আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে

জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে
জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের
জন্মবার্ষিকী উদযাপন

ছবি-২-জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আনোয়ার পাশা
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫-তম জন্মবার্ষিকী ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং নজরুল শীর্ষক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোঃ আনোয়ার পাশা। মূখ্য আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার সাঈদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি নেছার উদ্দিন আহমদ, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এস.এম শফিউল্লাহ, চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মাহবুব আলম খান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম সরওয়ার কামাল ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নুর উদ্দিন। আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক পর্বে কবিতা, গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবনাদর্শ তুলে ধরেন এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তাঁর অবদানের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়াও বক্তারা নজরুলের অসাম্প্রদায়িক জীবনাদর্শ অনুসরণ করে একটি অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ, সুখী-সমৃদ্ধ, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বক্তারা আরও বলেন, জাতীয় কবি নজরুল দরিদ্র পরিবারে জন্ম নিয়েও ছিলেন অসাম্য, অসুন্দর ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অক্লান্ত বিদ্রোহী চির উন্নত শির। বাংলা কাব্যে এক নতুন যুগের সৃষ্টা নজরুল পরাধীন ব্রিটিশ ভারতে মুক্তির বাণী বয়ে এনেছিলেন তাঁর কাব্যে। সূচনা করেছিলেন এক নতুন যুগের। অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী আর ভাঙ্গার গান ‘যৌবনের জয়গান’ গেয়ে জাগিয়ে তুলেছিলেন তিনি গোটা উপমহাদেশের মানুষকে। ১৯২১ সালে ‘বিদ্রোহী’ কবিতা লিখে সে সময়ে ব্রিটিশ শাসনের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছেন। ব্রিটিশ বিরোধী কবিতার জন্য করেছিলেন কারাবরণ। কিন্তু কখনোই ঔপনিবেশিক শাসনের কাছে মাথা নত করেননি। ঔপনিবেশিক শাসনের শৃঙ্খল থেকে মুক্তির জন্য উজ্জ্বীবিত করতে বারবার গেয়েছেনÑ বলবীর, বল উন্নত মম শির। শির নেহারি আমারি নতশির, ওই শিখর হিমাদ্রির।’
বক্তারা বলেন, বাংলা গানের জগতে নজরুল সুর ও বাণীর ক্ষেত্রে ঘটিয়েছেন এক অনন্য বিপ্লব। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২৪ মে কাজী নজরুল ইসলামকে সপরিবারে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে ঘোষণা করা হয় জাতীয় কবি হিসেবে। ১৯৭৬ সালে মৃত্যু বরণ করলে কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাধিস্থ করা হয়। মৃত্যুর আগে তিনি লিখেছিলেন-“মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই, যেন গোরে হতে মুয়াজ্জিনের আযান শুনতে পাই”।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগে আতর্কিত হামলা ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১০ আসনের জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীর নির্বাচনী গণসংযোগে হামলার ঘটনা ঘটেছে। মহানগরের খুলশী থানাধীন আমবাগান রেলগেট এলাকায় মঙ্গলবার রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, গণসংযোগ চলাকালে হঠাৎ করে একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। এতে জামায়াতের অন্তত ৮ জন নেতাকর্মী আহত হন।
আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে শামসুজ্জামান হেলালী অভিযোগ করে বলেন, অতর্কিতভাবে স্থানীয় বিএনপির লোকজন আমাদের শান্তিপূর্ণ গণসংযোগে হামলা চালিয়েছে।

এতে আমাদের নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন।এদিকে হামলার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা বা আটকের তথ্য পাওয়া যায়নি।

শ্রীবরদীর জামায়াতের সেক্রেটারি নিহতের ঘটনায় ঢাবি ছাত্রদের প্রতিবাদ মিছিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ১০টায় তিনি মারা যান। এই প্রাণহানির ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ