আজঃ বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ, ২০২৬

জাতীয়:

সংসদে ‘মুজিব ও স্বাধীনতা’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ঢাকা অফিস:

জাতীয়:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনে নির্মিতব্য মুজিব ও স্বাধীনতা’র উদ্বোধন করেছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা এমপি।

সোমবার (জুন ২৪) বিকেলে জাতীয় সংসদের নিচতলায় স্থাপিত মুজিব ও স্বাধীনতা উদ্বোধন করেন তিনি।

জাতীয় সংসদ সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদ ভবনের প্রথম লেভেলে স্থাপিত মুজিব ও স্বাধীনতা পরিদর্শন করেন।

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি মুজিব ও স্বাধীনতা প্রদর্শিত বিভিন্ন স্থিরচিত্র ও ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী পরিদর্শন বইয়ে সই করেন এবং মুজিব ও স্বাধীনতা নিয়ে প্রশংসা করেন। তিনি জাতীয় সংসদে মুজিব ও স্বাধীনতা স্থাপনের জন্য স্পিকারসহ সংশ্লিষ্টদের অভিনন্দন জানান।

এ সময় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপবর্গ ইকবালুর রহিম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, নজরুল ইসলাম বাবু, সাইমুম সরওয়ার কমল, মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা ও সানজিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।

পরে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যসহ জাতীয় সংসদ সদস্যরা মুজিব ও স্বাধীনতা পরিদর্শন করেন।

মুজিব ও স্বাধীনতা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাস সংরক্ষণ ও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দেওয়ার এক অনন্য প্রয়াস।

এখানে প্রথম কক্ষে বাংলার প্রাচীন ইতিহাস থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধুর শৈশব ও কৈশোর, খোকা থেকে শুরু হয়ে তারুণ্যে মুজিব ভাই হয়ে ওঠা, ভারত ভাগ ও পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা, উত্তাল ভাষা আন্দোলন ও ১৯৫০ এর দশকের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন, বাঙালির মুক্তির সনদ ৬ দফা, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও ১৯৭০ এর নির্বাচন পর্যন্ত প্রদর্শিত হয়েছে।

১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে বিজয়ের প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে দ্বিতীয় কক্ষের ঘটনাপ্রবাহ এগিয়ে গেছে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসের দিকে। বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠে ৭ মার্চের ভাষণ, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক ২৫ মার্চের গণহত্যা, ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা, দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে সর্বস্তরের মানুষের অকাতর সংগ্রাম এবং মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের আত্মত্যাগের ধারাবর্ণনা স্থান পেয়েছে এই কক্ষে।

তৃতীয় কক্ষে বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল বিজয়, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বপূর্ণ অবদানের সঙ্গে আরও রয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠন, আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের পরিচিতি সুসংহত করার স্বর্ণালী ইতিহাস। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের সংগ্রামী জীবন ও বঙ্গবন্ধুর পারিবারিক জীবনের কিছু খণ্ডচিত্র প্রদর্শিত হয়েছে। এরপর বাংলাদেশের ইতিহাসের কালো অধ্যায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা স্থান পেয়েছে।

জাতীয় সংসদের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতির বিকল্প আরেকটি ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতি নয়-তথ্য মন্ত্রী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন বলেছেন- বিএনপি প্রমাণ করবে একটি ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতির বিকল্প আরেকটি ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতি নয়। কোন কোন রাজনৈতিক মহল ধর্মকে ধর্মকে ব্যবহার করে বিকল্প ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতির ধারা চালু করতে চায়।

তিনি বুধবার (৪ মার্চ) বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন- এই সরকার দলীয় আধিপত্য কিংবা দলীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চায় না। যেকোনো বিষয়ে জবাবদিহিতে আনার পাশাপাশি কোন অপরাধকে তামাদি হতে দেওয়া হবে না।

জনগণ বিএনপিকে ভোটের মাধ্যমে দায়িত্ব দিয়েছে কেবল প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য কিংবা প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য নয়। জনগণ বিএনপিকে দায়িত্ব দিয়েছে সামগ্রিকভাবে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য। তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন-যেকোনো অপরাধের বিচারের আইনগত দায়িত্ব বাইরে কাউকে গ্রহণ করতে দেওয়া হবে না।

মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ – সভাপতি মুস্তফা নঈমসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তাকে বদলি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে বগুড়া, সিলেট, বরিশাল, জামালপুর, ময়মনসিংহ ও খাগড়াছড়ি— এই ৬ জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে সরকার।বুধবার (৪ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখার উপ-সচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলির কথা জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বগুড়ার পুলিশ সুপার মো. শাহাদাত হোসেনকেপাশাপাশি ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানকে নোয়াখালীর পিটিসিতে, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ কামরুল হাসানকে ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

পহেলা বৈশাখের আগেই চালু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’ 
সেইসঙ্গে সিলেটের পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলমকে এপিবিএনে বদলি করা হয়েছে, জামালপুরের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেককে সিলেট জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

এছাড়া, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিনকে জামালপুর জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বরিশালের পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলামকে নৌ পুলিশে বদলি করা হয়েছে, এবং পুলিশ সদর দপ্তরের এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমানকে বরিশালের পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদে বিরোধী দল থেকে প্রতিনিধি নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন- জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার ২ মার্চ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি জানান, রাজনৈতিক ঐকমত্যকে গুরুত্ব দিয়ে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের জন্য একটি নাম প্রস্তাব করতে অনুরোধ করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে মৌখিক ও সরাসরি যোগাযোগও করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্পিকার নির্বাচনের দিনই ডেপুটি স্পিকার পদেও নির্বাচন সম্পন্ন করা যেতে পারে। এতে সংসদ পরিচালনায় ভারসাম্য ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়- জাতীয় সনদের আলোকে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছে, সেটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ