আজঃ বৃহস্পতিবার ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

তৃতীয় ধাপে উপজেলা নির্বাচনে নেত্রকোনায় দুই বিজয়ী চেয়ারম্যান

রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি;

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ ও মদন দুই উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনে মোহনগঞ্জ উপজেলায় মোঃ শহীদ ইকবাল তৃতীয় বারের মতো ও মদন উপজেলায় ইফতেখারুল আলম খান চৌধুরী (আজাদ) বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়ছেন।২৯ মে বুধবার রাতে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।বুধবার (২৯ মে) অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোহনগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ১৩ হাজার ৬০১ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে তৃতীয় বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন মো. শহীদ ইকবাল। তিনি বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

অপরদিকে মদন উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ৮ হাজার ৩৯৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন ইফতেখারুল আলম খান চৌধুরী (আজাদ)। তিনি বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

মোহনগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জহিরুল হক জানান, মোহনগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে শহীদ ইকবাল ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ৩০ হাজার ৫৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আমিনুল ইসলাম খান সোহেল মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৪৫৪ ভোট।

মদন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হামিদ ইকবাল জানান, ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ইফতেখারুল আলম চৌধুরী ১৮ হাজার ৬৭৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল কুদ্দুছ আনারস প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১০ হাজার ২৬৯ ভোট।

মোহনগঞ্জ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে মো: আসাদুজ্জামান চৌধুরী চশমা প্রতীক নিয়ে ১৫৪২০ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো: নজরুল ইসলাম খান টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১২৬১৫ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সালমা আক্তার শিল্পী পদ্মফুল প্রতিক নিয়ে ৩২৩১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়ছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হেলেনা আক্তার হেনা প্রজাপতি প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ১৪৪৪০ ভোট।মদন উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে এম এ সোহাগ মাইক প্রতিক নিয়ে ৩২৫৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শেখ বদরুল ইসলাম টিয়া পাখি প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ১৮০৩১ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ইতি আক্তার ইভা ফুটবল প্রতিক নিয়ে ২১৪৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়ছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হাসনা চৌধুরী প্রজাপতি প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ১৩৩১০ ভোট।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভায় ইইউ প্রতিনিধিদল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা’ বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক সুসানে গিয়েন্ডল ও ম্লাদেন কোবাসেভিচ।

প্রেস ক্লাবের কার্যকরী কমিটির সদস্য সালেহ নোমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে নির্বাচনী সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (সিজেএ) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সেক্রেটারি জেনারেল ওসমান গণি মনসুর, প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ।

সভায় ওসমান গণি মনসুর আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে গণভোটের ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ পক্ষে সংখ্যালঘু ভোটারদের একটি বড় অংশ বিদেশী শক্তির প্ররোচণায় ভোট না দেওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, অতীতের মতো এবারও নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থের প্রভাব বিস্তারের সম্ভাবনা রয়েছে। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার শাহাবুদ্দিনে সময়কার নির্বাচন ব্যবস্থার প্রশংসা করে ওসমান গণি মনসুর বলেন, সে নির্বাচনে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়েছিল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে এবারও একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি বলেন, গত ১৬ বছরে দেশের একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনের বাইরে রেখে ফ্যাসিবাদী সরকার ক্ষমতা দখল করে রেখেছিল। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ওই সময় মধ্যরাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি করা হয়েছিল, এমনকি মৃত ব্যক্তিদের ভোটও ব্যবহার করা হয়েছে।

এছাড়া, সভায় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন, প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি ডেইজি মওদুদ, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ, প্রেস ক্লাবের সদস্য মুহাম্মদ আজাদ, ফারুক মনির, কিরণ শর্মা, মনিরুল ইসলাম পারভেজ, এম কে মনির, জায়েদ তালুকদার, তানভীন আহমেদ, মাসুদ পারভেজ, ওসমান সরোয়ার, হারুন-অর রশিদ, আজিজা হক পায়েল সহ আরও অনেকে।

প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারে না : সাঈদ আল নোমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমান বলেছেন, রাজনীতি শুধু নেতৃত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের জন্য কী উপকারী, কোন উন্নয়ন দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে-তা ভেবে পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করাই সংসদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তিনি বলেণ, নিজের জীবন, পরিবার, চিন্তা-ভাবনা এবং সম্পদের বড় একটি অংশ ব্যয় করে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। এটিকে নিজের সেবামূলক জীবনের প্রথম ও প্রধান কাজ হিসেবে দেখি। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগরের একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নিজের পিতা আব্দুল্লাহ আল নোমানের উন্নয়নমূলক অবদানের কথা তুলে ধরে সাঈদ আল নোমান বলেন, তাঁর কাজের মধ্যে রয়েছে কর্ণফুলী তৃতীয় সেতু নির্মাণ, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড প্রতিষ্ঠা, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে চার শহীদের স্মরণে কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়-যা একটি মুরগির খামার থেকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ নেয়। এ ছাড়া স্টেডিয়াম উন্নয়ন, জমিয়াতুল ফালাহ ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণে কাজের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সাঈদ আল নোমান বলেন, আমার পিতা শুধু গণমানুষের নেতা ছিলেন না, নীরবে উন্নয়নমূলক কাজ করে গেছেন।এখন সময় এসেছে, নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় কার্যকর অবদান রাখার যোগ্যতা ও সম্ভাবনা নিয়ে ভাবার।

চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সাঈদ আল নোমান বলেন, জেনারেল হাসপাতালের সক্ষমতা বর্তমানে খুবই সীমিত। এটিকে আধুনিক ও কার্যকর করে তোলার পাশাপাশি মেডিক্যাল কলেজে রূপান্তরের প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম-১০ আসনের পাহাড়তলী, খুলশী ও হালিশহর এলাকায় সরকারি হাসপাতালের ঘাটতি প্রকট। খুলশীতে কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থাকলেও হালিশহর ও পাহাড়তলীতে কোনো সরকারি হাসপাতাল নেই।তিনি আরও বলেন, দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষ উন্নত বেসরকারি শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারে না।

ফলে চিকিৎসাসেবাকে অবশ্যই রাষ্ট্রীয়ভাবে বিবেচনা করতে হবে। বড় পরিসরে সরকারি উদ্যোগ ছাড়া এই খাতে টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।তিনি হালিশহর ও পাহাড়তলী এলাকায় বৃহৎ পরিসরে সরকারি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার আহ্বান জানান।তাঁর মতে, এতে শুধু একটি এলাকা নয়, পুরো চট্টগ্রামের মানুষ উপকৃত হবে।

আলোচিত খবর

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশে অনুমোদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ – ২০২৬
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের এক সভায় এতে অনুমোদন দেওয়া হয়।প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এর প্রেস রিলিজে বলা হয় উচ্চশিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জট নিরসনে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কলেজগুলোর নিজস্ব পরিচয়, অবকাঠামো এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ওপর তাদের অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে।বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এইপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা, পরীক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিদর্শন, মূল্যায়ন ও নির্দেশনার ক্ষমতা পাবে।

নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওযার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ ‘সংযুক্ত কলেজ’ হিসেবে পরিচালিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ