আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

মধ্যরাতে স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজল নেত্রকোনা

রিপন গুন নেত্রকোনা প্রতিনিধি:

নেত্রকোনা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তীব্র দাবদাহের পর ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে নেত্রকোনার বিভিন্ন এলাকায় মধ্যরাতে স্বস্তির পরশ ছড়িয়ে নামল বৃষ্টি।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে রবিবার মধ্যরাত থেকে আজ (২৭ মে) সোমবারেও ঝরছে বৃষ্টি সঙ্গে বইছে দমকা হাওয়া। এতে কয়েক দিনের অব্যাহত ভ্যাঁপসা গরম কমে কিছুটা শীতলতা অনুভূত হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। তবে, বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, থেমে থেমে আসা দমকা হাওয়ায় সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি ধরণের বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টিতে স্বস্তি মিললেও ভোগান্তিতে পড়েছেন কর্মজীবী ও স্কুল- কলেজগামী শিক্ষার্থীরা। অফিসগামীরাও পড়ছেন ভোগান্তিতে। কেউ ছাতা কেউবা রেইনকোট পরিধান করে বের হয়েছেন। বৃষ্টি মাথায় নিয়ে কাজে বের হয়েছেন দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষ। দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টিতে যাত্রী কম হওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েছে অটোরিকশা ও রিকশাচালকরা।

নেত্রকোনা সদরের তেরী বাজার মোড়ের রিকশাচালক রহিছ মিয়া বলেন, রাত থেকে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় ভোর রিকশা লইয়া (নিয়ে) বাইর অইতাম (বের হতে) পারি নাই। মাঝখানে একটু থামছিল, পরে আবার শুরু হইছে। রাস্তায় যাত্রীও কম।

বড়বাজার এলাকার ব্যবসায়ী সুজন ব্যাপারী বলেন, বৃষ্টি হওয়াতে ভ্যাপসা গরম কমেছে। তবে টানা বৃষ্টি ও এমন দমকা হাওয়ার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। চলতে ফিরতে সমস্যার কারণে কাস্টমার আসছে কম।

বারহাট্টা উপজেলার বাউসী অর্দ্ধচন্দ্র উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ তাহেরুল ইসলাম বলেন, ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি থাকায় স্কুল এবং কলেজের ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা অনেক কম। তাই ৪র্থ ঘন্টার পর ছুটি দিয়ে দিয়েছি।

নেত্রকোনা আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আজ সোমবার সারাদিনই বৃষ্টি হবে। এমনকি মঙ্গলবারও বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি বয়ে চলেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ