ময়মনসিংহ:

আমি ও আমার পরিবার গৌরীপুরবাসীর কাছে চিরকৃতজ্ঞ ও ঋণী- সোমনাথ সাহা

ওবায়দুর রহমান গৌরীপুর ময়মনসিংহ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আমাকে যারা মূল্যবান ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন, তাদের কাছে আমি ও আমার পরিবার চির কৃতজ্ঞ ও ঋণী। আমি আপনাদের সেবক হিসেবে থাকতে চাই।’ গত বৃহস্পতিবার বিকেলে গৌরীপুর উপজেলা পরিষদ পাবলিক হলে আয়োজিত সুধী সমাবেশে এসব কথা বলেছেন গৌরীপুর থেকে

নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোমনাথ সাহা।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার স্মৃতি মিলনায়তনে শপথ গ্রহণ করেন তিনি। শপথ বাক্য পাঠ করান ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া।

সুধী সমাবেশে সোমনাথ সাহা সকলের সার্বিক সহযোগিতা, পরামর্শ ও মতামতের ভিত্তিতে এবং ঐক্যবদ্ধতায় গৌরীপুর উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রæতি ব্যক্ত করেছেন।
‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার দিক-নির্দেশনা মোতাবেক জনগণকে পাশে নিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে এলাকায় সকল উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করবেন বলেও তিনি জানান।

সুধী সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন আহমেদ।
গৌরীপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু কাউছার চৌধুরী রন্টির সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহাম্মদ, সাবেক পৌর মেয়র মোঃ শফিকুল ইসলাম হবি, জেলা পরিষদের সদস্য মুহাম্মদ গোলাম সামদানী খান সুমন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সোহেল রানা, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নিলুফা ইয়াসমিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ম. নুরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন, গৌরীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল হোসেন জুয়েল, সহনাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহি দাস আচার্য্য, বোকাইনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসলেম উদ্দিন, ইউপি চেয়ারম্যান আল মুকতাদির শাহীন প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতির ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেট ও হবিগঞ্জে এনসিপি নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।পোস্টে হামলার পেছনে ‘সুপরিকল্পিত উদ্দেশ্য’ থাকতে পারে বলে মন্তব্য করায় শুরু হয় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। পরে পোস্টটি সরিয়ে নেয়ার পরও বিতর্ক থামেনি।

একদিকে এপোস্টকে নিয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনসহ একাধিক নেতা জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। মনিরা শারমিন নিজের ফেসবুক পোস্টে জামায়াতের সাম্প্রতিক বিতর্কিত একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে হামলার প্রতিবাদ না জানিয়ে ‘ডিপ প্ল্যান’ খোঁজার প্রবণতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন।

অন্যদিকে, শিবির-সমর্থিত বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের পক্ষের পোস্টও যথেষ্ট দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে এনসিপি ও জামায়াত-সমর্থকদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য অব্যাহত রয়েছে।

ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে এনসিপি ছাড়লেন মাহমুদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে দল ছাড়লেন এনসিপি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব ইব্রাহিম মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই নিজের ফেসবুকে আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘আমি ইব্রাহিম মাহমুদ, যুগ্ম সদস্য সচিব, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), কুলাউড়া উপজেলা।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ