আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

নগরে ভূ-গর্ভস্থ বর্জ্য সংরক্ষণাগার নির্মাণে এক মাসের মধ্যে দরপত্র

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে নির্মাণ হচ্ছে ভূ–গর্ভস্থ বর্জ্য সংরক্ষণাগার। আগামী এক মাসের মধ্যে দরপত্র আহবান করা হবে বলে জানা গেছে। এদিকে ভূ–গর্ভস্থ বর্জ্য সংরক্ষণাগার নির্মাণে ছয়টি স্থান চূড়ান্ত করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।স্থানগুলো হলো মহাজন ঘাটা, জিএম গেইট, নয়া বাজার মোড়, আলমাস মোড় এবং ২ নম্বর গেইট। এছাড়া জিইসি কনভেনশন হলের পেছনে অথবা নূর আহমদ সড়কে বিএনপির অফিসের সামনে বর্তমানে যেখানে ময়লা সংরক্ষণ করা হয় তার কোনো একটিতে এই এসটিএস নির্মাণ করা হবে। এদিকে ছযটি স্থান চূড়ান্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করে সিটি মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে দরপত্র আহবান করা হবে।
চসিক সূত্রে জানা গেছে, ফিনল্যান্ডের হাবা গ্রুপ গত বছরের আগস্ট মাসে চসিককে ভূ–গর্ভস্থ এসটিএস সরবরাহের প্রস্তাব দেয়। এরপর নভেম্বর মাসে ‘হাবা–আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়েস্ট স্টোরেজ সিস্টেম’ এর আমন্ত্রণে ফিনল্যান্ড সফর করেন মেয়র। সেখানে তিনি ভূ–গর্ভস্থ এসটিএস পরিদর্শন করে এর নানা দিক খতিয়ে দেখেন। জানা গেছে, বাসা-বাাড়ি বা উৎস থেকে সংগৃহীত বর্জ্য এসটিএস এ নিয়ে আসে চসিক। এরপর এসটিএস থেকে ডাম্প ট্রাকে করে হালিশহরের আনন্দবাজার ও আরেফিন নগরে অবস্থিত ল্যান্ডফিলে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে চান্দগাঁও ওয়ার্ডের এফআইডিসি রোড, লালখান বাজার ওয়ার্ডের টাইগারপাস, পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের বরিশাল কলোনি, উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের সাগরিকা, হালিশহর মুনিরনগর ওয়ার্ডের পোর্ট কানেকটিং রোডের পোর্ট মার্কেট, দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডের বিমানবন্দর সড়কের বিজয় নগর বা ১৫ নম্বর এলাকায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে ৬টি এবং চান্দগাঁও এক কিলোমিটার ফ্লাইওভারের নিচে চসিকের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত একটি এসটিএস আছে।
জাইকার তথ্য অনুযায়ী, নগরের ৪১ ওয়ার্ডে দৈনিক ৩ হাজার টন বর্জ্য উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে ১ হাজার ৮৩০ টন গৃহস্থালি, ৫১০ টন সড়ক ও অবকাঠামোগত এবং ৬৬০ টন মেডিকেল বর্জ্য। উৎপাদিত বর্জ্যের মধ্যে কর্পোরেশন সংগ্রহ করে দুই হাজার টন। বাকি বর্জ্য নালা–নর্দমা, খাণ-বিল, নদী ও উন্মুক্ত স্থানে পড়ে থাকে। এছাড়া ২০২২ সালের আগস্ট থেকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বর্জ্য নিয়ে সমীক্ষায় চালায় ‘জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন’ এবং ‘ইয়চিও ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন’। এতে বলা হয় নগরে প্রতিদিন গড়ে দুই হাজার ১০০ টন বর্জ্য উৎপাদন হয়। যার ৬৮ শতাংশই খাদ্য সংশ্লিষ্ট।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ভূ–গর্ভস্থ এসটিএস যখন ৮০ শতাংশ পূর্ণ হবে তখন অটো নোটিফিকেশন (স্বয়ংক্রিয় বার্তা) আসবে। তাছাড়া হাইড্রোলিক প্রেসারের মাধ্যমে ময়লাকে সংকোচন করে অর্ধেক হয়ে যাবে। অর্থাৎ ১০ টন ময়লা ফেললে সংরক্ষণ করলে তা ৫ টন হয়ে যাবে। এতে একই স্থানে আগের তুলনায় দ্বিগুণ বর্জ্য সংগ্রহ করা যাবে। একইসঙ্গে এসটিএস থেকে ল্যান্ডফিলে নেয়ার ক্ষেত্রে চসিকের ময়লা পরিবহন খরচও কমে আসবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ