আজঃ মঙ্গলবার ৫ মে, ২০২৬

নেত্রকোনার স্বপ্নবাজ দুরন্ত চেয়ারম্যান- কাজী সাখাওয়াত

রিপন কান্তি গুন নেত্রকোনা প্রতিনিধি:

নেত্রকোনা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জীবনের প্রতিটি চিন্তা, প্রতিটি স্বপ্ন প্রভাবিত করে জীবনকে। সেই সফল হওয়ার স্বপ্নকে হৃদয়ে আগলে রেখে স্বপ্নের ফেরিওয়ালা কাজী সাখাওয়াত হোসেন ধাপে ধাপে তার হৃদয়ে লালিত স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করে চলেছেন।

এবার ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে (২১ মে) অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া নির্বাচনে বিপুল ভোটে প্রথম বারের মতো বারহাট্টা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ছেন।

উপজেলা বাসীদের বিভিন্ন তথ্যসূতত্রে জানা যায়, কাজী সাখাওয়াত হোসেন পড়াশোনা শেষ করেই মাত্র ২৪ বছর বয়সে ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বারহাট্টা সদর ইউনিয়ন থেকে প্রথমবারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নিরলস পরিশ্রম, হৃদয়ে লালিত স্বপ্ন আর মেধা দিয়ে ধীরে ধীরে স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে থাকেন। এরপর টানা দুই বার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে টানা তৃতীয় বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নিজের কার্যকলাপের জন্য তার নিজ ইউনিয়ন ছাড়াও বাকি ছয় ইউনিয়নেও ছড়িয়ে পড়তে থাকে তার জনপ্রিয়তা।

বারহাট্টা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকা অবস্থাতেই তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

হৃদয় মাঝে জমানো স্বপ্নকে আরও উচ্চ শেখরে নিয়ে যেতে এবার ২০২৪ সালের ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে অনেক আগে থেকেই আটঘাট বেঁধে মাঠে নেমে যান উচ্চাকাঙ্খী, স্বপ্ন পূরণের কারিগর এই জনপ্রিয় নেতা। নির্বাচনী তফশিল ঘোষণার অনেক আগে থেকেই তিনি সাত ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, বিভিন্ন ধর্মীয়-সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ভোটারদের সংস্পর্শে এসে নিজ গুণে তাদের মন জয় করে ফেলেন।

স্বপ্নের কারিগর জননন্দিত এই নেতা সর্বশেষ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। জনপ্রিয়তায় তুঙ্গে থাকা কাজী সাখাওয়াত হোসেন ১১ হাজার ১৭১ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে প্রথম বারের মতো উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ছেন।

বারহাট্টা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বারহাট্টা উপজেলা।উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২৭ জন।

নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তারা হলেন- মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খায়রুল কবীর খোকন ও ঘোড়া প্রতীক নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী সাখাওয়াত হোসেন।

বারহাট্টা সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা দুলাল দত্ত বলেন, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের একজন অন্যতম কর্মী হিসাবে জনগণ কাজী সাখাওয়াত হোসেনকে প্রথম বারের মতো উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছে। আমার বিশ্বাস সে আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন বাস্তবায়ন সক্ষম হবে।

বাউসী ইউনিয়নের রিপন শেখ, আলতু মিয়া, রহমত আলী বলেন, সাখাওয়াত ভাই উপজেলা চেয়ারম্যন হওয়ার আগে থেকেই উপজেলার মানুষের বিপদে-আপদে পাশে ছিলেন। মানুষের বিপদে তিনি দিনে-রাতে, ঝড়-বৃষ্টিতে প্রয়োজনে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ছুটে যেতেন। তাই আমাদের মত গরীব খেটে খাওয়া সমগ্র উপজেলার মানুষ তাকে ভালবাসে এই নির্বাচনে যোগ্য চেয়ারম্যান হিসেবে আমরা তাকে নির্বাচিত করেছি। তিনি আমাদের গরীবের বন্ধু, অন্যায়ের প্রতিবাদকারী- ”ফাটা কেষ্ট’।

নব নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমার স্বপ্ন ছিল শুধু এক ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি হিসাবে সীমাবদ্ধ না থেকে বারহাট্টার সাত ইউনিয়নের জনগণের প্রতিনিধি হয়ে তাদের সেবা করে যাওয়া। আমার স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণের ভালবাসায় আমি বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে বারহাট্টা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের পাশে থেকে তাদের সেবা করে যাবো।

তিনি আরও বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বারহাট্টা উপজেলার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত “স্মার্ট বাংলাদেশ” গড়ার ভিশন উপজেলায় দৃশ্যমান করতে চাই।’

বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার ববি’র ঘোষিত ফলাফলে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ৪২ হাজার ১০০ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী থেকে ১১ হাজার ১৭১ ভোট বেশি পাওয়ায় কাজী সাখাওয়াত হোসেনকে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভালুকায় খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)-এর আওতায় “বাঁকা খাল” ও কুচখালী খাল” পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।
রোববার (৩ মে) দুপুরে উপজেলার সোয়াইল শান্তির বাজার এলাকায় এ পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ-১১ ভালুকা আসনের সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফিরোজ হোসেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ভালুকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকবাল হোসাইন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুসরাত জামান, মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল হক পাঠান এবং ভালুকা উপজেলা জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আনোয়ার হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মহিদুল আলম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন মাসুদ, গুলজার হোসেন, মজিবুর রহমান মজু, ভালুকা প্রেসক্লাবের সভাপতি মাইন উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের সভাপতি তারেক উল্লাহ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক রকিবুল হাসান রাসেল, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক লুৎফর রহমান খান সানি ও সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার রিয়াদ পাঠানসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে ১ কোটি ৫১ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রায় ৬ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় অতিদরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বোয়ালখালীতে জামায়াতে ইসলামী’র কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা ও পৌরসভা শাখার উদ্যোগে এক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকাল ৯টায় স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জুমার নামাজ শেষে মেজবানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বোয়ালখালী উপজেলা শাখার আমীর মুহাম্মদ খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ইমাম উদ্দিন ইয়াছিনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা সহকারী সেক্রেটারি মোঃ জাকারিয়া, চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক ও বোয়ালখালী উপজেলা নায়েবে আমীর ডা. আবু নাছের।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁও জামায়াতের আমীর মোঃ ইসমাইল হোসেন, সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন সরকার, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মোঃ ইকবাল, বোয়ালখালী উপজেলা মহিলা জামায়াতের সভাপতি নাহিদ পারভিন, অঞ্চল পরিচালক এলিনা সুলতানা, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা মফিজুর রহমান, ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা দিদারুল আলম, বোয়ালখালী পৌরসভা ও পোপাদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন রেনেসা ও দিগন্ত শিল্পী গোষ্ঠী।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ