চমেক ও রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল অফিসের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় কারনে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেক)ও রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল অফিসের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে পিডিবি।এতে দুর্ভোগে পড়েছে প্রতিষ্ঠান দুটির সংশ্লিষ্টরা। দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছে পিডিবির বকেয়া বিল বাবদ পাওনা রয়েছে ৩ কোটি ৪১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। জানা গেছে, এক কোটি ২৯ লাখ ৪৫ হাজার টাকা বকেয়া বিল পরিশোধ না করায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
আজ সোমবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রতিষ্ঠানটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রামের প্রধান প্রকৌশলী রেজাউল করিম। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় কলেজের প্রশাসনিক ভবন, দুটি হোস্টেল, ভেনম রিসার্চ সেন্টার, ফরেনসিক ভবন, লাইব্রেরি বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. সাহেনা আক্তার বলেন, আমাদের কিছু বিদ্যুৎ বিল বকেয়া ছিল, যার কারণে বিদ্যুৎ অফিস লাইন বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। আমরা তাদের চিঠি দিচ্ছি যাতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়। বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য মন্ত্রণালয়েও আমরা চিঠি দিয়েছি। আমাদের মূল বকেয়া বিল ৭১ লাখ টাকা। বিভিন্ন চার্জ মিলে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির বলেন, তাদের কয়েকবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তবুও উনারা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেননি। আমরা শুধু একাডেমিক ভবনের বিদ্যুৎ লাইনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছি। ছাত্রাবাসে বিদ্যুৎ আছে। চমেক কর্তৃপক্ষ এখনও যোগাযোগ করেনি। এদিকে বকেয়া বিল পরিশোধ না করায় এক মাস পর আবারও বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল অফিসের। আজ সোমবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রেল পূর্বাঞ্চলের সিআরবি অফিসের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ দক্ষিণাঞ্চল। ২ কোটি ১২ লাখ টাকা বকেয়া থাকায় রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল অফিসের বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পিডিবি। এর আগে গত (মে মাস) ১৯ তারিখেও রেল পূর্বাঞ্চলের সিআরবি ও পাহাড়তলী অফিসের বিদ্যুতের লাইন কেটে দেয় পিডিবি। পরবর্তী সময়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ থেকে বিল পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হলে ওইদিন বিকেলে বিদ্যুতের লাইনে পুনঃসংযোগ দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ উন্নয়নে বোর্ডের (পিডিবি) জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. আকবর হোসেন। তিনি বলেন, ‘২ কোটি ১২ লাখ টাকা বিল বকেয়া থাকায় রেলওয়ের সিআরবি অফিসের বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সংস্কারবঞ্চিত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হচ্ছে: চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর উন্নয়নকাজে গতি আনতে সরেজমিনে তদারকি অব্যাহত রেখেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরীর অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের চলমান কার্পেটিং কাজ পরিদর্শন করেছেন তিনি।

পরিদর্শনকালে মেয়র সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং কার্পেটিং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার পাশাপাশি নির্মাণকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

দীর্ঘদিন সংস্কারের অপেক্ষায় থাকা অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের উন্নয়নকাজ এগিয়ে যাওয়ায় এ পথে চলাচলকারী নগরবাসীর দুর্ভোগ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। কার্পেটিং কাজ শেষ হলে সড়কটি দিয়ে চলাচল আরও স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপদ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করাই আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিন সংস্কারবঞ্চিত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হচ্ছে। কাজের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিটি প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকবে। নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে আমরা মাঠে থেকে কাজের অগ্রগতি তদারকি করছি।

কার্পেটিং কাজ শেষ হলে অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়ক ব্যবহারকারী বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ার পাশাপাশি নগরের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে মাস্কাট থেকে যাত্রীর ব্যাগে মিলল স্বর্ণ সুতিকাকে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ছবি-১
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মাস্কাট থেকে আসা এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে ৫৩৪ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোহাম্মদ হাসান মুরাদ নামে এক যাত্রীকে আটক করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সালাম এয়ারের ওভি-৪০১ ফ্লাইটে মাস্কাট থেকে চট্টগ্রামে আসেন ওই যাত্রী।বিমানবন্দরের কাস্টমস হল থেকে বের হওয়ার সময় তার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে ডিজিএফআই, এনএসআই ও কাস্টমস গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ দল তার ব্যাগেজে তল্লাশি চালায়। আটক মোহাম্মদ হাসান মুরাদ চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নাসিরনগর এলাকার বাসিন্দা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, তল্লাশিতে ১০৬ গ্রাম স্বর্ণের অলংকার, ৪২৫ গ্রাম স্বর্ণপিণ্ড এবং ৩ গ্রাম স্বর্ণের পেস্ট উদ্ধার করা হয়। মোট উদ্ধার করা স্বর্ণের পরিমাণ ৫৩৪ গ্রাম।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, স্বর্ণগুলো ব্যাগেজের ভেতরে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। এ কারণে কাস্টমসের স্ক্যানারে তা সরাসরি ধরা পড়েনি; বরং স্ক্যানারে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছিল।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা বলেন, উদ্ধার করা ৫৩৪ গ্রাম স্বর্ণের বিপরীতে ১ কোটি ১৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা রাজস্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। চালানের পরিমাণ নির্ণয়ের পর উদ্ধার করা স্বর্ণ বিমানবন্দর কাস্টমসের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।স্বর্ণ পরিবহনের ঘটনায় আটক যাত্রীর বিরুদ্ধে শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা পাচার ও স্বর্ণ চোরাচালান প্রতিরোধে বিমানবন্দরের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স, বিমানবন্দর কাস্টমস এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ