এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্বাচনের প্রায় সাড়ে তিন বছর পর ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসাবে শপথ নিয়েছেন এস এম আলী আহাম্মদ।
সোমবার (২৪ জুন) সকালে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া তাকে শপথ পাঠ করান।
শপথ পরবর্তী গৌরীপুর প্রেসক্লাবে দুপুরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাউন্সিলর এস এম আলী আহাম্মদ।
বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া বলেন, নির্বাচন কমিশন থেকে চিঠি পেয়েছি। আজ শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়েছে।
জানা গেছে, ২০২১ সালের ৩০ জানুয়ারি গৌরীপুর পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে ডালিম প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করেন এসএম আলী আহাম্মদ। ভোট গ্রহণ শেষে প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থী উটপাখি প্রতীকের মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়াকে বিজয়ী ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
এদিকে ফলাফল প্রত্যাখান করে আইনের আশ্রয় নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন আলী আহাম্মদ। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে আদালত পুনরায় ভোট গণনার নির্দেশ দেয়। এতে দেখা যায় ডালিম প্রতীক ৬০৪ ভোট ও উটপাখি প্রতীক ৫৩৯ ভোট পেয়েছে। গত বছর ২৯ অক্টোবর নিম্ন আদালত পূর্বঘোষিত ফলাফল বাতিল করে ডালিম প্রতীকের প্রার্থী আলী আহাম্মদকে ৬৫ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
এরপর নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করেন উটপাখি প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া। আপিলের পর উচ্চ আদালত গত ২৫ জানুয়ারি নিম্ন আদালতের রায়ের ওপর ৮ সপ্তাহ স্থগিতাদেশ দেন।
এরপর আবারও আইনি লড়াই শুরু হয়। গত ৩ মার্চ উচ্চ আদালত ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল আপিলের চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করে নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন।
গত ১৬ এপ্রিল আলী আহাম্মদকে বিজয়ী ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন। গত ১৯ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মো. মিজানুর রহমান এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ ও দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন।
এস এম আলী আহাম্মদ বলেন, ‘আমার ওয়ার্ডের ভোটারদের প্রতি আস্থা ছিল তাই আমার এই জয় ৯নং ওয়ার্ডবাসীকে উৎসর্গ করলাম। পাশাপাশি আমি সবসময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলাম। আমার সঙ্গে যে অন্যায় হয়েছিল তার জন্য ন্যায়বিচার পেতে আইনের দ্বারস্থ হয়েছি। আইনি লড়াই শেষে বিজয়ী হয়ে আজ কাউন্সিলর হিসাবে শপথ নিয়েছি। এটি সত্যের জয়।


চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেছেন-বিএনপি প্রতিশ্রুতি পূরণের রাজনীতি করে। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া যতবারই দেশ পরিচালনা করেছে ততবারই দেশের মানুষ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের দেখা পেয়েছে। জিয়া পরিবারের সুুযোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জনগণের প্রতিশ্রুতি পূরণে দিনরাত পরিশ্রম করছেন।










