আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সংখ্যালঘু পরিবারের সম্পত্তি নিয়ে হয়রানির অভিযোগ

রিপন মজুমদার স্টাফ রিপোর্টার নোয়াখালী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের কুতুবপুর ইউনিয়নে সম্পত্তি নিয়ে বিরাধের জের ধরে এক সংখ্যালঘু পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে স্থানীয় কতিপয় জনপ্রতিনিধির যোগসাজশে অসহায় পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে সাজানো হামলা,ভাংচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ তোলা হয়।

ভুক্তভোগী কাঞ্চন ভৌমিক ও তার পরিবার গত শুক্রবার ভূমিদস্যু, কিশোর গ্যাং থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাঁচার আকুতি চেয়ে মাইজদী বাজারে সংবাদ সম্মেলনে করেছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, নন্দ দুলাল ভৌমিকের সাথে বাড়ির ভিতর কুতুবপুর মৌজার ৩২৪ হালে ৩০৭ জিলা জরিপী ২৫১/১, এম,আর, আর ২৫২/১ খতিয়ানের সাবেক ১১৮৬ হাল দাগ ১১৬৮ খতিয়ানের ২ আনা ১১৩ শতক সম্পত্তির খতিয়ানের অন্দরে ২৪ শতাংশ বাগান, যাহার চূড়ান্ত খতিয়ান ৯৫৫ হয়। উক্ত সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলমান রয়েছে। এ বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে নন্দ দুলাল ভৌমিক গং আদালতের নির্দেশ অমান্য করে আমাদের মালিকানা জায়গা দখল করে পাকা ভবন নির্মাণ করছে। এমনকি সম্পত্তি ভোগ-দখল করতে দিবেনা বলে হুমকি দিচ্ছে। এছাড়াও অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ. মারমুখী আচরণ করে, বিভিন্ন ভয় ভীতি দেখিয়ে জীবন নাশের হুমকি দেয়। পুলিশের সামনে বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমাকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলার প্রকাশ্যে হুমকি দেয়। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি। যাহার জিডি নং-৮৮০।

তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, স্থানীয় মেম্বারসহ অনেকেই এই সন্ত্রাসীদের আশ্রয় প্রশয় দিচ্ছে। সন্ত্রাসীদের ভয়ে তারা এলাকায় যেতে পারছেন না। নন্দ দুলাল আদালতের আদেশ অমান্য করে নালিশী ভূমিতে ভবন নির্মাণ করছে। কয়েকটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মনগড়া তথ্য দিয়ে মিথ্যাচার করছে। এ ধরনের হয়রানির আমরা তীব্র নিন্দাও প্রতিবাদ জানাই।

অভিযোগের বিয়য়ে জানতে চাইলে নন্দ দুলাল অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, আমরা একই বাড়ির লোক। তাদের সাথে একটি জায়গা নিয়ে আমাদের বিরোধ চলছে। তবে হত্যার হুমকির অভিযোগ সঠিক নয়।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সম্পত্তি নিয়ে দুই পক্ষের দীর্ঘ দিনের বিরোধ এটি। এ নিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল। তবে কোন পক্ষ করেছিল এটি আমার সঠিক জানা নেই।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে বিআরটিএ’র সতর্ক সংকেত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে সতর্ক সংকেত হিসেবে লাল পতাকা স্থাপন করেছে। ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি বাঁকে উভয় পাশে সারিবদ্ধভাবে এসব পতাকা বসানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছরে এসব বাঁকে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে গত বছরের ঈদুল ফিতরের দিন সকালে লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়া এলাকায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কয়েকজন নিহত হন। এরপর থেকেই বাঁকগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি ওঠে।

মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েকজন বাস চালক জানান, রাতে বা কুয়াশার সময় হঠাৎ বাঁক সামনে চলে আসায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। নতুন করে লাল পতাকা বসানোয় আগেভাগেই সতর্ক হওয়া সহজ হবে।তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু অস্থায়ী পতাকা নয়-স্থায়ী সাইনবোর্ড, গতিসীমা নির্দেশনা, রিফ্লেক্টর ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও জরুরি। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর তালিকা অনুযায়ী, যেসব স্থানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহাগাড়ার চুনতির শেষ সীমানায় বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সংলগ্ন বাঁক, লোহাগাড়া–চুনতির জাঙ্গালিয়া বাঁক, চুনতির ডেপুটি বাজারের আগে ও পরের বাঁক, চুনতি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকা, লোহাগাড়া রাজাঘাটা, সাতকানিয়ার মিঠা দীঘি, চন্দনাইশের খানহাট পুকুর এবং পটিয়ার পাইরুল মাজারসংলগ্ন বাঁক।

বিআরটিএ চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) উথুয়াইনু চৌধুরী বলেন, ঈদের সময় এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে আগাম সতর্কতা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিআরটিএর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি বাঁকের উভয় পাশে পাঁচটি করে মোট ১০টি লাল পতাকা বসানো হয়েছে। ফলে দূর থেকেই চালকেরা বিপজ্জনক বাঁক সম্পর্কে সতর্ক হতে পারবেন।

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ