বিনোদন বাংলা:

আপনার লজ্জা করে না, ঋতুপর্ণাকে শ্রীলেখা

ঢাকা অফিস:

কলকাতা সিনেমা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেশন দুর্নীতি মামলায় ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) জেরার মুখে পড়েছেন ভারতীয় বাংলা সিনেমার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এ ঘটনায় নিজের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করলেও ৭০ লাখ রুপি ফেরত দিতে চেয়েছেন অভিনেত্রী।

ইডির বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম।

এ ঘটনা নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন ঋতুপর্ণা। এবার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ ঝারলেন ভারতীয় বাংলা সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

ঋতুপর্ণার একটি ভিডিও নিজের ফেসবুকে পোস্ট করে শ্রীলেখা মিত্র লেখেন, চুরি না করলে টাকা ফেরত দিতে চাচ্ছেন কেন? ৭০ লাখ টাকা তো মুখের কথা না। সাধারণ মানুষের থেকে চুরি করা টাকা। কেউ নিজের আয় করা টাকা এমনি এমনি দেবে না।

এ ভিডিওতে হাত নেড়ে কথা বলতে দেখা যায় ঋতুপর্ণাকে। বিষয়টি উল্লেখ করে শ্রীলেখা মিত্র লেখেন, ক্যামেরার সামনে হাত নেড়ে কি প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন? আপনি অস্কার পাচ্ছেন না, আপনাকে চোর বলা হচ্ছে। লজ্জা করে না?

ঋতুপর্ণার বিষয়টি নিয়ে টলিউড ইন্ডাস্ট্রি নীরব থাকবে। এ তথ্য উল্লেখ করে শ্রীলেখা লেখেন, তারপরেও মিডিয়া এনাদের নাম্বার ওয়ান শিরোপা দিবে? আমার ইউটিউব ভিডিও নিয়ে মিডিয়ার এক অংশ এবং ইন্ডাস্ট্রি এনাদের হয়ে কথা বলবেন। এখন দুর্নীতির কোনো সীমা নেই। ছি! ধিক্কার জানাই। খেয়াল করে দেখবেন, আমার এই পোস্ট নিয়ে ইন্ডাস্ট্রির লোকজন নির্বাক থাকবে।

জুন মাসে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দপ্তরে যান ঋতুপর্ণা। তাকে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। জেরার পর ঋতুপর্ণা জানান, রেশন দুর্নীতির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তবে তার কাছে যেসব নথি চাওয়া হয়েছিল, সেগুলো তদন্তকারীদের হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি। এরপরই নাকি ৭০ লাখ রুপি ফেরত দিতে চেয়ে ইডি বরাবর আবেদন করেছেন ঋতুপর্ণা। তবে এ বিষয়ে গণমাধ্যমে সরাসরি কিছু বলেননি ঋতুপর্ণা।

ব্যাংকে লেনদেনের তথ্যর উপর ভিত্তি করে ঋতুপর্ণাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। ২০১৯ সালে রোজ ভ্যালি কাণ্ডে এ অভিনেত্রীকে ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সৌদির নতুন সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটে ১৪ দেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে নিরাপত্তা জোরদার করতে বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশকে নিয়ে নতুন একটি বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে । এই জোটের মূল লক্ষ্য হলো বাব আল-মান্দেব প্রণালি, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ রুট সুরক্ষিত রাখা

এজোটে রয়েছে সৌদি আরব,তুরস্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, মিসর, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, জর্ডান, জিবুতি, সোমালিয়া, ইয়েমেন, সুদান ও কোমোরোস। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আরও দেশ এই জোটে যোগ দিতে পারবে।যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত এবং হুথি হামলার কারণে লোহিত সাগর ও আশপাশের সমুদ্রপথে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এই নতুন জোট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সুকন্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ সংগীত ভূবণকে সমৃদ্ধ করার এক নতুন সংযোজন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সুকন্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ সংগীত ভূবণকে
সমৃদ্ধ করেছে।চট্টগ্রামের সংগীত ভান্ডারে এসংঠনের অগ্রযাত্রা সংস্কৃতি জগতের জন্য আনন্দলোক।
বন্দর নগরীর চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউটে ৩১ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় সুকন্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ আয়োজিত প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তাগনের বক্তব্যে এক উঠে আস। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ টিভি ও বেতার শিল্পী বিদ্যার্থী পরিষদের প্রধান উপদেষ্ঠা সুব্রত দাশ অনুজ।

বাচিক শিল্পী সুপ্রিয়া চৌধুরীর সঞ্চালনায় বিদ্যার্থী পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক অরুণ নাথ এর সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান -কিরন শর্মা, ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরাম এর নির্বাহী পরিচালক উৎপল বড়ুয়া, তবলা শিল্পী লিটন মিত্র।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যার্থী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো: লোকমান হোসেন, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিদ্যার্থী পরিষদের উপদেষ্টা লিটন সরকার, অঞ্জনা পারিয়াল, প্রণব দাশ গুপ্ত,সুবর্না দাশ,পরিষদের কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা জানান গৌরী ললিত কলা একাডেমির পরিচালক নাসরিন সুলতানা খানম, উদ্বোধনী বক্তব্যে বিদ্যার্থী পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা শিল্পী সুব্রত দাশ অনুজ বলেন সুর,তাল প্রতিটি মানুষের আছে কেউ উপলব্ধি করতে পারে কেউ পারে না। সুরের ছোঁয়ায় মানব জীবনে পরিবর্তন হয়।

সম্মানিত অতিথি সাংবাদিক কিরণ শর্মা তাঁর বক্তব্য বলেন – সঙ্গীত বাঙ্গালি সংস্কৃতিতে ওতপ্রোতভাবে জড়িত সঙ্গীত মানুষের মনকে বিকশিত করে।
চট্টগ্রামের শিল্প ও সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। বৈচিত্র্যময় লোকসংগীত, মাইজভাণ্ডারী গান, কবিয়াল গান জনপদের অনন্য ঐতিহ্য বহন করে চলেছে।
সুকন্ঠ বিদ্যার্থী পরিষদ সেধারার সাথে সংযোজিত হয়ে চট্টগ্রামের সংগীত ভান্ডারকে আরো সমৃদ্ধ করবে।তিনি সুকন্ঠ বিদ্যার্থী পরিষদের সাফল্য কামনা করে পাশে সবসময় থাকবেন ব্যক্ত করেন।


ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরাম এর নির্বাহী পরিচালক সংস্কৃতি প্রেমী উৎপল বড়ুয়া বলেন শুদ্ধ সংগীতের বিকল্প নেই, সঙ্গীতর চর্চা মানুষের মন পরিশুদ্ধ করে তোলে। সভাপতির সমাপনি বক্তব্যে সাংবাদিক অরুণ নাথ বলেন চরাউৎরায় দেশের বৈরী পরিস্থিতিতে সংস্কৃতি কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে যারা সহযোগিতা করছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যদের পরিবেশনায় দলীয় সঙ্গীতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয় এর পর দেশের গান পরিবেশন করেন নরেন্দ্র বিশ্বাস ,

দ্বৈত গান পরিবেশন করেন কান্তা বিশ্বাস ও টুম্পা দাশ, লিজা দাশ ও সজীব চৌধুরী, একক গান পরিবেশন করেন কৌশিক দত্ত, অনিন্দিতা ভট্টাচার্য, উর্বশী চক্রবর্তী, তন্দ্রা সিংহ মৌ,জয়শ্রী ধর,মো: লোকমান হোসেন, রুবেল চৌধুরী, আনিকা দাশ, নীলাদ্রি সেন গুপ্ত, প্রণয় ধর,আবৃত্তি পরিবেশন করেন বাচিক শিল্পী লিটন সরকার, নৃত্য পরিবেশন করেন হিতৈষী দাশ কৃতি, এর পর গান পরিবেশন করেন কৃষ্ণ চৌধুরী, দীপান্ত ভট্টাচার্য, অর্ঘ্যদ্বীপ সরকার,অভ্রনীল দে,

অর্চিতা দে,অণ্বেষা ধর,স্মৃতি দে, প্রিয়ম বিশ্বাস, প্রমা অবন্তী বিশ্বাস, ঋতু সাহা,আশিষ চৌধুরী, প্রমুখ। দর্শক শ্রোতাদের উপস্থিতি কানায় কানায় হল ভর্তি হয়ে দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে হয়েছে। সঙ্গীত প্রেমীদের অনুরোধে গানে গানে রাত দশটা অবধি চলে অনুষ্ঠান। যন্ত্রানুসঙ্গে ছিলেন কী বোর্ডে পঙ্কজ নাথ, তবলায় রাজু দাশ,সানি দে, সায়ন দে, অক্টোপেডে প্রণব দাশ,গিটারে মো: সেলিম।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ