চট্টগ্রামে ৪ উপজেলায় ২৫০ পরিবার পাচ্ছে জমিসহ ঘরের মালিকানা হস্তান্তর

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আয়োজিত প্রেস কনফারেন্সে বক্তব্য রাখছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান
সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেছেন, পবিত্র ঈদ-উল আযহার আগেই ১১ জুন মঙ্গলবার সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক চট্টগ্রাম জেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন ৫ম পর্যায়ের (২য় ধাপ) ২৩৪টি ও জরাজীর্ণ ব্যারাক প্রতিস্থাপন করে ১৬টি একক গৃহ নির্মাণসহ মোট ২৫০টি পরিবারকে ২ শতাংশ জমিসহ ঘরের মালিকানার দলিল হস্তান্তর কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। এই ২ শতাংশ জমিসহ ঘরের মালিক হবেন স্বামী-স্ত্রী। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ, মীরসরাই, সীতাকুন্ড এবং সন্ধীপ উপজেলা ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থাকবে। অনুষ্ঠানে উক্ত তিনটি উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হবে এবং একই সাথে এ জেলাকেও ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, নদী ভাঙ্গনের কারণে কেউ ভূমি-গৃহহীন হয়ে যায় বা উদ্বাস্তু হওয়ার তথ্য পেলে তাদেরকে ও ২ শতাংশ জমিসহ ঘর দেয়া হবে। ছিন্নমূল মানুষদের পুনর্বাসনের মাধ্যমে অন্তর্ভূক্তিমূলক উন্নয়নে শেখ হাসিনা মডেল তথা আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন বদ্ধ পরিকর। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রেস কনফারেন্সে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আবদুল মালেক, আরডিসি পান্না আক্তার সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হোসেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারহানুর রহমান, স্টাফ অফিসার টু ডিসি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফাহমুন নবী এসময় উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, ৫ম পর্যায়ে এ পর্যন্ত ৩৮৮ ঘরের বরাদ্দ পাওয়া গেছে। তন্মধ্যে বিগত ১৪ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে ৮১টি পরিবারকে গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধন করা হয় এবং উক্ত পরিবারসমূহকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। ২৩৪ টি (চন্দনাইশ-১৫৫টি, মীরসরাই-৩৪টি ও সীতাকুন্ড-৪৫টি) পরিবারকে গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক আগামীকাল ১১ জুন মঙ্গলবার উদ্বোধন করা হবে। মীরসরাই উপজেলার জন্য নতুনভাবে ৭৩টি ঘরের বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছে। যার নির্মাণ কাজ সমাপ্তির পর্যায়ে। এছাড়াও জরাজীর্ণ ব্যারাকের স্থলে একক গৃহ নির্মাণের জন্য ১১৬টি ঘরের বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছে। তন্মধ্যে বিগত ১৪ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে ১০০ পরিবারকে গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধন করা হয়। আগামীকাল ১১ জুন মঙ্গলবার অবশিষ্ট ১৬টি পরিবারকে গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধন করা হবে।
জেলা প্রশাসক বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বপ্ন দেখেছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশের। যুদ্ধ বিধ্বস্ত নবীন দেশে ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে নোয়াখালী সফরে গিয়ে আশ্রয়হীনদের প্রথম পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁরই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ১ম বার সরকার গঠনের পর ১৯৯৭ সালে আশ্রয়হীনদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারি অর্থায়নে প্রথম উদ্যোগ হিসেবে গ্রহণ করেন “আশ্রয়ণ প্রকল্প”। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে তাঁর সুযোগ্য কন্যা দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে বাসস্থান নিশ্চিতের ঘোষণা দেন। সরকারি উদ্যোগে দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ভূমি ও গৃহ প্রদানের এ নজির পৃথিবীর বুকে অনন্য।
তিনি বলেন, “মুজিব শতবর্ষে একজন লোকও গৃহহীন থাকবে না” মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়নে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ২ শতাংশ জমিসহ সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে ঘর প্রদানের কার্যক্রম গ্রহণ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম জেলায় ১ম পর্যায়ে ১৪৪৪টি ঘরের বরাদ্দ প্রদানসহ তাদেরকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। ২য় পর্যায়ে ৬৪৯টি ঘরের বরাদ্দ প্রদান করা হয় এবং ৬৪৯টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে, ৩য় পর্যায়ে ১৯৬২টি ঘরের বরাদ্দ প্রদান করা হয় এবং ১৯৬২টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে, ৪র্থ পর্যায়ে ১২২৩টি ঘরের বরাদ্দ প্রদান করা হয় এবং ১২২৩টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। বরাদ্দপ্রাপ্ত ঘরসমূহ ইতোমধ্যে উপকারভোগীদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে এবং উপকারভোগী পরিবারসমূহ উক্ত ঘরসমূহে বসবাস করছেন।
ডিসি বলেন, সন্ধীপ উপজেলায় নির্মাণাধীন ৪টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের মধ্যে ৩টি আশ্রয়ণ প্রকল্প বাংলাদেশ নৌবাহিনী কর্তৃক হস্ত…

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পদ্মার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পদ্মার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে উপজেলার চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ দুর্যোগের সময়ে বানভাসি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে চিলমারী ইউনিয়নের বাংলা বাজার-উদয়নগর এলাকায় বিজিবির কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) উদ্যোগে ৫০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী (চাল, ডাল, তেল, আটা ও লবণ) বিতরণ করা হয়।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান, কুষ্টিয়া সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন এবং কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি।

দুর্যোগের এই সময়ে বিজিবির পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উদয়নগর গ্রামের বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, চারদিকে পানি উঠায় আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে খুব বিপদে আছি। না ছিল খাওয়ার ব্যবস্থা, না ছিল চলাচলের উপায়। এই কঠিন সময়ে বিজিবির কর্মকর্তারা নিজ হাতে আমাদের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর থেকেই ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর রাখছে। চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বানভাসি মানুষদের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে আমাদের এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ। দুর্গম ও প্লাবিত এলাকাগুলোতে বিজিবির টহল ও পর্যবেক্ষণ জোরদার রয়েছে।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শেষে বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান বলেন, সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির অর্পিত দায়িত্বের অংশ। পদ্মার পানি বাড়ায় এই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। আমরা সাধ্যমতো খাদ্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছি এবং বন্যাকবলিত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

অনলাইন স্ক্যামিংয়ের’ অভিযোগে চট্টগ্রামে ৬৩ বিদেশির রিমান্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের পশ্চিম খুলশী-জালালাবাদ এলাকায় ‘অনলাইন স্ক্যামিংয়ের’ অভিযোগে গ্রেফতার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহিদুল ইসলাম এ আদেশ দেন।একই সঙ্গে মামলার তদন্তকারী সংস্থা কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে (সিটিইউ) ২০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী বলেন, ৬৩ বিদেশি নাগরিককে গ্রেফতারের ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করেছিল। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পাশাপাশি তদন্তকারী সংস্থা সিটিইউকে ২০ দিনের মধ্যে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে, গত ৮ সেপ্টেম্বর সকালে পুলিশ পাহারায় ৬৩ বিদেশি নাগরিককে আদালতে হাজির করা হয়। রিমান্ড আবেদনের শুনানির সময় তারাও এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। পরে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে করা মামলায় রিমান্ডের আবেদন করে। মঙ্গলবার ওই আবেদনের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে, গত ৫ সেপ্টেম্বর মহানগরের একটি কুরিয়ার থেকে ১১৮ গ্রাম কোকেন উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার মোহাম্মদ মহসিনকে ৬৩ বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে করা মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখানোর আবেদন করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদনও করা হয়েছে।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম জানান, গ্রেফতার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে মহসিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তাদের থাকার জন্য তিনি একটি আটতলা ভবন ভাড়া করে দিয়েছিলেন। ওসি আরও জানান, কয়েক দিন আগে মহসিন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ১১৮ গ্রাম কোকেন ঢাকার এক ব্যক্তির কাছে পাঠিয়েছিলেন। পরে কোকেনের চালানটি ফেরত আসে। ওই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ ৬৩ বিদেশি নাগরিকের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে।

কোকেনের মামলায় সেই মহসিনেরী রিমান্ড : ১১৮ গ্রাম কোকেনের সূত্র ধরে নগরের খুলশী থানার কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকায় ৬৩ বিদেশি নাগরিকের ‘আস্তানা’র তথ্য বেরিয়ে আসার ঘটনায় গ্রেপ্তার মোহাম্মদ মহসিনকে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে খুলশী থানার সাইবার অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিদুল ইসলামের আদালত এই আদেশ দেন। গত ১২ সেপ্টেম্বর নগরের খুলশী এলাকা থেকে মহসিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।তার বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায়। তিনি নগরের কর্ণফুলী এলাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ডিসি (প্রসিকিউশন) মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কোকেনের মামলায় মহসিনের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।একইসঙ্গে তাকে আইসিটি আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, মহসিনের পাঠানো ১১৮ গ্রাম কোকেনের সূত্র ধরেই খুলশীর কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকার একটি আটতলা ভবনে ৬৩ বিদেশি নাগরিকের অবস্থানের তথ্য পাওয়া যায়।

পুলিশ জানায়, কয়েক দিন আগে কুরিয়ারের মাধ্যমে ঢাকায় এক ব্যক্তির কাছে কোকেন পাঠিয়েছিলেন মহসিন। পরে কোকেনগুলো ফেরত এলে বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে পুলিশ। অনুসন্ধানের একপর্যায়ে খুলশীর ওই ভবনে বিদেশি নাগরিকদের অবস্থানের তথ্য সামনে আসে। ৬৩ বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে মহসিনের সরাসরি যোগাযোগ ছিল। তার মাধ্যমেই তাদের জন্য আটতলা ভবনটি ভাড়া নেওয়া হয়। এমনকি বিদেশিদের পাসপোর্টও তার কাছে জমা ছিল বলে দাবি পুলিশের।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ