মাধবপুরে সৈয়দ মোহাম্মদ শাহজাহানের টানা তৃতীয় বারের মতো বিজয়।

উত্তম কুমার গোস্বামী মাধবপুর:

হবিগঞ্জ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চতুর্থ ধাপর নির্বাচনে হবিগঞ্জ মাধবপুর উপজেলার টানা তৃতীয় বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সৈয়দ মোহাম্মদ শাহজাহান।
বুধবার ( ৫ জুন ) রাত ১০ টায় মাধবপুর উপজেলার পরিষ হলরুমে সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা এ, কে কর্তৃক ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে তিনি প্রায় হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন। এ নিয়ে তিন টানা বার ও মোট চারবার মাধবপুর উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী সৈয়দ মোহাম্মদ শাহজাহানের (ঘোড়া) পতীক পেয়েছেন ৬২ হাজার ২শ ৫৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রথী জাকির হোসেন চৌধুরী (আনারস) প্রতীক পেয়েছে ৩৮ হাজার ৫২ ভোট ও সৈয়দ হাবিবুল উল্লাহ সূচন (শালিক পাখি) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ৫ শ ৫৪ ভোট।
এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৮ হাজার ৬ শ ৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন এরশাদ আলী ( বই প্রতি )। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রথী মো: আব্দুল আজিজ (চশমা প্রথীক ) পেয়েছেন ২৭ হাজার ৯ শ ৬৮ ভোট।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আছমা আক্তার ( সেলাইমেশিন প্রতীক ) ৫০ হাজার ২শ ৫৪ ভোট পেয়ে বিজয় হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রথী ফাতেমা তুজ জোহরা (পদ্মফুল প্রতীক ) পেয়েছেন ১৮ হাজার ২শ ৩০ ভোট।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতির ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেট ও হবিগঞ্জে এনসিপি নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।পোস্টে হামলার পেছনে ‘সুপরিকল্পিত উদ্দেশ্য’ থাকতে পারে বলে মন্তব্য করায় শুরু হয় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। পরে পোস্টটি সরিয়ে নেয়ার পরও বিতর্ক থামেনি।

একদিকে এপোস্টকে নিয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনসহ একাধিক নেতা জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। মনিরা শারমিন নিজের ফেসবুক পোস্টে জামায়াতের সাম্প্রতিক বিতর্কিত একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে হামলার প্রতিবাদ না জানিয়ে ‘ডিপ প্ল্যান’ খোঁজার প্রবণতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন।

অন্যদিকে, শিবির-সমর্থিত বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের পক্ষের পোস্টও যথেষ্ট দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে এনসিপি ও জামায়াত-সমর্থকদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য অব্যাহত রয়েছে।

হবিগঞ্জে সারজিস ও নাছিরের বিরুদ্ধে মামলা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় নাগরিক পার্টি, র মূখ্য সমন্বয়ক নাছির উদ্দিন পাটোয়ারী ও উত্তররাঞ্চলের মূখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম সহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৪০/৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ ইকবাল হোসেন রুকন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন।

যাদের নামে মামলা হয়েছে, তারা হলেন হবিগঞ্জ জেলা জাতীয় শক্তির আহ্বায়ক নুর আলম চৌধুরী, ফকরুদ্দিন, আব্দুল হাই কামাল, রুহাম গাজী, সদস্য সচিব মাহবুবুল বারী চৌধুরী, নাহিদ উদ্দিন তারেক, আবু হেনা মোস্তফা কামাল ও ওয়াদুদ মাহমুদ চৌধুরী। এজাহারে বাদী ইকবাল হোসেন রুকন উল্লেখ করেন, ২৮ জুলাই কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কর্মসূচির অংশ হিসেবে জুলাই আন্দোলনের শহীদ রিপন শীলের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং শোকসভায় অংশ নিতে নেতাকর্মীরা হবিগঞ্জ কোর্ট মসজিদের সামনে জড়ো হন।

এ সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা নাছির উদ্দিন পাটোয়ারী, সারজিস আলম, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, মাহবুবুল বারী চৌধুরী নেতৃতে ৪০/৫০ জন এনসিপির নেতাকর্মীরা ছাত্রদলের বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয়। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও পাল্টা শ্লোগান দিলে উভয় পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ বাঁধে।এতে জেলা ছাত্রদলের নেতা মাহফুজ চৌধুরী ও মোজাক্কির হোসেন ইমনসহ কয়েকজন আহত হন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, হামলার সময় কয়েকজনের কাছে থাকা পাঁচটি মোবাইল ফোন ও নগদ ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্তরা চলে যায় এবং আহতরা হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক জানান-অভিযোগ পেয়েছি,আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ