আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

বাংলা চলচ্চিত্র ল:

নিজের ছবি নিয়ে নিজেই কেনো হতাশ ববি

বিনোদন ডেস্ক:

বিনোদন ডেস্ক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দর্শকরা সিনেমা হল থেকে বেরিয়ে ছবিটির অনেক প্রশংসা করেছেন। তারা আমার স্ক্রিন প্রেজেন্স নিয়ে অনেকে হতাশার কথাও বলেছেন। তাদের মতে, আমার চরিত্রটির আরও ব্যাপ্তির প্রয়োজন ছিল। আমি বলবো – দর্শকের সঙ্গে আমি নিজেও হতাশ। এটা তো একজন নায়িকার গল্প নিয়ে ছবি। গল্পটা যাকে নিয়ে, তাকে যদি পর্দায় স্টাবলিশ না করেন, তাহলে এর সার্থকতা কোথায়! ঈদে মুক্তি পাওয়া নিজের নতুন ছবি ময়ূরাক্ষী নিয়ে গণমাধ্যমে এভাবেই হতাশা প্রকাশ করেছেন চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববি।

শাকিব খানের তুফান এর সঙ্গে এই ঈদে মুক্তি পায় ববি অভিনীত ময়ূরাক্ষী ছবিটি। তরুণ নির্মাতা রশীদ পলাশের এই ছবিটি ঘিরে বেশ আলোচনা তৈরি হলেও মুক্তির পর তা অনেকটাই হওয়া হয়ে গেছে। এর কারণ হিসেবে অনেকেই শাকিবের তুফান ছবিকে সামনে আনলেও নায়িকা ববি বলছেন ভিন্ন কথা।

এই প্রসঙ্গে গ্ল্যামারাস চিত্রনায়িকা ববি আরও বলেন, ময়ূরাক্ষী ছবিটি মুক্তির আগে আমাকে জানানো হয়েছে, ১৫-১৬টি সিনেমা হলে মুক্তি পাবে। কিন্তু ঈদের আগের দিন জানতে পারি মাত্র দু’টি হলে এটি মুক্তি পাবে। ডিস্ট্রিবিউশন পলিসিটাই নির্মাতা বুঝতে পারেননি। এই ছবিতে এত সুন্দর গান রয়েছে, অথচ মাত্র একটি গান রিলিজ করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ট্রেলারটাও রিলিজ করেননি। এমন অবস্থায় ছবিটি দেখতে দর্শকরা হলে যাচ্ছেন, সেটাই আমাদের সৌভাগ্য। আমার ফিল্ম ক্যারিয়ার প্রথমবার এমন এক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা আরজেএ’র ‘বান্দরবান ভ্রমণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বার্ষিক পিকনিক আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবারও তিনদিন দুই রাতের বান্দরবান ভ্রমণ-সফলতার সাথেই সম্পন্ন করেছে রেলওয়ে জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (আরজেএ)। রোমাঞ্চকর পিকনিকের পরিকল্পনায় মুগ্ধ সাংবাদিকরা। মেঘ-পাহাড়ের লুকোচুরি, ঝর্ণার শীতলতা এবং আদিবাসী সংস্কৃতি উপভোগ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা নিয়েছে সংগঠনটির একঝাক গণমাধ্যমকর্মী। গত ২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার প্রথম দিনের শুরুতেই চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে বাসে করে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বান্দরবানের উদ্দেশে রওনা। দুপুর সাড়ে ১২টায় বান্দরবান শহরের বাস স্টেশনে পৌছে হালকা নাস্তা করে সাংবাদিকদের বহর ছুটে যায় বালাঘাটা বাজারের দিকে। সেখানে আগে থেকেই আয়োজকদের ঠিক করে রাখেন তুলা উন্নয়ন বোর্ড রেস্ট হাউজের পুরো ভবন। ভবনে পৌছে যে যার পছন্দ মতো রুমে প্রবেশ করেন।


সেখানে সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে সদস্যদের মধ্যে সৌহার্দ্য এবং সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। সবাই ফ্রেশ হতে হতে দৈনিক আইনবার্তার বান্দরবান প্রতিনিধি সাংবাদিক কাজী জুয়েল দুটি জিপ গাড়ি নিয়ে রেস্ট হাউজের সামনে এসে হাজির। বিশ্রামের আর সময় নেই, এবার শুধু ছুটে চলা। এরপর, রেস্টুরেন্টে দুপুরের খাবার শেষ করে নিলাচল ও প্রান্তিক লেকের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলাম। প্রান্তিক লেকের শান্ত এবং নিরিবিলি পরিবেশে সাংবাদিকরা প্রকৃতির সাথে একাত্ম হওয়ার সুযোগ পান। আর অপরূপ প্রাকৃতিক দৃশ্য ও মনোরম পরিবেশের জন্য বিখ্যাত নিলাচল, ভ্রমণকারীদের মুগ্ধ করে। সেই সময়ের সৌন্দর্য, মেঘে ঢাকা পাহাড়, শান্ত জলাশয় এবং সবুজের মাঝে ঘুরে বেড়ানো এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।


এদিনের ভ্রমণ শেষে সন্ধ্যায় সদস্যরা রেষ্ট হাউজে ফিরে এসে দিনটি শেষ করেন। সেখানে রাতে একদিকে চলে ঘরোয়া পরিবেশে রান্নার আয়োজন। অন্যদিকে সবাই একত্রিত হয়ে আলোচনা ও মনোজ্ঞ সময় কাটান। এরইমধ্যে সাংবাদিকদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করে খোজ খবর নিয়েছেন ব্যারিস্টার কাজী ইসতিয়াক হোছাইন জিসান। এসময় সংক্ষিপ্ত আলোচনায় সাংবাদিক সংগঠন আরজেএ’র সভাপতি এস এম পিন্টু বলেন, “এ ধরনের প্রকৃতি ভ্রমণ আমাদের কাজের প্রতি ভালোবাসা এবং একে অপরের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করে।

বান্দরবানের অপূর্ব সৌন্দর্য আমাদের অনেক নতুন অভিজ্ঞতা দিয়েছে।” পিকনিকের প্রথম দিনটি ছিল শুধুমাত্র একটি ভ্রমণ নয়, বরং প্রকৃতির মাঝে সময় কাটিয়ে একযোগভাবে সম্পর্ক গড়ার এক অমূল্য সুযোগ। প্রথম দিনটির সফলতার পর, দ্বিতীয় দিন সকাল শুরু হয় একটি সুস্বাদু নাস্তায়। এরপর, সংগঠনের সদস্যরা জিপ ভাড়া করে বান্দরবানের এক ঐতিহ্যবাহী পর্যটন স্থান নীলাগিরির উদ্দেশে রওনা দেন। দুপুরে সাড়ে ১২টার দিকে ২২০০ ফুট উচ্চতায় মেঘ ছোঁয়ার স্থান নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রে এসে থামেন গাড়ি।


এর পর দীর্ঘ প্রায় দুই ঘণ্টা সাংবাদিক সংগঠনটির সদস্যরা প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যান। সেখানকার অপরূপ সৌন্দর্য, পাহাড়ি অঞ্চল এবং সবুজের ছায়ায় ঘুরে বেড়ানো এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে। দুপুরে সেখানকার স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া শেষে, সদস্যরা আবার বান্দরবান শহরে ফিরে আসেন। আসার পথে তাদের বহনকারী জিপ গাড়িটি থামেন শৈলপ্রভাতের দর্শনীয় স্থানে। শৈলপ্রপাত ঝর্ণা-র প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ ও শান্ত পরিবেশ সকলের মনকে আরও গভীর প্রশান্তি দিয়েছে।

তাছাড়া সেখানে পাহাড়ি আদিবাসিদের ছোট্ট মার্কেট ঘুরে যে যার পছন্দমতো বাজার করার সুযোগ পেয়েছে। একইদিন বান্দরবান শহরে যখন গাড়ি দাঁড়ায় তখন সন্ধ্যা ৭টা। বান্দরবানের অভিজাত রিসোর্ট মেঘদূত এ আবারও এক জাঁকজমকপূর্ণ ভোজনের আয়োজন করা হয়। এসময় আরজেএ নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন বান্দরবান সেনা জোন এনসিও মঞ্জুরুল ইসলাম ও সোহান। এরই মধ্যে নেতৃবৃন্দের সাথে চা চক্রের অঅগ্রহ প্রকাশ করে গাড়ি পাঠিয়েছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসান খান ।

পরে তাঁর অফিস ও বাসায় ২ দফা চলে চা আড্ডা ও ফটো সেশন। রাত ৯টার মধ্যে আবারও রেষ্ট হাউজে ফেরা এবং আগের দিনের মতোই হরেক রকম পদের ঘরোয়া রান্নায় হাত ও জিপ চেটে খাওয়া দাওয়া। সবশেষে সদস্যরা নিজেদের মধ্যে আনন্দ-আড্ডায় মেতে ওঠে। পরদিন ভ্রমনের শেষ শনিবার সকালে নাস্তা করে দুপুর ১২টায় বাসে করে চট্টগ্রাম শহরের উদ্দ্যেশে যাত্রা। এভাবেই প্রকৃতির মাঝে কাটানো দুটো দিন এবং একে অপরের সাথে সময় কাটিয়ে সবাই সত্যিই নবোদ্যম ও

সজীব হয়ে ফিরে আসে। এ বিষয়ে আরজেএ’র সভাপতি এস এম পিন্টু বলেন, “আমরা প্রতিনিয়ত সংবাদ সংগ্রহের পেছনে ছুটতে ছুটতে অনেক সময়ই ক্লান্ত হয়ে পড়ি। কিন্তু এমন একটি ভ্রমণ আমাদের সকলকে একত্রিত করে, একে অপরের সাথে সম্পর্ক গড়ার সুযোগ দেয় এবং আমাদের মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করে।” এভাবে, এই তিন দিনের ভ্রমণটি শুধু একটি প্রকৃতিভ্রমণ ছিল না, বরং এটি ছিল সাংবাদিকদের জন্য একটি পরিপূর্ণ রিফ্রেশমেন্ট, যেখানে প্রকৃতি, বন্ধুত্ব এবং আনন্দের সম্মিলন ঘটেছিল। সংগঠনের সভাপতি দৈনিক সকালের সময়ের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান এস এম পিন্টুর নেতৃত্বে তিনদিনের বান্দরবান ভ্রমণে সংগঠনের অন্যান্য সদস্যের মধ্যে ছিলেন,

সাংবাদিক নাছির উদ্দিন রকি, এম আর আমিন, সেলিম চৌধুরী, ফয়েজ রেজা, শেখ মোরশেদ আলম, রাজীব সেন প্রিন্স, আব্দুল মতিন চৌধুরী রিপন, মোস্তফা জাহেদ, মো. আলমগীর, জাহাঙ্গীর আলম, মো. এরশাদ, রাকিব উদ্দিন, হাসান সৈকত, পরিতোষ বড়ুয়া রানা, গাজী গোফরান, আনিসুর রহমান ও মো. তৈয়ব চৌধুরী। বান্দরবানের সাংবাদিক কাজী জুয়েল শুরু থেকে আমাদের সময় দিয়েছেন। আরজেএ তাঁর কাছে চির কৃতজ্ঞ।

চট্টগ্রামে শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে পিঠা উৎসবে ৯৮ রকম পিঠাপুলির সংযোগ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে আশ্রয় পাওয়া সমাজের এক সময়কার সুবিধাবঞ্চিত-বিপন্ন-ঝুঁকিতে থাকা-পথ শিশুদের নিয়ে বাঙালীয়ানায় পিঠাপুলি উৎসব সম্পন্ন হয়েছে। গত ২৫ জানুয়ারি রোববার উৎসবে শিশু বরণ, বেলুন ও পায়রা উড্ডয়ন, দেয়ালিকা উন্মোচন, বই বিতরণ, শীতবস্ত্র বিতরণ, উশু প্রশিক্ষণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ, ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, তাঁবু জলসা, আতশবাজি এবং বিশেষ নৈশ ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। নিবাসী শিশু মোঃ আসিফ উদ্দিন নাঈমের পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। নতুন বছর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান।


কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতারের সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রের ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর গমন কান্তি দে এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়েল অতিরিক্ত পরিচালক হরিশ চন্দ্র বিশ্বাস, হাটহাজারী প্রেস ক্লাবের সভাপতি কেশব কুমার বড়ুয়া, দপ্তর সম্পাদক মো: আলাউদ্দিন, বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের কার্য নির্বাহী সদস্য আব্দুল্লাহ্ আল ফয়সাল, আন্তর্জাতিক উশু বিচারক ফারজানা খানম, ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ শফিউল আলম, সমাজসেবক মো: আইয়ুব এবং ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আলী আকবর।

বেলুন ও পায়রা উড্ডয়নের মাধ্যমে ফিতা কেটে উদ্বোধন শেষে অতিথিবৃন্দ সজ্জিত পিঠাশালা পরিদর্শন করেন। বাঙালীয়ানার পসরায় ঠাঁই পেয়েছে ডিসি পার্ক পিঠাশালা, হালদা নদী পিঠাশালা, চন্দ্রনাথ পাহাড় পিঠাশালা, ফয়েজ লেক পিঠাশালা, পতেঙ্গা সী-বীচ পিঠাশালা এবং উদালিয়া চা-বাগান পিঠাশালা শিরোনামে ছয়টি পিঠাশালা যাতে গ্রাম বাংলার ৯৮ রকম বাহারী স্বাদের পিঠাপুলির সংযোগ ঘটানো হয়। অত:পর প্রধান অতিথি শিশুদের তৈরিকৃত ‘আলোকবর্তিকা’ শিরোনামে দেয়ালিকার ১০ম সংখ্যা উন্মোচন করেন।


এরপরে শীতকালিন ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট প্রতিযোগিতার বালক শাখার সমাপনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় পর্বে কেন্দ্রের মাঠ প্রাঙ্গনে মহামায়া লেক মঞ্চে শিশু বরণ, বই বিতরণ, শীতবস্ত্র বিতরণ, উশু প্রশিক্ষণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, আলোচনা সভা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি বলেন- বাঙালীয়ানা ঐতিহ্য ধরে রাখার ক্ষেত্রে এধরণের উৎসব অনুষ্ঠানের আয়োজন প্রশংসার দাবীদার। সবশেষে নিবাসী শিশুদের মাঝে বিশেষ নৈশভোজ পরিবেশনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে। কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতার জানান- মূলত নতুন বছর উপলক্ষ্যে শীতের মৌসুমে কেন্দ্রের নিবাসী শিশুদের এক পশলা আনন্দের বৃষ্টি ঝরিয়ে তাদের মুখে হাসি ফোঁটানোর জন্য আমাদের এই ছোট্ট প্রয়াস।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ