আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

রেমালের প্রভাবে ঝিনাইদহে দমকা হাওয়া, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি; রাত থেকে বিদ্যুৎ নেই বিভিন্ন এলাকায়

ঝিনাইদহ থেকে, রবিন মাহমুদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে৭ ঝিনাইদহে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। রোববার (২৬ মে) বিকেল থেকে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হলেও রাত বাড়ার সাথে সাথে রেমাল প্রভাব বিস্তার শুরু করে পুরো জেলাজুড়ে। রাত ১০টার পর থেকে থেমে থেমে দমকা বাতাসের সঙ্গে রাত ১টার পর থেকে শুরু হয় ব্যাপক বৃষ্টি। স্থানীয়ভাবে জানা যায়, বৃষ্টির প্রভাবে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। রিকশা-ভানচালকরা পড়েছেন বিপাকে। রাস্তায় মানুষ শূন্য। জরুরি কাজ ছাড়া মানুষ ঘর থেকে খুব একটা বের হয়নি। স্কুল-কলেজে ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতির হার বলতে গেলে শূন্যের কোঠায়।

রাত থেকে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় অটোরিকশা ও মোটর চালিত ভ্যান চার্জ দিতে না পারায় শহরে আজ এদের আনাগোনা অনেকটাই কম। তবে সকালে বৃষ্টি উপেক্ষা করে অফিসমুখী মানুষ বাধ্য হয়েই ঘর থেকে বের হয়। তবে দূরপাল্লার সব বাস সঠিক সময়ে চলছে বলে জানায় টার্মিনাল থেকে।

ঝিনাইদহের প্রধান প্রধান মোড় যেমন- পায়রা চত্বর, মুজিব চত্বর, আরাপপুর মোড়, হামদহ মোড়ে ঘুরে দেখা যায় সাধারণ মানুষের পদচারণা নেই বললেই চলে। বড় বড় বিপনী ও শপিং মল এবং দোকান ছাড়া, ছোটখাটো দোকানগুলো খোলেনি। আর যারা খুলেছেন তারা দোকানেই অলস সময় কাটাচ্ছেন।
এদিকে ঝিনাইদহ কোনো আবহাওয়া অফিস না থাকায় কি পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে তা জানা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রথীন্দ্র নাথ রায় বলেন, আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছি। যে কোনো অবস্থার জন্য। তবে এখনও কোনো ধরনের খারাপ খবর পাওয়া যায়নি। ৬ উপজেলায় আলাদা আলাদা মিটিং হয়েছে। শুকনো খাবারসহ ইউনিয়নে ইউনিয়নের সরকারি স্কুলে আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ