চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে উপহার দেয়া হবে

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) লুৎফুন নাহার বলেছেন, আগামী ৫ জুন বুধবার চতুর্থ ধাপে বাঁশখালী ও লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আদলে ইতোপূর্বে ১ম, ২য় ও ৩য় ধাপে এখানকার ১১টি উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়েছে। আগামী ৫ জুন চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিতব্য উল্লেখিত এ দু’টি উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অবাধ, গ্রহণযোগ্য, অত্যৗল্প সুষ্ঠুভাবে উপহার দেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, থানার অফিসার ইনচার্জগণসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। কোন প্রার্থী বা প্রার্থীর সমর্থক আচরণবিধি লংঘন করলে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচন-২০২৪ উপলক্ষে (৩০ মে) বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থীদের সাথে আয়োজিত মতবিনিময় ও আইন-শৃঙ্খলা বিষয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে প্রত্যেক প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদেরকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলতে হবে, অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। জাল ভোট প্রদান, কেন্দ্র দখল বা অন্য কোন অজুহাতে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে কোন ধরণের গুজব ছড়ালে ছাড় নেই। নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সবর্দা আপনাদের পাশে থাকবে। নির্বাচনে কোন অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। সভায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) ও নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা একেএম গোলাম মোর্শেদ খান বলেন, আচরণবিধি মেনেই নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। আচরণবিধি পর্যবেক্ষণে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবে। একজন প্রার্থীর পোষ্টারের উপর অন্য প্রার্থীর পোষ্টার লাগানো যাবে না। নির্বাচনী আচরণবিধি মানতে হবে, অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। সভায় জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবু তৈয়ব মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, নির্বাচন কমিশনের বিধি-বিধান বা পরিপত্র মেনে উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোট কেন্দ্রে বা বাইরে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা যাবে না। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে যা যা করা দরকার তা-ই করবো। কোন অপশক্তির কাছে আমরা মাথা নত করবো না। ৫ জুন অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে আগের চেয়ে প্রায় দ্বিগুন সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। প্রত্যেক ভোট কেন্দ্রে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী যে কোন ধরণের সহিংসতা রোধে জেলা পুলিশ প্রস্তুুত রয়েছে। সভায় সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, নির্বাচনে কেউ জয়ী হবে, কেউ পরাজিত হবে, এটা বাস্তবতা ও মেনে নিতে হবে। সকলের সম্মিলিত উদ্যোগে আমরা একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে চাই। কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতির পরিবেশ সৃষ্টিকরা আমাদের একার পক্ষে সম্ভব নয়। ইতোপূর্বে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কমিশন কোন ধরণের ছাড় দেয়নি। নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সবাই আপনাদের পাশে আছে। আচরণবিধি শতভাগ মেনে চলতে হবে। আমাদের পক্ষ থেকে কোন অবহেলা হবে না। নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সাথে নিয়ে যা যা করণীয় তা-ই করা হবে। নির্বাচনী এলাকায় অনুমতি ব্যতীত কোন যানবাহন চলবে না। ভোট গ্রহণের ৩২ ঘন্টা আগ পর্যন্ত প্রচার-প্রচারণা করা যাবে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) ও নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা এ.কে.এম গোলাম মোর্শেদ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবু তৈয়ব মোঃ আরিফ হোসেন, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল হক, লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইনামুল হাছান, বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার, আনসার ভিডিপি’র জেলা কমান্ড্যান্ট এএইচএম সাইফুল্লাহ হাবীব, সিএমপি’র সহকারী পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মোঃ নুরুল ইসলাম সিদ্দিক, বিজিবির সহকারী পরিচালক উপেন্দ্র নাথ হালদার, বাঁশখালী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ হারুন মোল্লাহ, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন হোসাইন, র‌্যাবের ডিএডি মোহাম্মদ মনির হোসেন, লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রাশেদুল ইসলাম ও বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তোফায়েল আহমেদ বক্তব্য রাখেন। সভায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীগণ সুষ্ঠু নির্বাচন বিষয়ে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অপরাজনীতি, সহিংসতা ও প্রতিহিংসার রাজনীতি কোনোভাবেই জনগণের কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি বলেন, অপরাজনীতি, সহিংসতা ও প্রতিহিংসার রাজনীতি কোনোভাবেই জনগণের কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। বিএনপির রাজনীতি হলো মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার রাজনীতি।

তিনি আজ ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে দেশব্যাপী পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্বক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, স্বৈরশাসক সারা দুনিয়ায় কোথাও আর রাজনীতেতে ফিরে আসতে পারে নাই। এদেশেও পারবে না। ১৮ কোটি মানুষ প্রতিহত করবে হাসিনার আগুন সন্ত্রাসকে। অপরাজনীতির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট—সহিংসতা নয়, শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলন। প্রতিহিংসা নয়, আইনের শাসন। আমার বিভাজন চাই না, চাই জনগণের ঐক্য।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, আমরা এমন রাজনীতি চাই না, যেখানে মানুষের জানমাল ঝুঁকিতে পড়ে, ভিন্নমত দমনের চেষ্টা হয় কিংবা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আমরা চাই যুক্তির রাজনীতি, সহনশীলতার রাজনীতি এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাজনীতি।
নিষিদ্ধ সংগঠন এদেশের প্রচলিত আইনে রাজনীতি করতে পারে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এদেশের মানুষের মঙ্গলের জন্য দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। বিএনপি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। কিন্তু দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থ যে কোন সময় কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না।

তিনি আরো বলেন, দেশের বাইরে থেকে এদেশে আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হাসিনার ফিরে আশার স্বপ্ন আমৃত্যু স্বপ্ন’ই থেকে যাবে। দেশের স্বার্থে আসুন, আমরা সবাই মিলে অপরাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করি এবং একটি শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলি। যুবদল নেতৃবৃন্দ, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আওতাধীন ১৫টি থানা ও ৪৩ সাংগঠনিক ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে যুবদলের নেতা-কর্মীদের সর্বদা অপরাজনীতির বিরুদ্ধে সর্তক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেন।

বৃষ্টির মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের বিক্ষোভ মিছিলটি জামিয়াতুল ফালাহ মসজিদ ময়দান থেকে শুরু হয়ে ওয়াসা মোড় হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জিইসি মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সহ-সভাপতি শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ মুছা, মিয়া মোঃ হারুন, জসিমুল ইসলাম কিশোর, মজিবুর রহমান, আবু সুফিয়ান, বায়েজিদ বোস্তামি থানা যুবদলের আহবায়ক অরূপ বড়ুয়া, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ আলী সাকি, মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ হুমায়ূন কবির, মোহাম্মদ সেলিম খাঁন, রাশেদুল হাসান লেবু, এরশাদ উল্লাহ, এরশাদ হোসেন, তাজুল ইসলাম তাজু, সেলিম উদ্দীন রাসেল, ইকরামুল হক ছুট্টু, রাজন খাঁন, খুলশী থানা যুবদলের আহবায়ক হেলাল হোসেন হেলাল, চান্দগাঁও থানা যুবদলের আহবায়ক গুলজার হোসেন, মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান টিপু, সাজ্জাদ হোসেন সাজু, শাহজালাল পলাশ, মজিবুর রহমান রাসেল, ওসমান গনি সিকদার, আহাদ আলী সায়েম, তানভীর মল্লিক, এস এম ফারুক, সম্পাদক মন্ডলী’র সদস্য জিল্লুর রহমান জুয়েল, মহিউদ্দিন মুকুল, এস এম বখতেয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, মোহাম্মদ ইকবাল, আসাদুজ্জামান রুবেল, সহ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, মনোয়ার হোসেন মানিক, শাহেদুল ইসলাম শাহেদ, কমল জ্যোতি বড়ুয়া, জহিরুল ইসলাম জহির, কামরুল ইসলাম, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, কোরবান আলী, হামিদুল হক চৌধুরী, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, আরিফ হোসেন, ইয়াছিন আজাদ, আবুল কালাম, মোঃ জসিম উদ্দিন, নুরুল ইসলাম আজাদ, হাফেজ মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, ফারুক হোসেন স্বপন, মোহাম্মদ ইদ্রিস, ইদ্রিস আলম, গুলজার হোসেন মিন্টু, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, হোসেন উজ জামান, নুর জাহেদ বাবলু, এ কে আজাদ, মোঃ সাইদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান দুলাল, মিফতাহ উদ্দীন শিকদার টিটু, মোহাম্মদ ইউসুফ, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, বেলাল উদ্দিন, সদস্য শাবাব ইয়াজদানী, মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ, প্রফেসর সাইদুল হক শিকদার, আবদুল্লাহ আল মামুন, জাহেরু মাসুদ, থানা যুবদলের আহবায়ক নুর হোসেন নুরু, শফিউল আজম, বজল আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন টুনু, কুতুব উদ্দিন, মোশাররফ আমিন সোহেল, খোরশেদ আলম, সদস্য সচিব মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, শওকত খান রাজু, মো: মুসা, মুসফিকুর রহমান নয়ন, তাজ উদ্দিন তাজু, মোহাম্মদ রাশেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোর্শেদ কামাল, নুর খান, মুস্তাকিম মাহমুদ, আশিক মল্লিক, সাইফুল আলম রুবেল, মো: ইয়াছিন, খালেদ সাইফুল্লাহ, সাজ্জাদ আহমেদ সাদ্দাম, নুর উদ্দিন শরীফ দিদার, ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক আবু বকর বাবু, এস এম আলী, সাইফুল আলম, মোহাম্মদ ইউনুছ, বাদশা আলমগীর, মোহাম্মদ হাসান, জহিরুল ইসলাম জহির, মোহাম্মদ মুজাহিদ, মোহাম্মদ এস্কান্দার, মেহেদী হাসান, মাসুদ আলম ও সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ঠেকাতে জেলা পুলিশের সাইবার টিমকে বিশেষ নির্দেশনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সাইবার মনিটরিং কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুজব, অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দ্রুত শনাক্ত, যাচাই ও প্রতিরোধে এ নির্দেশ দেয়া হয়। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় জুম অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সাইবার টিম কর্তৃক করণীয়’ শীর্ষক সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের (বিপিএম) সভাপতিত্বে সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সার্কেলের কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), ডিআইও-১, ওসি ডিবি এবং সাইবার মনিটরিং টিমের সদস্যরা অংশ নেন।সভায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপতথ্য শনাক্ত, তথ্যের সত্যতা যাচাই, ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্টের উৎস চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

বিশেষ করে দুর্গাপূজা, ধর্মীয় সম্প্রীতি, পূজামণ্ডপ ও সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ছড়ানো তথ্য সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পুরোনো বা ভিন্ন ঘটনার ছবি-ভিডিও ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা এবং ধর্মীয় উসকানি বা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে এমন কনটেন্টকে অগ্রাধিকার দিয়ে যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় পুলিশ সুপার গুজব শনাক্তের পর দ্রুত তথ্য যাচাই, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য তুলে ধরে কাউন্টার ন্যারেটিভ প্রচারের সমন্বিত কার্যক্রম নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেন।এ সময় গুরুত্বপূর্ণ কনটেন্টের লিংক, স্ক্রিনশট, সংশ্লিষ্ট আইডি বা পেজ, সময়সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় বলা হয়, কোনো ঘটনা বা তথ্য নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট থানা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে দ্রুত প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত করতে হবে। যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে জনগণের বিভ্রান্তি দূর করতে সংক্ষিপ্ত, নিরপেক্ষ ও সময়োপযোগী তথ্য প্রচার করতে হবে।পাশাপাশি থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক সংস্থার মধ্যে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয় নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য বা পোস্ট শেয়ার না করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। কোনো কনটেন্টে অপরাধের উপাদান পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

বক্তারা বলেন, গুজব ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা শনাক্ত, দ্রুত সত্যতা যাচাই এবং সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে সাইবার মনিটরিং কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ