বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নিলেন বিজিপির আরও ২৮ সদস্য

আবু বক্কর সিদ্দিক বিশেষ প্রতিনিধি উখিয়া:

কক্সবাজার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মিয়ানমারের রাখাইনে চলমান যুদ্ধে বিদ্রোহী আরকান আর্মির সঙ্গে লড়াইয়ে টিকতে না পেরে দেশটির বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) আরও ২৮ জন সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার ভোরে নৌকায় করে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে সশস্ত্রভাবে তাঁরা নাফ নদ পেরিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁদের নিরস্ত্র করে বিজিবির হেফাজতে রাখা হয়েছে।

টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের আঁচারবনিয়া সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে বিজিপির এসব সদস্য পালিয়ে আসার তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী।

তিনি বলেন, ভোরে নাফ নদের আঁচারবনিয়া পয়েন্ট দিয়ে একটি কাঠের ট্রলারে অস্ত্রসহ বিজিপির অন্তত ২৮ জন সদস্য পালিয়ে আসেন। পরে তাঁরা সীমান্তে টহলরত বিজিবির সদস্যদের কাছে আত্মসমর্পণ করে আশ্রয় প্রার্থনা করেন। পালিয়ে আসা বিজিপির সদস্যদের হেফাজতে নেওয়ার পর বিজিবির দমদমিয়া বিওপিতে রাখা হয়েছে।

এর আগে কয়েক দফায় সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে বাংলাদেশে আসা বিজিপি ও সেনাবাহিনীর ৭৫২ জনকে তিন দফায় মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়। এর মধ্যে ৯ জুন ১৩৪ জন ও ২৫ এপ্রিল ২৮৮ বিজিপি ও সেনাসদস্য কক্সবাজার

শহরের নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট দিয়ে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়। এ ছাড়া গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ৩৩০ বিজিপি, সেনা ও কাস্টমস কর্মকর্তাকে উখিয়ার ইনানী নৌবাহিনীর জেটি ঘাটে মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আগামী ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী বন্দর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দিলে দেশের কী লাভ হবে, তা সরকারকে জনগণের কাছে স্পষ্ট করতে হবে। একইভাবে এনসিটি ইজারা দেওয়া হলে দেশের কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে, সে বিষয়েও সরকারের সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে সংলাপের প্রয়োজন রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটি আহূত আগামী ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী বন্দর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে জাতীয় ফেডারেশন ও বেসিক ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। তাঁরা এ বিষয়ে প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় সংলাপ আয়োজনের আহ্বান জানান।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সুলতান আহমদ হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার।সঞ্চালনা করেন কমিটির সদস্যসচিব ফজলুল কবির মিন্টু।সভা থেকে আগামী ৫ অক্টোবর বন্দর ভবনের সামনে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচিতে সর্বস্তরের শ্রমিক, জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র। বন্দরের সঙ্গে জাতীয় অর্থনীতি ও বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের স্বার্থ জড়িত। তাই বন্দরের ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায় জাতীয় স্বার্থের পাশাপাশি শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বক্তারা ৫ অক্টোবরের অবস্থান কর্মসূচি সফল করতে বিভিন্ন জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান। তবে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি ও আন্দোলনকে সরকার দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করলে তা ভুল হবে। সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে দাবি আদায়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। প্রয়োজনে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অবরোধ ও হরতালের মতো কর্মসূচিও ঘোষণার কথা জানান তারা।
সভায় আলোচনায় অংশ নেন টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বন্দর সিবিএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এসকে খোদা তোতন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শ ম জামাল উদ্দিন, টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল খান, জাতীয়তাবাদী ডক শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হারুন ও

সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল বাতেন, সহ-সম্পাদক ইব্রাহীম ফরাজি, বিএফটিইউসির সভাপতি আনোয়ারুল হক হুনি, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ মিয়া, বন্দর উইঞ্চ ক্রেন অপারেটর সমিতির নেতা ইমাম হোসেন স্বপন, বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রহিম, কমিউনিটি সেন্টার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. পারভেজ, চট্টগ্রাম যুব ট্রেড ইউনিয়ন নেটওয়ার্কের সদস্যসচিব হাসিবুর রহমান বিপ্লব, লুৎফুন্নাহার সোনিয়া, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের নেতা হেলাল উদ্দিন কবির, ইমান আলী জানুসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সৌদি আরবকে রক্ষায় শর্তহীনভাবে প্রস্তুত পাকিস্তান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরবকে রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী। দেশটির সামরিক বাহিনীর প্রধান মুখপাত্র বলেছেন- রিয়াদের নিরাপত্তার প্রতি ইসলামাবাদের এই অঙ্গীকার শর্তহীন প্রতিশ্রুতি। বৃহস্পতিবার আরব নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী একথা বলেন। কূটনৈতিক ও শারীরিক উভয়ভাবেই পাকিস্তান পুরোপুরি সৌদি আরবের পাশে রয়েছে। ইয়েমেনের হুতি মিলিশিয়া সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে হামলা চালানোর মধ্যে তিনি এ মন্তব্য করলেন। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে এযুদ্দের কারণে তেল সরবরাহের ওপর নতুন করে হুমকি তৈরি হয়েছে।
খবর – অনলাইন জিও নিউজ।


পাকিস্তান আইএসপিআর মহাপরিচালক আবারও বলেন- সৌদি আরবের প্রতি পাকিস্তানের অঙ্গীকারের মধ্যে মক্কা ও মদিনার সুরক্ষাও অন্তর্ভুক্ত। এ নিয়ে কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয়। একই সঙ্গে তিনি জানান- যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পাকিস্তান সৌদি আরবকে রক্ষা করে যাবে।

আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে সামরিক বাহিনীর এই মুখপাত্র বলেন-সংঘাতের আলোচনার মাধ্যমে ও শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করতে ইসলামাবাদ আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। সম্প্রতি সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক ‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে’ স্বাক্ষর করেছে। এটা মক্কা চুক্তি হিসেবেই পরিচিত। এর অধীনে এক দেশের বিরুদ্ধে কোনো দেশ আক্রমণ চালালে তা জোটের সব দেশের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ