সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে সিএমপি কমিশনার পুলিশ পলিসি মেকার নয়, বাস্তবায়নের চেষ্টা করে মাত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায় বলেছেন, পুলিশ পলিসি মেকার নয়, বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন মাত্র। কোনো এলাকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে পুলিশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে কিশোর গ্যাংয়ের কথা আলোচনায় আসছে। পুলিশ ফাইনালি কাজ করে। অর্থাৎ পুলিশের কাজ হচ্ছে ধরে জেলে পুরে দেওয়া। কিন্তু এ পর্যায়ে আসার আগের বিষয়টি ভাবতে হবে। যদি কোনো ছাত্র ক্লাসে অনুপস্থিত থাকে, ঐ সময় তারা কোথায় থাকে খবর রাখতে হবে। প্রথমদিকে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে অন্য খারাপ লোকের সান্নিধ্যে যায়। পরবর্তীতে নিজেরাই খারাপ কাজে জড়িয়ে পড়ে। এ ব্যাপারে সর্বাগ্রে পরিবারকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে প্রেস ক্লাবের পিএইচপি ভিআইপি লাউঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সালাহ্উদ্দিন মো. রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক।
কৃষ্ণ পদ রায় নিজের অতীতের কথা বর্ণনা করে বলেন, আপনারা অনেকেই জানেন আমার প্রথম পেশা ছিলো সাংবাদিকতা। পুলিশের চাকরিতে না আসলে হয়তো আমি এখনো সাংবাদিকতাই করতাম। সেই পেশার লোকজন যখন আমাকে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সম্মানপ্রদ জীবন সদস্যপদ দিয়ে সম্মানিত করেছেন তাতে আমি খুবই আপ্লুত। চট্টগ্রামে পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে চট্টগ্রামের নানা স্তরের সাংবাদিকদের সহযোগিতা পেয়েছি। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ সাংবাদিকদের সাথে অতীতে ছিলো, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
তিনি বলেন, আমরা যদি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই- ‘কারো জন্য ভালো কিছু করতে না পারি, কিন্তু খারাপ কিছু করবো না,’-তাহলে অবশ্যই আমরা সমাজের জন্য, দেশমাতৃকার জন্য কাজ করতে সক্ষম হবো। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে পলিটিক্সের কোনো জায়গা নেই। সবাই যার যার জায়গা থেকে কাজ করে যেতে হবে। সিএমপি’র পুলিশ সবসময় ভালো কাজ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ শত ভালো কাজ করলেও কোনো সমস্যা হলেই তা পুলিশের ওপর চাপিয়ে দেয়ার প্রবণতা দেখা যায়।
সভাপতির বক্তব্যে সালাহউদ্দিন মো. রেজা বলেন, কৃষ্ণ পদ রায় চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের একজন ঘনিষ্ঠ মানুষ। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সম্মানপ্রদ জীবন সদস্যপদ প্রদান করতে পেরে আমরা আনন্দিত। তিনি শুধু সাংবাদিক নন, চট্টগ্রামের মানুষের কাছে একজন জনবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। চট্টগ্রামের আইন-শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে যে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজমান, এর পেছনে রয়েছে তাঁর বিচক্ষণতা এবং পেশাসুলভ মন-মানসিকতা।
স্বাগত বক্তব্যে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক বলেন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে চট্টগ্রামের স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলার পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনেও কোনো অস্থিরতা নেই। কৃষ্ণ পদ রায় একজন ব্যতিক্রমী মানবিক ও দায়িত্ববান মানুষ। তাঁর মতো চৌকস কর্মকর্তা বাংলাদেশের সম্পদ। তিনি চট্টগ্রামে সাংবাদিকের সাথে পুলিশের মেলবন্ধন যেভাবে সুদৃঢ় করেছেন, তা অনুকরণীয়।
যুগ্ম সম্পাদক শহীদুল্লাহ শাহরিয়ারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি চৌধুরী ফরিদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক ইকবাল, ডিসি (দক্ষিণ) মোস্তাফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কার্যকরী সদস্য জসীম চৌধুরী সবুজ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, সিনিয়র সাংবাদিক শফিউল আলম ও নুরুল আলম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কৃষ্ণ পদ রায়কে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সম্মানপ্রদ জীবন সদস্য সম্মাননা স্মারক এবং ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মনজুর কাদের মনজু, অর্থ সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন হায়দার, ক্রীড়া সম্পাদক এম সরওয়ারুল আলম সোহেল, গ্রন্থাগার সম্পাদক কুতুব উদ্দিন, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক আল রাহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খোরশেদুল আলম শামীম, কার্যকরী সদস্য মো. আইয়ুব আলী, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা এবং প্রেস ক্লাবের স্থায়ী-অস্থায়ী সদস্যসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দোকান ঘর-সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ব্যবসায়ীর জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টায় দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে মো. সফি উল্যাহ চৌধুরী (৭০) নামে এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নূর নবী (৬০)। এ ঘটনায় তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নূর নবী ও তার ভাই-বোনেরা পৈত্রিক সূত্রে ১৩ নম্বর চরপার্বতী মৌজার সিএস ৯৯১ নম্বর খতিয়ানের ১২০৮ নম্বর দাগে নকশা অনুযায়ী ৩৮ দশমিক ৯০ শতাংশ জমির মধ্যে পাঁচ শতাংশের মালিক ও দখলদার। দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করালিয়া এলাকায় ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে সফি উল্যাহ চৌধুরী অজ্ঞাতনামা দুই-তিনজনকে নিয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা জমিতে থাকা দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। পরে সেখানে মাটি ভরাট করে চলাচলের রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

এতে নূর নবী ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধরের জন্য তেড়ে আসেন। একই সঙ্গে রাস্তা নির্মাণের কাজে বাধা দিলে মারধরের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় সংঘর্ষ ও শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা করছেন অভিযোগকারী।

নূর নবী বলেন, তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের উদ্দেশ্যে বসতবাড়ি ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন ও আত্মীয়স্বজনকে জানানোর পর তাদের পরামর্শে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে সফি উল্যাহ চৌধুরী বলেন, ‘সেটি প্রমাণের জন্য আমি আমার প্রতিনিধির মাধ্যমে ওসির কাছে উপস্থাপন করব।’
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, প্রতিদিন অনেক অভিযোগ জমা পড়ে। লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকলে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের যোগসাশসে ইটভাটার জন্য প্রবাসীর জমি দখল চেষ্টার অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ইটভাটার জন্য এক দুবাই প্রবাসীর বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদীয়া ব্রিকফিল্ডের মালিক মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে। জমি দখলে বাধা দেওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী ও শ্যালককে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি নির্মাণাধীন ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানার তিন উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধেও ইটভাটার মালিকের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং জমি বন্ধক দিতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তুলেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী বিলকায়েছ আরা বেগম ও শ্যালক নূর হোসেন মানিক।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর গ্রামের দুবাই প্রবাসী আব্দুল গোফরানের কেনা বসতভিটার জমিতে ইটভাটা সম্প্রসারণ করতে চান জাকির হোসেন। এ জন্য জমির সীমানায় থাকা টিনের বেড়া ভেঙে দখলের চেষ্টা করছেন তিনি। জমি বিক্রি কিংবা তার কাছে বন্ধক না দিলে পরিবারটিকে এলাকায় বসবাস করতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।

পরিবারটির দাবি, গত ১২ অক্টোবর দিবাগত রাতে জাকিরের লোকজন গোফরানের জমির দক্ষিণ পাশের টিনের বেড়া ভেঙে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গোফরানের স্ত্রী বিলকিস আরা বেগম থানায় মামলা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে বলেও দাবি পরিবারের।

তাদের অভিযোগ, ঘটনার পর রাত ৮টার দিকে এসআই নজরুল প্রবাসীর স্ত্রী ও তার বড় ভাইকে থানায় ডেকে নেন। সেখানে জাকিরের কাছে জমিটি বন্ধক দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তারা তাতে রাজি হননি। এর চার দিন পর, ১৬ অক্টোবর স্বামীর কেনা জমিতে ২১ ফুট বাই ১৬ ফুট আয়তনের টিন ও কাঠ দিয়ে একটি দোচালা ঘর নির্মাণ শুরু করেন বিলকায়েছ আরা বেগম। এ সময় কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই নজরুল, এসআই সুমন ও এসআই আনোয়ার ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করতে বলেন। একই সঙ্গে জাকিরের সঙ্গে সমঝোতা করে জমিটি তার কাছে বন্ধক দেওয়ার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ পরিবারের। অন্যথায় তাদের বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি ভুক্তভোগীদের।

পরিবারটির ভাষ্য, পুলিশের কথায় রাজি না হয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ওই দিন রাতেই জাকিরের লোকজন নির্মাণাধীন দোচালা ঘর ও টিনের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

এ ঘটনায় ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে গত ২৬ অক্টোবর দুবাই দূতাবাসের মাধ্যমে নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আব্দুল গোফরান। অভিযোগটি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। সর্বশেষ গত ৩১ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে জাকিরের লোকজন আবারও ঘটনাস্থলে গিয়ে ভেঙে ফেলা ঘর ও সীমানাপ্রাচীরের কাঠ ও টিন নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

পরিবারটির আরও অভিযোগ, জাকির দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। রাষ্ট্রীয় নিয়মনীতি ও বিধিমালা উপেক্ষা করে উপজেলা প্রশাসনের নিরবতায় জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ‘মোহাম্মদীয়া’ নামের ইটভাটা পরিচালনা করা হচ্ছে। সেখানে শ্রমিক পরিচয়ে লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ তাদের।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইটভাটার মালিক জাকির হোসেন বলেন, ইটভাটার ভেতরে প্রবাসীর ৯ শতাংশ জমি রয়েছে। ওই জমির ওপর আমার মাটির স্তূপ রয়েছে। আমি তাদের বকেয়া টাকা থাকলে নিয়ে যেতে এবং জমিটি বিক্রি করে দিতে বলেছি। কিন্তু তারা আমার কাছে জমি বিক্রি করতে রাজি হননি। পরে তাদের জায়গায় রাখা আমার মাটি ও ইটের খোয়া দিয়ে দিতে বললে তারা বাধা দেন। এরপর তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেন।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীর স্ত্রী প্রথমে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর এসআই সুমন ও আনোয়ারও সেখানে যান। উভয় পক্ষকে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখে আদালতের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পরামর্শ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে অভিযোগকারী পক্ষ সেখানে ঘর নির্মাণ করতে গেলে ইটভাটার লোকজন বাধা দেন। পরে প্রবাসীর পরিবারসহ দুই পক্ষ বিষয়টি বর্তমান ওসিকে অবহিত করে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে পরে জানানো হবে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ