আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

তিন শর্তে প্রাথমিক অনুমোদন

নগর পরিবহন বহরে যুক্ত হচ্ছে ২০টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে পরিবহন বহরে যুক্ত হচ্ছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বাস সার্ভিস। ‘চট্টলা চাকা’ নামে বাসগুলো সড়কে নামানোর উদ্যোগ নিয়েছে ‘শান্তি এক্সপ্রেস লিমিটেড’ নামে একটি সংস্থা। প্রথম ধাপে সংস্থাটি ২০টি বাস নামানোর প্রস্তুতি নিয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১ জুলাই থেকে সড়কে বাসগুলো নামানোর কথা রয়েছে। এদিকে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন এলাকার যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কমিটি (আরটিসি) তিন শর্তে বাসগুলো নামানোর প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে। শর্তগুলো হল-প্রতিটি গাড়ি ৪০ সিটের হতে হবে। গাড়ি ছাড়ার শুরু এবং শেষ প্রান্তে অর্থাৎ কাপ্তাই রাস্তার মাথা এবং কাটগড় প্রান্তে বাস রাখার নিজস্ব ডিপো থাকতে হবে, ডিপো ভাড়া নেয়ার চুক্তিপত্র বিআরটিএর কাছে জমা দিতে হবে এবং লোকাল যাত্রী নিতে পারবে না।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম বিভাগীয় অফিসের রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমান জানান, শর্তসাপেক্ষে কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে কাটগড় পর্যন্ত ‘শান্তি এক্সপ্রেস লিমিটেড’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে এসি বাস নামানোর প্রাথমিক অনুমোদন দেয়া হয়েছে আরটিসির সভায়। সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বাসগুলোকে রুট পারমিট দেয়া হবে। মতিউর আরো জানান, গাড়িগুলো কেনার পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে রেজিস্ট্রেশনের জন্য বিআরটিএতে আবেদন করতে হবে। এছাড়া গাড়িগুলো বিআরটিএর কাছে প্রদর্শন করতে হবে। এরপর বিআরটিএর একটি টিম আরটিসির দেয়া শর্তগুলো পূরণ করেছে কিনা তা দেখতে সরেজমিন পরিদর্শনে যাবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বাসগুলোতে রুট পারমিটের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হবে।
জানা গেছে, নগরীর ১৮ রুটে ১৫৪৫টি বাস মিনিবাস চলাচলের অনুমোদন দেয়া হলেও ১০৪০টি গাড়ি চলাচল করছে। আরো ৫০৫টি বাস মিনিবাস চলাচল করতে পারবে রুটগুলোতে। একইভাবে নগরীতে অটোটেম্পোর রুট রয়েছে ২১টি। রুট গুলোতে ২৩৯৭টি গাড়ি চলাচলের অনুমতি দিয়েছে আরটিসি। সেখানে রুট পারমিট নিয়েছে ১৮৩৯টি। আরো ৫৫৮টি অটোটেম্পোর রুট পারমিট নেয়ার সুযোগ রয়েছে। ১৮টি রুটে ১৪৫৬টি হিউম্যান হলার চলাচলের রুট পারমিট অনুমোদন দিয়েছে আরটিসি। সেখানে চলাচল করছে ৯৯৪টি। আরো ৪৬২টি হিউম্যান হলার পারমিট নিতে পারবে। এরবাইরেও প্রায় ২০০ বাস মিনিবাস আটশোর বেশি হিউম্যান হলার ও টেম্পো নগরীর বিভিন্ন সড়কে চলাচল করছে।
এর আগে ২০১৬ সালে প্রিমিয়ার ট্রান্সপোর্ট সার্ভিস লিমিটেড নামের একটি কোম্পানি নগরীর ১৪ নম্বর রুটে ছয়টি পরিবহন নিয়ে এসি বাস সার্ভিস চালু করেছিল। সেটি স্থায়ী হয়নি। কয়েক মাসের মধ্যে সড়ক থেকে তুলে নেওয়া হয়েছিল। ২০১৯ সালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন নগরীর তিনটি রুটে এসি বাস চালুর উদ্যোগ নেন। সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে এসব বাস চালুর জন্য কর্পোরেশনের ৫২তম সাধারণ সভায় সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছিল। প্রথম দিকে তিনটি রুটে ১০০টি বাস নামানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এরমধ্যে কালুরঘাট থেকে পতেঙ্গা, ভাটিয়ারী থেকে লালদিঘি এবং নিউমার্কেট থেকে ফতেয়াবাদ রুটে বাসগুলো নামানোর কথা ছিল। পরে এই উদ্যোগ সফল হয়নি। আট বছর পর আবারও নতুন করে এসি বাস নামানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে আরটিসির সভায় অনুমোদনও পেয়েছে ‘শান্তি এক্সপ্রেস লিমিটেড’।
শান্তি এক্সপ্রেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, আরটিসির সভায় আমরা ২০টি বাস চলাচলের প্রাথমিক অনুমোদন পেয়েছি। কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে কাটগড় পর্যন্ত এসব বাস চলাচল করবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১ জুলাই থেকে সড়কে বাস নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
শর্তসাপেক্ষে বাস নামানোর অনুমোদন প্রসঙ্গে শাহজাহান জানান, আরটিসি আমাদের তিনটি শর্ত দিয়েছে। সব শর্তপূরণ করেই সড়কে গাড়ি নামানো হবে। ইতিমধ্যে কাপ্তাই রাস্তার মাথা এবং কাটগড়ে বাস পার্কিংয়ের জন্য জায়গা দেখা হচ্ছে। আশা করছি জুলাই মাসের আগে সবকিছু হয়ে যাবে। নিজস্ব পার্কিংয়ের স্থান না থাকলে গাড়িগুলো সড়কে রাখা যাবে না। এরমধ্যে নিজস্ব ডিপোর ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে। রোজার ঈদের পর বাসগুলো নামানোর কথা থাকলেও ডলার সংকটের কারণে বাসগুলোর চেসিস ভারত থেকে আমদানি করা সম্ভব হয়নি। এখন জুলাই মাসের শুরুতে নামাতে পারবো বলে আশা করছি। ইতোমধ্যে ১০টি বাস প্রস্তুত হয়েছে। চেসিস ভারতীয় কোম্পানি টাটা মোটরসের হলেও বডিগুলো ঢাকায় প্রস্তুত করা হচ্ছে। যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারবেন। প্রতিটি বাসে আসন থাকবে ৪০টি। শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ছাড় থাকবে, অর্থাৎ নির্ধারিত ভাড়ার অর্ধেক দেবেন তারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঈদ জামাত সকাল ৮টায়, প্রস্তুত চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ময়দান :চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদ-উল-ফিতরের কেন্দ্রীয় জামাত উপলক্ষে চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ঈদগাহ ময়দান সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বুধবার জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। পরিদর্শনকালে মেয়র নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং রমজানের শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করে চট্টগ্রামের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোস্তফা মনসুর আলম খান, চসিকের জনসংযোগ ও প্রটোকল কর্মকর্তা আজিজ আহমদ, নির্বাহী প্রকৌশলী আনু মিয়া, মেয়রের একান্ত সহকারী জিয়াউর রহমান জিয়া এবং সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, প্রায় ৬৫ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে বিশাল প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে এবং নিচে কার্পেটিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় রেখে ওপরে টারপলিন দেওয়া হয়েছে, যাতে আবহাওয়া প্রতিকূল হলেও ঈদের জামাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। এছাড়া প্রায় ২৫০টি পাখা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, ৫০টি মাইক এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গত সাত দিন ধরে চসিকের উদ্যোগে এসব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায় করতে পারেন।

ডা. শাহাদাত বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার মুসল্লি এই কেন্দ্রীয় জামাতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত মুসল্লির কথা বিবেচনায় রেখে দুটি জামাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে-প্রথম জামাত সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।তিনি আরও বলেন, মুসল্লিদের নির্বিঘ্ন প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য তিনটি গেট খোলা রাখা হবে, পাশাপাশি পেছনের গেটটিও ব্যবহারের উপযোগী করা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের ভিড় বা হুড়োহুড়ি না হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহিনীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নগরীর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে চসিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অপরাধ দমনে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চলছে এবং নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গত ১৬ মাসে চট্টগ্রামে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যা একটি ‘সেফ সিটি’ বা নিরাপদ নগরী গড়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

মাঠ পরিদর্শনকালে মেয়র আরো বলেন, প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের খতিব আলহাজ্ব সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক আল কাদেরী।এছাড়া নগরীতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে সকাল ৮টায় ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে যথাক্রমে লালদীঘি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদ, হযরত শেখ ফরিদ (রঃ) চশমা ঈদগাহ মসজিদ, সুগন্ধা আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, চকবাজার সিটি কর্পোরেশন জামে মসজিদ, জহুর হকার্স মার্কেট জামে মসজিদ, দক্ষিণ খুলশী (ভিআইপি) আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, আরেফীন নগর কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদ, সাগরিকা গরুবাজার জামে মসজিদ এবং মা আয়েশা সিদ্দিকী চসিক জামে মসজিদ (সাগরিকা জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন)।

চট্টগ্রাম কারাগারে ঈদের হাসি ফোটাতে নানা উদ্যেগ, বন্দীরা আপ্যায়িত হবে বিশেষ খাবারে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদে কারাবন্দীদের মুখে হাসি ফোটাতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। প্রায় ছয় হাজার বন্দীদের মাঝে কারাগার কর্তৃপক্ষ ছড়িয়ে দিতে চায় ঈদের আনন্দ। ঈদের দিন কারাগারে স্বজনদের কাছে ছুটলেও চার দেয়ালের বাইরে যাবার সুযোগ নেই কারাবন্দীদের। সরকারি নিয়মীতির মধ্যে থেকেই দেখা করতে হয়। এবার ঈদে কারাগারে বন্দীদের পায়েস, মুড়ি, গরুর ও ছাগলের মাংসের ব্যবস্থা থাকবে। তবে ঈদের পরদিন স্বজনরা বাসায় রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের। বাহিরের কোন বাবুচি নয়, কারাবন্দী কয়েদীরা এই রান্না করবেন বলে জানা গেছে। এবার কারাবন্দী মায়ের সাথে ৪৫ শিশুও ঈদ করবে বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ শরীফ জানান, বিধি অনুযায়ী আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি ঈদে যেন বন্দীদের মন খারাপ না থাকে। ঈদ উপলক্ষে বিশেষ রান্নার আয়োজন করা হবে কারাগারে। কারাগারের ভেতরে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের জামাত। সকাল সাড়ে সাতটায় কারাগারে কর্মরত অফিসার ও কর্মচারীরা নামাজ পড়বেন।

সাড়ে আটটায় অনুষ্ঠিত হবে বন্দীদের ঈদের নামাজ। সকালে বন্দীদের সরবরাহ করা হবে পায়েস, মুড়ি। দুপুরে মুসলিম বন্দীদের জন্য গরুর মাংস। অন্য ধর্মালম্বীদের জন ছাগলের মাংসের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া সবার জন্য থাকবে মুরগির মাংস ও মিষ্টি। রাতে পোলাও এবং পান সুপারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঈদের পরদিন স্বজনরা বাসায় রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের।
কারগারসূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম কে›ন্দ্রীয় কারাগারে সাজা, মত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও হাজতি মিলে বন্দীর সংখ্যা ছিলো প্রায় ছয় হাজার। সেই হিসেবে প্রায় ছয় হাজার বন্দী এবার চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে ঈদ উদযাপন করবেন।

বিপুল সংখ্যাক বন্দীর জন্য কারাগারে উন্নত খাবারের রান্নার আয়োজন করা হয়েছে। করা হয়েছে বাহারি আলোকসজ্জা। ইচ্ছে করলেও কারাবন্দীরা সারাবছর ঘরে রান্নার স্বাদ নিতে পারেন না। তবে ঈদের পরদিন স্বজনরা চাইলে বাড়ির রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের।
জানা গেছে, ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম কারাগার ১৯৯৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় কারাগারে উন্নীত হয়। কারাগারের পাঁচ তলা বিশিষ্ট পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ভবনের প্রতিটিতে ৩০০ জন ও কর্ণফুলী, সাংগু ও হালদা ভবনের প্রতিটিতে ২৪০ জন বন্দী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন। পাঁচ কক্ষ বিশিষ্ট দুটি ফাঁসির সেল ভবন, ৩২ কক্ষ বিশিষ্ট একটি সেল ভবন রয়েছে।

এবার পেশাদার কোন বাবুর্চি নয়, কারাবন্দী কয়েদীরা ২৮ চুলায় এসব রান্না তৈরি করবেন। বন্দীদের রান্নার জন্য দুটি রান্না ঘরে ২৮টি চুলা (চৌকা) রয়েছে। এছাড়া চারতলা বিশিষ্ট একটি মহিলা কয়েদি ও দুই তলা বিশিষ্ট মহিলা হাজতি ব্যারাক রয়েছে দুটি। কাগজে কলমে দুই হাজার ২’শ ৪৮ জন বন্দীর ধারণক্ষমতা সম্পন্ন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীর সংখ্যা ছিল প্রায় ছয় হাজার। এদিকে কোন অপরাধ না করেও কারাগারে বন্দী রয়েছে ৪৫ শিশু। নানা অপরাধে জড়িত কারাবন্দী মায়ের সাথে শিশুরাও বন্দী জীবনযাপন করছে। জেলার সৈয়দ শাহ শরীফ জানান, বন্দী মায়ের সাথে শিশুদের ছয় বছর বয়স পর্যন্ত কারাগারে রাখা হয়। কারাগারে থাকা শিশুদের জন্য খেলাধূলা ও পড়াশোনার ব্যবস্থা রয়েছে। ছয় বছর বয়স পার হলেও তাদেরকে সমাজ সেবার আওতাধীন বিভিন্ন শিশু সদনে পাঠানো হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ