার বলেন, যখন আমার ছেলে বাসার আলমিরা থেকে আড়াই লাখ টাকা ও প্রায় দেড় লাখ টাকার গহনা নিয়ে যায়, তখন আমি বাসায় ছিলাম না। আমার মা মারা যাওয়ায়, আমি মায়ের বাড়িতে ছিলাম। সপ্তাহখানেক আগে আমি টাকা নিতে গিয়ে দেখি, সেগুলো নেই। আমার গহনাও নেই। তখন আমি বিষয়টি আমার স্বামীকে জানাই। এটা নিয়ে আমার পরিবারে অনেক অশান্তি হয়। পরে আমার ছেলে ঘটনা আমাদের খুলে বলে।
কিশোরের বাবা পোশাক কারখানার কর্মকর্তা মো. মুরাদ বলেন, আমার দুই ছেলে। আমার স্ত্রী সংসার খরচের টাকা থেকে অনেক কষ্ট করে অল্প অল্প করে কিছু টাকা জমিয়েছিল। রাকিব আমাদের বলেছে, সে এবং সাকিব মিলে গহনাগুলো বিক্রি করে দিয়েছে। নগদ আড়াই লাখ টাকাও তারা পাঁচজন মিলে ভাগ করে নিয়েছে। গ্রেফতার পাঁচ তরুণকে কিশোরের মা রোজিনা আক্তারের দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপ পুলিশ কমিশনার নিহাদ আদনান তাইয়ান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাবার বন্ধুদের কাছে পেয়ে সম্মান জানাতে ভুললেন না প্রতিমন্ত্রী পুতুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি সফরে পাবনা এসে বাবার বাল্যবন্ধুদের সান্নিধ্যে আবেগতাড়িত হলেন প্রয়াত সমাজকল্যান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে বর্তমান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

সোমবার দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসে বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক রবিউল ইসলাম রবি, প্রফেসর শিবজিত নাগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেবী ইসলাম ও অধ্যক্ষ মাহাতাব বিশ্বাসকে দেখে ছুটে কাছে যান এবং পরম শ্রদ্ধায় দোয়া চান প্রতিমন্ত্রী পুতুল। এ সময় মাথায় হাত দিয়ে স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেন বাবার বন্ধুরা। এরপর পাবনার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের কৈশোর তারুণ্য কেটেছে পাবনায়। তিনি পাবনার সাবেক এমপি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এডভোকেট আমিনউদ্দিনের ভাতুষ্পুত্র। শহীদ আমিনউদ্দিনের মধ্য শহরের পুষ্পালয় নামক বাড়িতেই ফজলুর রহমান পটল থাকতেন ও ছাত্র রাজনীতি, মুুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। সে সময়ের তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কয়েকজন জীবিত আছেন। পাবনা প্রেসক্লাব প্রতিমন্ত্রী পুতুলের অনুরোধে তার পিতার বন্ধুদের প্রেসক্লাবে আমন্ত্রন জানান। পিতার বন্ধুদের কাছে পেয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বিনয় ও সম্মান দেখিয়েছেন তা সত্যিই অনুকরণীয়।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক জীবনের কর্মক্ষেত্রে যেখানেই যাই, শুনতে পাই- ও আচ্ছা তুমি পটলের মেয়ে, পটল ভাইয়ের মেয়ে? আমার এগিয়ে যাবার প্রধান নিয়ামক আমার বাবা। আমার বাবা যাদের হাতে হাত মিলিয়ে আড্ডা দিয়েছেন, সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করেছেন। আজ তাদের হাতের স্নেহের পরশ পেয়েছি। সন্তান হিসেবে এটি আমার জন্য ভীষণ সৌভাগ্যের।

পাবনা প্রেসক্লাবের ঐহিত্য ও প্রয়াত সংবাদকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পুতুল বলেন, বিগত সময়ে আপনারা অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশকে এগিয়ে নিতে আপনাদের সহযোগিতা ভীষণ প্রয়োজন। আপনারা আমাদের পথ দেখান, ভুলগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন বলে আশা রাখি।

পাবনার প্রতি স্মৃতিচারণ করে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, পাবনা ও নাটোর লালপুরের মাটির গন্ধ একই। কারণ এই পাবনায় আমার শেকড় পোতা। সুতরাং নাটোর লালপুরের মত উন্নয়নের ছোঁয়া পাবনাতেও লাগবে। পাইলটিং পদ্ধতিতে দ্বিতীয় ধাপে পাবনার হতদরিদ্র মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। অন্যান্য সকল উন্নয়নে তিনি পাবনাবাসীর সাথে থাকবেন বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সদর আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা ২ আসনের এমপি একেএম সেলিম রেজা হাবিব, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল মতীন খান,প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক উৎপল মির্জা প্রমুখ।

 

 

দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি – প্রতিমন্ত্রী পুতুল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, সরকার গঠনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ কে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি।সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে পাবনার পদ্মকোল খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, অত্যন্ত ক্রান্তিলগ্নে আমরা দেশের দায়িত্ব পেয়েছি। সরকার গঠনের একমাসও পূর্ণ হয়নি। তবুও এরই মধ্যে বিএনপি সরকার দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, মসজিদ মন্দিরের ইমাম পুরোহিতদের সম্মানী ভাতা ও কৃষি ঋণ মওকুফের মতো উদ্যোগ আমরা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, কৃষি ও কৃষক আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। সেই কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি সহ জীবনমান উন্নয়নের জন্য শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এক সময় খাল থেকে সেচ ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন। তার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান এবার খননের মাধ্যমে খাল কে পুনরুজ্জীবন দিয়ে সেচ ব্যবস্থা কে আরো উন্নত করতে উদ্যোগ নিয়েছেন। এ উদ্যোগের আওতায় সারা দেশে ৫৪টি খাল খনন কর্মসূচির আজ উদ্বোধন হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মরে যাওয়া খালগুলো পানিপ্রবাহ ফিরে পেলে যেমন কৃষি উৎপাদন বাড়বে, তেমনই গ্রামীণ জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। এর ফলে ভূ-উপরিস্থ পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমবে, যা খরা, বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়ক হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য মরে যাওয়া খালগুলো খনন করে জীবন ফিরিয়ে দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই সারা দেশের মতো পাবনায় এ খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্টরা খেয়াল রাখবেন, শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে যেন খাল খনন সম্পন্ন হয়৷

পাবনার জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে খাল খনন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজা হাবিব, পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার, পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার সরকার, পাবনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার ও সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম সহ অনেকেই।

প্রসঙ্গত, পাবনার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর থেকে মন্ডলমোড় পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এই খালটি পাবনা শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতী নদীতে গিয়ে মিশেছে। ৬ ফুট গভীর ও গড় ৪০ ফুট প্রশস্ত করে খালটি খনন কাজ শুরু হচ্ছে।

এই খালটি পূর্ণ খনন হলে পদ্মা থেকে ইছামতিতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে। খালের পার্শ্ববর্তী হেমায়েতপুর ইউনিয়নের জমিগুলো সহজেই সেচ সুবিধা পাবে। এই কর্মসূচির আওতায় এটি ছাড়াও পাবনায় ১০৬ টি খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

 

 

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ