আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

আ.লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য হলেন বিধান রক্ষিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান বিধান রক্ষিত। গত ৮ জুন শনিবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং তথ্য ও গবেষণা বিষয় সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ এমপি স্বাক্ষরিত আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন।
সাংগঠনিক সূত্রে জানা গেছে, এই উপকমিটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ পূর্বক সেগুলো দলের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে উপস্থাপন এবং দলের প্রয়োজনে সব প্রাসঙ্গিক বিষয়ে গবেষণা কর্ম পরিচালনা ও তার ফলাফল সময়ে সময়ে সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে অবহিত করে থাকে।
এদিকে বিধান রক্ষিতকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য মনোনীত করায় তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, সাধারণ সম্পাদক, সড়ক ও সেতু মন্ত্রী জননেতা ওবায়দুল কাদের, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয় সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ এমপি,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
সদস্য পদ প্রাপ্তির বিষয়ে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ একাধারে তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা বিধান রক্ষিত বলেন, আমার বাবা দেশমাতৃকার জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আমৃত্যু কাজ করে গেছেন। কোন লোভ লালসা তাঁকে স্পর্শ করতে পারেনি। চেষ্ঠা করব বাবার আদর্শিক সম্মান-মর্যাদা চির অটুট রাখতে এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার একজন বিশ্বস্ত কর্মী হয়ে জনমানুষের সেবক হতে। বিধান রক্ষিত বলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য পদপ্রাপ্তি আমার জন্য আনন্দের।
জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বর্গীয় পীযুষ কুমার রক্ষিত ও সন্ধ্যা রানী রক্ষিত সন্তান বিধান রক্ষিত ব্রিটিশ ও পাক ঔপনিবেশিক শাসন বিরোধী আন্দোলনে জড়িত ও চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার কানুনগোপাড়া গ্রামের এক সমৃদ্ধ রাজনৈতিক ঐতিহ্য সম্পন্ন পরিবারের সন্তান বিধিান রক্ষিত। বিভিন্ন সামাজিক, সেবামুলক সংগঠনের সাথেও জড়িত বিধান রক্ষিত ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ একাধারে তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা রাজনৈতিক। কানুনগোপাড়া ডা. বিভূতি ভূষণ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি (বিজ্ঞান), কানুনগোপাড়া স্যার আশুতোষ সরকারী কলেজ থেকে এইচ.এস.সি (বাণিজ্য) ও বি.কম. পাশ (বানিজ্য) এবং চট্টগ্রাম কমার্স কলেজ থেকে মাস্টার্স (ব্যবস্থাপনা) প্রিলি সম্পন্ন করেন।
বিধান রক্ষিতের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বর্গীয় পীযুষ কুমার রক্ষিত (মুক্তিযোদ্ধা গেজেট নং-৩৮৬৪) ছিলেন তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধ স্বর্গীয় পীযূষ রক্ষিত স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতীর জনক “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের” পৈশাচিক হত্যাকান্ড এবং পরবর্তীতে কারান্তরালে ঘাতকদের হাতে নিহত জাতীয় চার নেতা হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ করতে গিয়ে “৭৫” উত্তর সামরিক শাসকদের রোষানলে পড়েন। ১৯৭৫ এর ৪ জুন তৎকালীন রাষ্ট্রীয় বাহিনী তাঁকে চট্টগ্রামের ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেফতার করে। মিথ্যা সাজানো সেই মামলায় ১নং অভিযুক্ত হিসেবে দেখিয়ে একতরফা প্রহসনের বিচারের মাধ্যমে তৎকালীন সাময়িক শাসক ৪নং বিশেষ সাময়িক আদালতে ১৭ এম.এল.আর ধারায় একতরফা বিচার করে তাকে ফাঁসিতে ঝুলানোর নির্দেশ দেন। বিভিন্ন পেশার জনগণের তীব্র গণআন্দোলনের কারণে সাময়িক আদালত ফাঁসির রায় পরিবর্তন করে তার বিরুদ্ধে ১৯৭৭ সালের ২০ জানুয়ারী ৭ বৎসর সশ্রম কারাদন্ডের রায় ঘোষণা করে। সেই মিথ্যা মামলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বর্গীয় পীযুষ কুমার রক্ষিতকে কোনরূপ আত্মরক্ষার সুযোগ এমনকি রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে আপিলেরও সুযোগ দেয়া হয়নি। দীর্ঘ প্রহসনের সেই মামলায় ৫ বছর কারাগারে থাকার পর ১৯৮০ সালের ৭ নভেম্বর তাঁকে মুক্তি দেয়া হয়। উল্লেখ্য সেই মামলার ২নং আসামী ছিলেন চট্টগ্রামের সাবেক জনপ্রিয় মেয়র, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, চট্টলবীর জননেতা মরহুম আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তাঁর অনুপস্থিতিতে উক্ত মামলায় ১৯৭৭ সালের ২০ জানুয়ারী তাঁকেও ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছিল। এছাড়া বিধান রক্ষিতে ঠাকুর দাদা ছিলেন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের মাস্টার দা সূর্য সেনের সহযোদ্ধা কবিরাজ হরেন্দ্র লাল রক্ষিত ও যতীন্দ্র মোহন রক্ষিত। বিধান রক্ষিতের কাকা প্রয়াত আবৃত্তিশিল্পী রণজিৎ কুমার রক্ষিত বোধন আবৃত্তি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ছিলেন। চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলাএকাডেমির পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি এবং বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ছিলেন।
অন্যদিকে বিধান রক্ষিত বাংলদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২০১৮ সালের প্রচার উপ-কমিটি সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ৬ষ্ঠ জাতীয় কংগ্রেস ২০১২ শৃঙ্খলা উপ-কমিটির দাযিত্বে, ২০১৬ সালের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে প্রচার উপ-কমিটির সদস্য, বোয়াখালী থানা আওয়ামী লীগের সাবেক এডহক কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বোয়াখালী থানা শাখার সাবেক দপ্তর সম্পাাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ স্যার আশুতোষ সরকারী কলেজ শাখার সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ৯ নং আমূচিয়া ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি, কানুনগোপাড় দিপায়ন খেলার আসরের সাবেক সহ-সভাপতি, বোধন আবৃত্তি পরিষদের সবেক সদস্য, শিশুদের পাঠশালার সাবেক যগ্ম-মহাসচিব, স্পপ্নযাত্রী (তারুণ্যে স্বপ্নে সুন্দর বুনন)সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম কেন্দ্রিয় কমিটির সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় পূজার উদযাপন পরিষদের সহ অর্থ সম্পাদক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা হিন্দু,বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের গণসংযোগ সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর লোকনাথ বাবা সেবক সংঘের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ভোক্তা অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ, চট্টগ্রামের উপদেষ্টা, পটিয়া প্রীতিলতা ট্রাষ্টের আজীবন সদস্য, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এর অর্ডিনারী মেম্বার হিসেবে দায়িত্বে রয়েছে। এছাড়া ২০০৮ সালে ২৯ শে ডিসেম্বর অনুষ্টিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবেক চট্টগ্রাম-৮ আসনে মহাজোট প্রার্থী জাসদের কার্যকরী সভাপতি মরহুম মঈনউদ্দিন খান বাদল (এমপি) এর নির্বাচনী প্রচারণা সেলের দায়িত্বে ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, রেল ষ্টেশন-টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের সাতদিনের ছুটিকে কেন্দ্র পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ বাগাভাগি করতে বন্দরনগরী ছেড়ে যাচ্ছে মানুষ। মহানগরের বাস টার্মিনালগুলো ও রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখ পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক ট্রেন। এছাড়া ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালেও ভিড় করেন যাত্রীরা।

পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে চট্টগ্রাম অনেকটা ফাঁকা হতে শুরু করেছে। নগরের বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় নেই আগের চিরচেনা যানজটের দৃশ্য। যানজটহীন স্বস্তিতে গাড়ি নিয়ে ঘুরছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) শেখ মো. সেলিম বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোনও শঙ্কা নেই। পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার জন্য। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনেও পুলিশ কাজ করছে। যাত্রীদের ভাড়ার বিষয়েও আমরা তদারকি করছি।

বুধবার মহানগরের কদমতলী, বহদ্দারহাট ও নতুন ব্রিজ জিইসি বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি। টিকিট পাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর সকালে ছেড়ে যাওয়া ফিরতি গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ কেউ। যাত্রীর চাপের তুলনায় বাস টার্মিনালে গাড়ির সংকট দেখা গেছে। তবে কাউন্টার বসে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, যে গাড়িগুলো গেছে সেগুলো ফিরে এলেই এই টিকিটের সংকট থাকবে না। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাত্রীরা বলছেন, কোনও ভোগান্তি নেই। তারা নির্বিঘ্নে যথাসময়ে ট্রেনে উঠছেন এবং ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রীরা যেতে পারছেন। সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন। অন্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় গন্তব্যে যাচ্ছে লোকজন।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে বিআরটিএ’র সতর্ক সংকেত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে সতর্ক সংকেত হিসেবে লাল পতাকা স্থাপন করেছে। ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি বাঁকে উভয় পাশে সারিবদ্ধভাবে এসব পতাকা বসানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছরে এসব বাঁকে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে গত বছরের ঈদুল ফিতরের দিন সকালে লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়া এলাকায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কয়েকজন নিহত হন। এরপর থেকেই বাঁকগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি ওঠে।

মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েকজন বাস চালক জানান, রাতে বা কুয়াশার সময় হঠাৎ বাঁক সামনে চলে আসায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। নতুন করে লাল পতাকা বসানোয় আগেভাগেই সতর্ক হওয়া সহজ হবে।তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু অস্থায়ী পতাকা নয়-স্থায়ী সাইনবোর্ড, গতিসীমা নির্দেশনা, রিফ্লেক্টর ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও জরুরি। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর তালিকা অনুযায়ী, যেসব স্থানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহাগাড়ার চুনতির শেষ সীমানায় বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সংলগ্ন বাঁক, লোহাগাড়া–চুনতির জাঙ্গালিয়া বাঁক, চুনতির ডেপুটি বাজারের আগে ও পরের বাঁক, চুনতি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকা, লোহাগাড়া রাজাঘাটা, সাতকানিয়ার মিঠা দীঘি, চন্দনাইশের খানহাট পুকুর এবং পটিয়ার পাইরুল মাজারসংলগ্ন বাঁক।

বিআরটিএ চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) উথুয়াইনু চৌধুরী বলেন, ঈদের সময় এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে আগাম সতর্কতা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিআরটিএর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি বাঁকের উভয় পাশে পাঁচটি করে মোট ১০টি লাল পতাকা বসানো হয়েছে। ফলে দূর থেকেই চালকেরা বিপজ্জনক বাঁক সম্পর্কে সতর্ক হতে পারবেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ